বিনোদন ডেস্ক

গত বছর টালিউডের অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও পিয়া চক্রবর্তীর বিয়ে। তাঁদের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক চর্চা হয়েছে। নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন পরম-পিয়া। আর কয়েকদিন পরেই বিয়ের এক বছর পূর্তি হবে পরম-পিয়ার। দাম্পত্য জীবন নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা।
এক বছরের বিবাহিত জীবনে উপলদ্ধি কী? এমন প্রশ্নের জবাবে পরমব্রত বলেন, ‘আমি একটা দীর্ঘ সময় ব্যাচেলর লাইফ কাটিয়েছি। যখন আমাকে জবাবদিহি করতে হতো না, সে অবস্থাতেও বাড়িকেন্দ্রিক ছিলাম। কিন্তু তা-ও একটা শৃঙ্খলার অভাব ছিল। সেটা চলে গেছে। এখন সন্ধ্যার পর আর বাড়ির বাইরে থাকি না। দুজনে কথা বলি, গানবাজনা করি, সিনেমা দেখি। আমি যেহেতু একসঙ্গে অনেক রকম কাজ করি, তাই স্ট্রেসড থাকি। এই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়, যখন পাশে একজন সঙ্গী থাকে।’
প্রেমিক না স্বামী—কোন পরমব্রত বেশি পছন্দের? এ প্রশ্নের উত্তরে পিয়া বলেন, ‘দুটোই চাই। হাজব্যান্ড হয়ে গিয়ে প্রেমিকের বৈশিষ্ট্যগুলো যেন চলে না যায়।’ দুজনের কাছেই প্রশ্ন ছিল, পরস্পরের প্রতি তাঁদের ভালো লাগা তৈরি হয়েছিল কীভাবে? পরমব্রত জানালেন, ‘আমাদের ভাবনার জগতটা মেলে। সেটা ভালোলাগা তৈরি করেছিল। দেশ-কাল-সমাজ নিয়ে পিয়ার কিছু স্পষ্ট চিন্তাভাবনা আছে, যা অনেক ক্ষেত্রে র্যাডিকাল। আবার ভীষণ ঘরোয়া বাঙালি মেয়েও আছে। এই সংমিশ্রণটাই আমার ভালো লাগে।’ এর সঙ্গে যোগ করে পিয়া বললেন, ‘আমাদের মন ভালো বা মন খারাপ হওয়ার কারণগুলোও অনেকটা এক রকম।’
এই সাক্ষাৎকারে প্রাক্তনদের নিয়েও কথা বলেছেন তাঁরা। পিয়াকে বিয়ের আগে টালিউডের কয়েকজন অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রেম ছিল পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের। অন্যদিকে, অনুপম রায়ের স্ত্রী ছিলেন পিয়া। প্রাক্তনদের সঙ্গে দেখা হলে কেমন প্রতিক্রিয়া হয়? পরমব্রত বলেন, ‘আমার এক্সদের সঙ্গে প্রায়ই দেখা হয়। তবে তারা এতটাই এক্স যে, কোনো সমস্যা, অস্বস্তি কিছুই হয় না।’

পিয়া জানালেন, অনুপম রায়ের সঙ্গে কিছুদিন আগে দেখা হয়েছিল তাঁর। কিছুক্ষণ কথাও হয়েছে। পিয়া বলেন, ‘আমার সঙ্গে কখনো দেখা হলে হাই-হ্যালোটুকু হয়। সম্প্রতি আমাদের কমন বন্ধুর বিয়েতে দেখা হয়েছিল। সেখানে মিনিট দশেক কথাও বলেছি। একে অপরের প্রতি সৌজন্য ও পারস্পরিক সম্মান আছে।’

পরম-পিয়ার বিয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় যে নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, ট্রলিংয়ের জোয়ার বয়ে গিয়েছিল; সেটা কীভাবে সামলেছিলেন? পরমব্রত বলেন, ‘সে সময় অনেক কথা ছড়ালেও আমাদের মধ্যে কোনো নেগেটিভিটি ছিল না। দুজন মানুষ যদি একে অপরকে ভালোবেসে একসঙ্গে ভালো থাকতে চায়, তাহলে সেটা সম্ভব। আজকের এই জগতে ট্রল কখনো চিরতরে যায় না। আড়ালে আবডালে থেকে যায়। তবে একটা সময়ের পর এটা নিয়ে ভাবা বন্ধ করে দিতে হয়। নাহলে জীবনে এগোনো যায় না।’

২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বর বিয়ে করেছিলেন পরম ও পিয়া। পরমব্রতর ব্যস্ততার কারণে বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে বড় কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি। তবুও ব্যস্ততার মধ্যে তাঁরা একদিনের জন্য কোথাও ঘুরতে যাবেন বলে জানালেন।

গত বছর টালিউডের অন্যতম আলোচিত বিষয় ছিল অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও পিয়া চক্রবর্তীর বিয়ে। তাঁদের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক চর্চা হয়েছে। নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন পরম-পিয়া। আর কয়েকদিন পরেই বিয়ের এক বছর পূর্তি হবে পরম-পিয়ার। দাম্পত্য জীবন নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা।
এক বছরের বিবাহিত জীবনে উপলদ্ধি কী? এমন প্রশ্নের জবাবে পরমব্রত বলেন, ‘আমি একটা দীর্ঘ সময় ব্যাচেলর লাইফ কাটিয়েছি। যখন আমাকে জবাবদিহি করতে হতো না, সে অবস্থাতেও বাড়িকেন্দ্রিক ছিলাম। কিন্তু তা-ও একটা শৃঙ্খলার অভাব ছিল। সেটা চলে গেছে। এখন সন্ধ্যার পর আর বাড়ির বাইরে থাকি না। দুজনে কথা বলি, গানবাজনা করি, সিনেমা দেখি। আমি যেহেতু একসঙ্গে অনেক রকম কাজ করি, তাই স্ট্রেসড থাকি। এই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়, যখন পাশে একজন সঙ্গী থাকে।’
প্রেমিক না স্বামী—কোন পরমব্রত বেশি পছন্দের? এ প্রশ্নের উত্তরে পিয়া বলেন, ‘দুটোই চাই। হাজব্যান্ড হয়ে গিয়ে প্রেমিকের বৈশিষ্ট্যগুলো যেন চলে না যায়।’ দুজনের কাছেই প্রশ্ন ছিল, পরস্পরের প্রতি তাঁদের ভালো লাগা তৈরি হয়েছিল কীভাবে? পরমব্রত জানালেন, ‘আমাদের ভাবনার জগতটা মেলে। সেটা ভালোলাগা তৈরি করেছিল। দেশ-কাল-সমাজ নিয়ে পিয়ার কিছু স্পষ্ট চিন্তাভাবনা আছে, যা অনেক ক্ষেত্রে র্যাডিকাল। আবার ভীষণ ঘরোয়া বাঙালি মেয়েও আছে। এই সংমিশ্রণটাই আমার ভালো লাগে।’ এর সঙ্গে যোগ করে পিয়া বললেন, ‘আমাদের মন ভালো বা মন খারাপ হওয়ার কারণগুলোও অনেকটা এক রকম।’
এই সাক্ষাৎকারে প্রাক্তনদের নিয়েও কথা বলেছেন তাঁরা। পিয়াকে বিয়ের আগে টালিউডের কয়েকজন অভিনেত্রীর সঙ্গে প্রেম ছিল পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের। অন্যদিকে, অনুপম রায়ের স্ত্রী ছিলেন পিয়া। প্রাক্তনদের সঙ্গে দেখা হলে কেমন প্রতিক্রিয়া হয়? পরমব্রত বলেন, ‘আমার এক্সদের সঙ্গে প্রায়ই দেখা হয়। তবে তারা এতটাই এক্স যে, কোনো সমস্যা, অস্বস্তি কিছুই হয় না।’

পিয়া জানালেন, অনুপম রায়ের সঙ্গে কিছুদিন আগে দেখা হয়েছিল তাঁর। কিছুক্ষণ কথাও হয়েছে। পিয়া বলেন, ‘আমার সঙ্গে কখনো দেখা হলে হাই-হ্যালোটুকু হয়। সম্প্রতি আমাদের কমন বন্ধুর বিয়েতে দেখা হয়েছিল। সেখানে মিনিট দশেক কথাও বলেছি। একে অপরের প্রতি সৌজন্য ও পারস্পরিক সম্মান আছে।’

পরম-পিয়ার বিয়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় যে নেতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, ট্রলিংয়ের জোয়ার বয়ে গিয়েছিল; সেটা কীভাবে সামলেছিলেন? পরমব্রত বলেন, ‘সে সময় অনেক কথা ছড়ালেও আমাদের মধ্যে কোনো নেগেটিভিটি ছিল না। দুজন মানুষ যদি একে অপরকে ভালোবেসে একসঙ্গে ভালো থাকতে চায়, তাহলে সেটা সম্ভব। আজকের এই জগতে ট্রল কখনো চিরতরে যায় না। আড়ালে আবডালে থেকে যায়। তবে একটা সময়ের পর এটা নিয়ে ভাবা বন্ধ করে দিতে হয়। নাহলে জীবনে এগোনো যায় না।’

২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বর বিয়ে করেছিলেন পরম ও পিয়া। পরমব্রতর ব্যস্ততার কারণে বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে বড় কোনো পরিকল্পনা করা হয়নি। তবুও ব্যস্ততার মধ্যে তাঁরা একদিনের জন্য কোথাও ঘুরতে যাবেন বলে জানালেন।

কয়েকজন তরুণ নাট্যকর্মী নতুন ধারার থিয়েটার নির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে গঠন করেছেন ‘থেসপিয়ানস দ্য ঢাকা’ নামের নতুন নাট্যদল। এ মাসেই ঢাকার মঞ্চে যাত্রা শুরু করবে দলটি। থেসপিয়ানস দ্য ঢাকার প্রথম প্রযোজনার নাম ‘দ্য সি অব সাইলেন্স’। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় রয়েছেন তাজউদ্দিন তাজু।
১৬ ঘণ্টা আগে
ফজলু নামের পেনশন অফিসের তৃতীয় শ্রেণির এক অসৎ কর্মচারী এবং তার পরিণতির গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছিল নাটক ‘কাঁটা’। ২০২৪ সালে প্রচারিত হয়েছিল বঙ্গতে। এবার আসছে নাটকটির সিকুয়েল। ১৫ জানুয়ারি বঙ্গতে মুক্তি পাবে রিয়াদ মাহমুদ রচিত ও পরিচালিত ‘কাঁটা ২’।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৬ ঘণ্টা আগে
শুরু হয়ে গেছে হলিউডের পুরস্কারের মৌসুম। বছরভর যাঁদের অভিনয় মুগ্ধ করেছে দর্শকদের, এবার তাঁদের পুরস্কৃত করার পালা। গত সপ্তাহে ক্রিটিকস চয়েসের পর গতকাল অনুষ্ঠিত হলো ৮৩তম গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস।
১৬ ঘণ্টা আগে