Ajker Patrika

নির্বাচনে জয়ী হতেই রুদ্রনীলকে ফোন করে বিতর্কে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

বিনোদন ডেস্ক
নির্বাচনে জয়ী হতেই রুদ্রনীলকে ফোন করে বিতর্কে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। ছবি: সংগৃহীত

বাম থেকে তৃণমূল, তারপর বিজেপি—বারবার দল বদল করেছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। বিজেপির হয়ে ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে পরাজিত হন। এবার হাওড়া শিবপুর কেন্দ্র থেকে ১৬ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন রুদ্রনীল।

জয়ী হওয়ার পর টালিউডের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন রুদ্রনীল। জানিয়েছেন, তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এরই মধ্যে ফোন করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়সহ টালিউড ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অনেক অভিনেতা ও পরিচালক। প্রসেনজিৎ-রুদ্রনীলের এই ফোনালাপ ঘিরে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে মনে করছেন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বুঝি এবার রাজনীতিতে নাম লেখাবেন। যোগ দেবেন পদ্মশিবিরে।

এমন গুঞ্জন উঠতেই স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি জানান, ঘটনাটি যেভাবে ছড়িয়েছে, তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। তিনি কাউকে ফোন করেননি, বরং রুদ্রনীলই তাঁকে ফোন করেছিলেন। বড় হিসেবে আশীর্বাদ করাটা তাঁর দায়িত্ব এবং তিনি সেটুকুই করেছেন। এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক বার্তা বা অবস্থানের সম্পর্ক নেই।

ফেসবুকে প্রসেনজিৎ লিখেছেন, ‘আমি বহু বছর ধরে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে অভিনয় করে আসছি এবং আগামী দিনেও একইভাবে কাজ করে যেতে চাই। আপনাদের সকলের কাছে আমার একটাই বিনীত অনুরোধ, দয়া করে আমার গায়ে কোনো রাজনৈতিক রং লাগাবেন না। আমি কাউকে ফোন করিনি; বরং আমার ছোট ভাই ফোন করেছিল আমাকে। বড় দাদা হিসেবে কাউকে আশীর্বাদ করা আমার কর্তব্য, আর আমি কেবল সেটুকুই পালন করেছি। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনো যোগসূত্র নেই।’

কী বলেছেন রুদ্রনীল

রুদ্রনীলের অভিযোগ, গত কয়েক বছরে টালিউডে কাজের পরিবেশ নিয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা সুখকর ছিল না। মতের অমিল থাকলে শিল্পীদের একঘরে করে দেওয়ার প্রবণতা, কাজ হারানোর ভয় এসবের বিরুদ্ধে তিনি আগেও সরব হয়েছিলেন। নির্বাচনে জয়লাভের পর এবার সবাইকে নিয়ে টালিউডের পরিবেশ ঠিক করতে কাজ করতে চান তিনি।

রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, ‘লাগামহীন দুর্নীতি চলেছে টালিউডে। যোগ্যের কাজ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের যা যা অন্যায় তার পক্ষে থাকতে হবে, তাদের মিছিলে হাঁটতে হবে, মুখ বন্ধ করে সব অন্যায় সহ্য করতে হবে; তাহলেই তুমি বিভিন্ন কমিটিতে, বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে, সিনেমায় সুযোগ পাবে। এখন থেকে এই পদ্ধতির অবসান হলো, এটা স্পষ্ট করে বলতে পারি। কাল রাতে আমাদের সবার প্রিয়, আমাদের অভিভাবকসম প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ফোন করেছিলেন। পরিচালক সৃজিত মুখার্জি, কৌশিক গাঙ্গুলি, শিবপ্রসাদ মুখার্জি থেকে শুরু করে অনেকেই একই বিষয় নিয়ে আমাকে ফোন করেছিলেন। আমরা একসঙ্গে বসব সেই কথা হয়েছে। আরও অনেকে আসবেন।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত