
গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর এসকেএস টাওয়ারে স্টার সিনেপ্লেক্সে পরিবার নিয়ে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমা দেখেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শাকিব খান অভিনীত ও হিমেল আশরাফ পরিচালিত প্রিয়তমা সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছেলে আরশাদ আদনান। রাষ্ট্রপতি ও তাঁর সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের চিত্রনায়ক শাকিব খান। আজ শনিবার সন্ধ্যায় শাকিব খান তাঁর ফেসবুকে রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
শাকিব খান তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যাটি ছিল আমার এবং পুরো বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য আরও গর্বের। আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয় (মো. সাহাবুদ্দিন) ও ফার্স্ট লেডি (ড. রেবেকা সুলতানা) পরিবার নিয়ে “প্রিয়তমা” দেখলেন। সিনেমা দেখা শেষে মহামান্য আমার দিকে এগিয়ে এলেন। তাঁকে এগিয়ে আসতে দেখে আমি এগিয়ে গেলাম। তিনি আমাকে বুকে জড়িয়ে নিলেন। বললেন, ‘‘তোমার মতো সন্তানকে নিয়ে আমরা সত্যিই গর্বিত’’ পাশে থেকে আমাদের ফার্স্ট লেডি ডেকে নিলেন, অভিনন্দন জানালেন। প্রিয়তমা নিয়ে গর্বের কথাও জানালেন। বললেন, ‘‘ওয়েলডান মাই বয়’’।’
রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শাকিব লিখেছেন, ‘দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও ফার্স্ট লেডির কাছ থেকে এমন উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যে কোনো শিল্পীর জন্য অত্যন্ত সম্মানের ও গৌরবের।’
শাকিব মনে করছেন শুধু সন্তানের প্রযোজিত সিনেমা বলেই মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রেক্ষাগৃহে আসেননি। এ বিষয়ে তিনি লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের সুযোগ্য সন্তান আরশাদ আদনান এই সিনেমার প্রযোজক বলেই যে তিনি প্রিয়তমা দেখতে এসেছেন বিষয়টি মোটেও এমন নয়! তাঁর সন্তান এর আগেও একাধিক সিনেমা বানিয়েছেন। তখন এত প্রটোকলে তিনি ছিলেন না, তারপরও দেখা হয়নি সেসব সিনেমা। এবার তিনি তাঁর পুরো পরিবার নিয়ে আগ্রহ নিয়ে ‘প্রিয়তমা’ দেখতে এলেন, কারণ বাংলাদেশ ও বিশ্বের সিনেমা প্রেমীদের কেন ‘প্রিয়তমা’ হাসাচ্ছে, কাঁদাচ্ছে, এত ভালোবাসা দিচ্ছে—কী আছে এই সিনেমায় তা দেখার জন্য!’
পোস্টের শেষে শাকিব প্রিয়তমা টিমের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লিখেছেন, ‘সিনেমা দেখার পর বাবা মা হিসেবে গর্ব নিয়ে রাষ্ট্রপতি মহোদয় ও ফার্স্ট লেডি তাদের সন্তানকে বুকে টেনে নিয়েছেন। অনেক বেশি গর্বের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। আসলেই সন্তানের যে কোনো ভালো কাজ বাবা–মাকে গর্বিত করে, আনন্দিত করে, ভালোবাসায় আপ্লুত করে। শত ব্যস্ততার মধ্যেও মহামান্য তার পরিবার নিয়ে ‘প্রিয়তমা’ দেখেছেন, এ জন্য তাঁদের প্রতি আমি, প্রযোজক আরশাদ আদদান, পরিচালক হিমেল আশরাফ এবং প্রিয়তমা টিমের সবার পক্ষ থেকে অনেক কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা।’
শাকিব খান আশা রাখছেন রাষ্ট্রপতির পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও প্রেক্ষাগৃহে আসবেন। এ নিয়ে শাকিব লিখেছেন, ‘আমি জানি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বাংলা সিনেমা দেখেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আগামীতে হয়তো আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তাঁর পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখবেন এবং তাঁর দেশের সিনেমা দেখে তিনি আনন্দিত হবেন, গর্বিত হবেন।’
‘প্রিয়তমা’র এই সাফল্যে ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান আরও লিখেছেন, ‘আমি সব সময় পরিচ্ছন্ন এবং সুস্থ বিনোদনের সিনেমা করার চেষ্টা করি। যেটি সবাই বাবা-মা, পরিবার পরিজন নিয়ে নির্দ্বিধায় সিনেমা হলে একসঙ্গে বসে দেখতে পারবেন। কয়েক বছর আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম, বাংলাদেশি সিনেমা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে যাবে, ‘প্রিয়তমা’ দিয়ে স্বপ্নের শুরুটা দারুণভাবে হয়েছে। আমাদের সবার স্বপ্নটাকে আরও বড় করে তুলেছে। আগামীতেও বিশ্বের অন্যান্য বড় বড় সব সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলা সিনেমার প্রতিনিধিত্ব করার চেষ্টা করে যাব, ইনশাআল্লাহ।’
ভার্সেটাইল মিডিয়া প্রযোজিত প্রিয়তমা সিনেমার কাহিনি লিখেছেন প্রয়াত ফারুক হোসেন। সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন কলকাতার নায়িকা ইধিকা পাল। আরও অভিনয় করেছেন কাজী হায়াত, শহীদুজ্জামান সেলিম, এলিনা শাম্মী, ডন, সহীদ নবী প্রমুখ।

গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর এসকেএস টাওয়ারে স্টার সিনেপ্লেক্সে পরিবার নিয়ে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমা দেখেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শাকিব খান অভিনীত ও হিমেল আশরাফ পরিচালিত প্রিয়তমা সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ছেলে আরশাদ আদনান। রাষ্ট্রপতি ও তাঁর সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের চিত্রনায়ক শাকিব খান। আজ শনিবার সন্ধ্যায় শাকিব খান তাঁর ফেসবুকে রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
শাকিব খান তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যাটি ছিল আমার এবং পুরো বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জন্য আরও গর্বের। আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয় (মো. সাহাবুদ্দিন) ও ফার্স্ট লেডি (ড. রেবেকা সুলতানা) পরিবার নিয়ে “প্রিয়তমা” দেখলেন। সিনেমা দেখা শেষে মহামান্য আমার দিকে এগিয়ে এলেন। তাঁকে এগিয়ে আসতে দেখে আমি এগিয়ে গেলাম। তিনি আমাকে বুকে জড়িয়ে নিলেন। বললেন, ‘‘তোমার মতো সন্তানকে নিয়ে আমরা সত্যিই গর্বিত’’ পাশে থেকে আমাদের ফার্স্ট লেডি ডেকে নিলেন, অভিনন্দন জানালেন। প্রিয়তমা নিয়ে গর্বের কথাও জানালেন। বললেন, ‘‘ওয়েলডান মাই বয়’’।’
রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শাকিব লিখেছেন, ‘দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও ফার্স্ট লেডির কাছ থেকে এমন উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যে কোনো শিল্পীর জন্য অত্যন্ত সম্মানের ও গৌরবের।’
শাকিব মনে করছেন শুধু সন্তানের প্রযোজিত সিনেমা বলেই মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রেক্ষাগৃহে আসেননি। এ বিষয়ে তিনি লিখেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের সুযোগ্য সন্তান আরশাদ আদনান এই সিনেমার প্রযোজক বলেই যে তিনি প্রিয়তমা দেখতে এসেছেন বিষয়টি মোটেও এমন নয়! তাঁর সন্তান এর আগেও একাধিক সিনেমা বানিয়েছেন। তখন এত প্রটোকলে তিনি ছিলেন না, তারপরও দেখা হয়নি সেসব সিনেমা। এবার তিনি তাঁর পুরো পরিবার নিয়ে আগ্রহ নিয়ে ‘প্রিয়তমা’ দেখতে এলেন, কারণ বাংলাদেশ ও বিশ্বের সিনেমা প্রেমীদের কেন ‘প্রিয়তমা’ হাসাচ্ছে, কাঁদাচ্ছে, এত ভালোবাসা দিচ্ছে—কী আছে এই সিনেমায় তা দেখার জন্য!’
পোস্টের শেষে শাকিব প্রিয়তমা টিমের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লিখেছেন, ‘সিনেমা দেখার পর বাবা মা হিসেবে গর্ব নিয়ে রাষ্ট্রপতি মহোদয় ও ফার্স্ট লেডি তাদের সন্তানকে বুকে টেনে নিয়েছেন। অনেক বেশি গর্বের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। আসলেই সন্তানের যে কোনো ভালো কাজ বাবা–মাকে গর্বিত করে, আনন্দিত করে, ভালোবাসায় আপ্লুত করে। শত ব্যস্ততার মধ্যেও মহামান্য তার পরিবার নিয়ে ‘প্রিয়তমা’ দেখেছেন, এ জন্য তাঁদের প্রতি আমি, প্রযোজক আরশাদ আদদান, পরিচালক হিমেল আশরাফ এবং প্রিয়তমা টিমের সবার পক্ষ থেকে অনেক কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা।’
শাকিব খান আশা রাখছেন রাষ্ট্রপতির পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও প্রেক্ষাগৃহে আসবেন। এ নিয়ে শাকিব লিখেছেন, ‘আমি জানি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বাংলা সিনেমা দেখেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আগামীতে হয়তো আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তাঁর পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখবেন এবং তাঁর দেশের সিনেমা দেখে তিনি আনন্দিত হবেন, গর্বিত হবেন।’
‘প্রিয়তমা’র এই সাফল্যে ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান আরও লিখেছেন, ‘আমি সব সময় পরিচ্ছন্ন এবং সুস্থ বিনোদনের সিনেমা করার চেষ্টা করি। যেটি সবাই বাবা-মা, পরিবার পরিজন নিয়ে নির্দ্বিধায় সিনেমা হলে একসঙ্গে বসে দেখতে পারবেন। কয়েক বছর আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম, বাংলাদেশি সিনেমা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে যাবে, ‘প্রিয়তমা’ দিয়ে স্বপ্নের শুরুটা দারুণভাবে হয়েছে। আমাদের সবার স্বপ্নটাকে আরও বড় করে তুলেছে। আগামীতেও বিশ্বের অন্যান্য বড় বড় সব সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলা সিনেমার প্রতিনিধিত্ব করার চেষ্টা করে যাব, ইনশাআল্লাহ।’
ভার্সেটাইল মিডিয়া প্রযোজিত প্রিয়তমা সিনেমার কাহিনি লিখেছেন প্রয়াত ফারুক হোসেন। সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করছেন কলকাতার নায়িকা ইধিকা পাল। আরও অভিনয় করেছেন কাজী হায়াত, শহীদুজ্জামান সেলিম, এলিনা শাম্মী, ডন, সহীদ নবী প্রমুখ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ নিয়ে ২০০৪ সালে সিনেমা বানিয়েছিলেন চাষী নজরুল ইসলাম। একই গল্প আবার আসছে পর্দায়। তবে হুবহু নয়, গল্পটিকে এই সময়ের প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন করে লেখা হয়েছে চিত্রনাট্য। ‘শাস্তি’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন লিসা গাজী। এর আগে ‘বাড়ির নাম শাহানা’ বানিয়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন লিসা।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে থিয়েটার বিস্তারে এবং দক্ষ থিয়েটার কর্মী তৈরিতে দীর্ঘ ২৫ বছর কাজ করে চলেছে প্রাচ্যনাট স্কুল অব অ্যাকটিং অ্যান্ড ডিজাইন। এই স্কুলের ৬ মাসের পাঠ্যসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীরা থিয়েটারের আনুষঙ্গিক বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পায়। এরই মধ্যে এই স্কুলের ৪৮টি ব্যাচ সফলভাবে কোর্স সম্পন্ন করেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ হাজার ৭৬০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত নেপালের মুস্তাং জেলার জমসম শহর। বিখ্যাত কালী গান্ধাকী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই শহরকে বলা হয় নেপালের সর্বোচ্চ তুষারপাতপ্রবণ নগর। তুষারে মোড়া পাহাড়, নীল আকাশ—সব মিলিয়ে প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।
১৯ ঘণ্টা আগে
কয়েক দিন আগেই তালিকার শীর্ষে জ্বলজ্বল করছিল ‘ইনসাইড আউট ২’-এর নাম। ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের এ সিনেমা আয় করেছিল ১ দশমিক ৬৯৮ বিলিয়ন ডলার। এ সিনেমাকে টপকে হলিউডের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল অ্যানিমেশন সিনেমার রেকর্ড গড়ল ডিজনির ‘জুটোপিয়া ২’।
১৯ ঘণ্টা আগে