
কয়েক দিন আগেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, আমির খানের পরের সিনেমার নাম হতে যাচ্ছে ‘সিতারে জামিন পার’। তার পর থেকে আমিরের একসময়ের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘তারে জামিন পার’-এর সঙ্গে নামের মিল পেয়ে শুরু হয় আলোচনা। পাশাপাশি সমালোচনাও শুরু হয় নেটিজেনদের মধ্যে। রিমেক কিংবা সিকুয়েল থেকে আমিরকে বের হয়ে আসার পরামর্শও দেন অনেকে। এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন আমির।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় আমির জানান, ২০০৭ সালে নির্মিত ‘তারে জামিন পার’-এর অনুপ্রেরণাতেই এবার তিনি তৈরি করবেন ‘সিতারে জামিন পার’।
আমির বলেন, ‘আমি প্রকাশ্যে এটা নিয়ে আগে কথা বলিনি, তাই বিশেষ কিছু বলতে পারব না। কিন্তু নামটা তো বলতে পারি। ছবির নাম ‘সিতারে জামিন পার’। নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে ‘তারে জামিন পার’-এর কথা। এই ছবির নাম ‘সিতারে জামিন পার’, কারণ একই থিমে তৈরি এই ছবি ‘তারে জামিন পার’ থেকে ১০ পা এগিয়ে রয়েছে।’ আমির আরও জানান, ‘তারে জামিন পার’ যেভাবে কাঁদিয়েছে, এই ছবি সবার মুখে হাসি ফোটাবে।
সিনেমাটি নিয়ে অভিনেতা আরও বলেন, ‘এই সিনেমার নাম খুব ভেবেচিন্তে রাখা, কারণ থিমটা প্রায় একই। আমাদের সবার মধ্যেই কিছু ঘাটতি থাকে, এর পাশাপাশি সবার মধ্যে ভালো কিছু ব্যাপার থাকে। সেই ভাবনা নিয়েই এই সিনেমা।’
তবে এই সিনেমার পরিচালকের আসনে নিজেই থাকবেন কি না, তা অবশ্য খোলসা করেননি অভিনেতা। অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও প্রযোজক আমির সম্প্রতিই ঘোষণা করেছেন তাঁর নতুন প্রোজেক্ট ‘লাহোর ১৯৪৭’। এই ছবিতে নায়কের ভূমিকায় দেখা যাবে সানি দেওলকে। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজকুমার সন্তোষি।
‘তারে জামিন পার’ কেবল সিনেমা নয়, একটি অনুপ্রেরণারও নাম। আমির খানের প্রথম পরিচালনায় সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০০৭ সালে। প্রথম সিনেমাতেই পরিচালক হিসেবে বাজিমাত করেন আমির। বক্স অফিস থেকে সমালোচক—সব জায়গায় প্রশংসিত হয় সিনেমাটি। ১২ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী আয় দাঁড়ায় ৮৭ কোটি রুপিতে।

কয়েক দিন আগেই ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, আমির খানের পরের সিনেমার নাম হতে যাচ্ছে ‘সিতারে জামিন পার’। তার পর থেকে আমিরের একসময়ের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘তারে জামিন পার’-এর সঙ্গে নামের মিল পেয়ে শুরু হয় আলোচনা। পাশাপাশি সমালোচনাও শুরু হয় নেটিজেনদের মধ্যে। রিমেক কিংবা সিকুয়েল থেকে আমিরকে বের হয়ে আসার পরামর্শও দেন অনেকে। এবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন আমির।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় আমির জানান, ২০০৭ সালে নির্মিত ‘তারে জামিন পার’-এর অনুপ্রেরণাতেই এবার তিনি তৈরি করবেন ‘সিতারে জামিন পার’।
আমির বলেন, ‘আমি প্রকাশ্যে এটা নিয়ে আগে কথা বলিনি, তাই বিশেষ কিছু বলতে পারব না। কিন্তু নামটা তো বলতে পারি। ছবির নাম ‘সিতারে জামিন পার’। নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে ‘তারে জামিন পার’-এর কথা। এই ছবির নাম ‘সিতারে জামিন পার’, কারণ একই থিমে তৈরি এই ছবি ‘তারে জামিন পার’ থেকে ১০ পা এগিয়ে রয়েছে।’ আমির আরও জানান, ‘তারে জামিন পার’ যেভাবে কাঁদিয়েছে, এই ছবি সবার মুখে হাসি ফোটাবে।
সিনেমাটি নিয়ে অভিনেতা আরও বলেন, ‘এই সিনেমার নাম খুব ভেবেচিন্তে রাখা, কারণ থিমটা প্রায় একই। আমাদের সবার মধ্যেই কিছু ঘাটতি থাকে, এর পাশাপাশি সবার মধ্যে ভালো কিছু ব্যাপার থাকে। সেই ভাবনা নিয়েই এই সিনেমা।’
তবে এই সিনেমার পরিচালকের আসনে নিজেই থাকবেন কি না, তা অবশ্য খোলসা করেননি অভিনেতা। অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও প্রযোজক আমির সম্প্রতিই ঘোষণা করেছেন তাঁর নতুন প্রোজেক্ট ‘লাহোর ১৯৪৭’। এই ছবিতে নায়কের ভূমিকায় দেখা যাবে সানি দেওলকে। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজকুমার সন্তোষি।
‘তারে জামিন পার’ কেবল সিনেমা নয়, একটি অনুপ্রেরণারও নাম। আমির খানের প্রথম পরিচালনায় সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০০৭ সালে। প্রথম সিনেমাতেই পরিচালক হিসেবে বাজিমাত করেন আমির। বক্স অফিস থেকে সমালোচক—সব জায়গায় প্রশংসিত হয় সিনেমাটি। ১২ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী আয় দাঁড়ায় ৮৭ কোটি রুপিতে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৪ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৪ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৪ ঘণ্টা আগে