বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের। ওই সময় অনেক নির্মাতা তাঁদের নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তবে এই জুটির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান শরিফুল রাজের তৎকালীন স্ত্রী চিত্রনায়িকা পরীমণি।
পরাণ সিনেমা মুক্তির সময় থেকে পর্দার বাইরেও রাজ-মিমের ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সিয়াম আহমেদের সঙ্গে মিলে রাজ ও মিম দামাল সিনেমার স্বত্বও কিনে নেন। এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় এই জুটির জন্য। রাজ-মিমের ‘ঘনিষ্ঠতা’ মেনে নিতে পারেননি পরীমণি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি দাবি করেন, রাজের সঙ্গে মিমের ঘনিষ্ঠতা তাঁর সংসারে সমস্যা সৃষ্টি করছে। মিমকে নিয়ে নানা কটূক্তিও করেন পরী। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজের সঙ্গে আর সিনেমা না করার ঘোষণা দেন মিম। ফলে দুই সিনেমার পর ভেঙে যায় রাজ-মিম জুটি।
সময় বদলেছে, বদলেছে পরিস্থিতি। রাজের সঙ্গে পরীর সংসার ভেঙেছে। মিমের সিদ্ধান্তেও এসেছে পরিবর্তন। তাই পর্দায় আবার একসঙ্গে ফিরছেন তাঁরা। তিন বছরের বেশি সময় পর পরিচালক আলভী আহমেদের হাত ধরে ফিরছে রাজ-মিম জুটি। সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘জীবন অপেরা’ সিনেমায় অভিনয় করবেন তাঁরা। বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা আলভী আহমেদ।
কয়েক দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজের সঙ্গে ফেরার ইঙ্গিত দেন মিম। পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে থাকা এক অভিনেতার সঙ্গে ছবি দিয়ে ফেসবুকে মিম লেখেন, ‘পরবর্তী কাজ আসছে, অনুমান করুন আমার সঙ্গে কে?’ চেহারা না দেখা গেলেও নেটিজেনরা অনুমান করে নেন মিমের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিটি শরিফুল রাজ। সেই অনুমানে সিলমোহর দিলেন নির্মাতা। জানালেন, কয়েক দিন আগে সিনেমার গল্প নিয়ে আলাপের সময় ক্যামেরাবন্দী হয়েছিলেন রাজ ও মিম। সে ছবিটিই ফেসবুকে পোস্ট করেন মিম। এটি সিনেমার লুক নয়।
জীবন অপেরা দিয়ে এক দশক পর সিনেমা নির্মাণে ফিরছেন লেখক ও নির্মাতা আলভী আহমেদ। জনপ্রিয় অনেক নাটকের এই নির্মাতার প্রথম সিনেমা ‘ইউটার্ন’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালে। প্রেক্ষাগৃহে তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি সিনেমাটি। পরবর্তী সময়ে নির্মাণে তাঁকে তেমন দেখা যায়নি, মনোযোগ দেন লেখালেখিতে। গত কয়েক বছরে লেখক হিসেবে আলভী আহমেদ পাঠকদের মাঝে তৈরি করেছেন আলাদা অবস্থান। তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বই হলো ‘গোস্টরাইটার’, ‘ফোর ইজ টু ওয়ান’, ‘ব্লাইন্ড স্পট’, ‘লোনলি অক্টোবর’, ‘আফরিন’, অনুবাদ গ্রন্থ ‘পিনবল ১৯৭৩’, ‘নরওয়েজিন উড’ ইত্যাদি।
জীবন অপেরাও আলভী নির্মাণ করছেন তাঁর লেখা একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে রফিক নামের এক ব্যক্তি। তার দুটি জীবন প্যারালাল ইউনিভার্সে একসঙ্গে চলতে থাকে। এক জীবনে সে ব্যর্থ প্রেমিক, তার প্রেমিকা শারমিন সিডনিতে গিয়ে বিয়ে করে। অন্য জীবনে তারা সুখে সংসার করছে। রফিক ও শারমিন চরিত্রে অভিনয় করবেন রাজ ও মিম। তাঁদের সঙ্গে আরও থাকছেন মোস্তাফিজ নূর ইমরান।
নির্মাতা জানান, এখন পুরোদমে সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছে জীবন অপেরা টিম। সবকিছু ঠিক থাকলে রোজার ঈদের পর আগামী এপ্রিলে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা তাঁদের।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের। ওই সময় অনেক নির্মাতা তাঁদের নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তবে এই জুটির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান শরিফুল রাজের তৎকালীন স্ত্রী চিত্রনায়িকা পরীমণি।
পরাণ সিনেমা মুক্তির সময় থেকে পর্দার বাইরেও রাজ-মিমের ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সিয়াম আহমেদের সঙ্গে মিলে রাজ ও মিম দামাল সিনেমার স্বত্বও কিনে নেন। এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় এই জুটির জন্য। রাজ-মিমের ‘ঘনিষ্ঠতা’ মেনে নিতে পারেননি পরীমণি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি দাবি করেন, রাজের সঙ্গে মিমের ঘনিষ্ঠতা তাঁর সংসারে সমস্যা সৃষ্টি করছে। মিমকে নিয়ে নানা কটূক্তিও করেন পরী। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজের সঙ্গে আর সিনেমা না করার ঘোষণা দেন মিম। ফলে দুই সিনেমার পর ভেঙে যায় রাজ-মিম জুটি।
সময় বদলেছে, বদলেছে পরিস্থিতি। রাজের সঙ্গে পরীর সংসার ভেঙেছে। মিমের সিদ্ধান্তেও এসেছে পরিবর্তন। তাই পর্দায় আবার একসঙ্গে ফিরছেন তাঁরা। তিন বছরের বেশি সময় পর পরিচালক আলভী আহমেদের হাত ধরে ফিরছে রাজ-মিম জুটি। সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘জীবন অপেরা’ সিনেমায় অভিনয় করবেন তাঁরা। বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা আলভী আহমেদ।
কয়েক দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজের সঙ্গে ফেরার ইঙ্গিত দেন মিম। পেছন ফিরে দাঁড়িয়ে থাকা এক অভিনেতার সঙ্গে ছবি দিয়ে ফেসবুকে মিম লেখেন, ‘পরবর্তী কাজ আসছে, অনুমান করুন আমার সঙ্গে কে?’ চেহারা না দেখা গেলেও নেটিজেনরা অনুমান করে নেন মিমের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিটি শরিফুল রাজ। সেই অনুমানে সিলমোহর দিলেন নির্মাতা। জানালেন, কয়েক দিন আগে সিনেমার গল্প নিয়ে আলাপের সময় ক্যামেরাবন্দী হয়েছিলেন রাজ ও মিম। সে ছবিটিই ফেসবুকে পোস্ট করেন মিম। এটি সিনেমার লুক নয়।
জীবন অপেরা দিয়ে এক দশক পর সিনেমা নির্মাণে ফিরছেন লেখক ও নির্মাতা আলভী আহমেদ। জনপ্রিয় অনেক নাটকের এই নির্মাতার প্রথম সিনেমা ‘ইউটার্ন’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালে। প্রেক্ষাগৃহে তেমন সাড়া জাগাতে পারেনি সিনেমাটি। পরবর্তী সময়ে নির্মাণে তাঁকে তেমন দেখা যায়নি, মনোযোগ দেন লেখালেখিতে। গত কয়েক বছরে লেখক হিসেবে আলভী আহমেদ পাঠকদের মাঝে তৈরি করেছেন আলাদা অবস্থান। তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বই হলো ‘গোস্টরাইটার’, ‘ফোর ইজ টু ওয়ান’, ‘ব্লাইন্ড স্পট’, ‘লোনলি অক্টোবর’, ‘আফরিন’, অনুবাদ গ্রন্থ ‘পিনবল ১৯৭৩’, ‘নরওয়েজিন উড’ ইত্যাদি।
জীবন অপেরাও আলভী নির্মাণ করছেন তাঁর লেখা একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে রফিক নামের এক ব্যক্তি। তার দুটি জীবন প্যারালাল ইউনিভার্সে একসঙ্গে চলতে থাকে। এক জীবনে সে ব্যর্থ প্রেমিক, তার প্রেমিকা শারমিন সিডনিতে গিয়ে বিয়ে করে। অন্য জীবনে তারা সুখে সংসার করছে। রফিক ও শারমিন চরিত্রে অভিনয় করবেন রাজ ও মিম। তাঁদের সঙ্গে আরও থাকছেন মোস্তাফিজ নূর ইমরান।
নির্মাতা জানান, এখন পুরোদমে সিনেমার প্রস্তুতি নিচ্ছে জীবন অপেরা টিম। সবকিছু ঠিক থাকলে রোজার ঈদের পর আগামী এপ্রিলে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা তাঁদের।

২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
২ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা, ইন্ডিয়ান আইডল সিজন-৩-এর বিজয়ী প্রশান্ত তামাং মারা গেছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে নয়াদিল্লির নিজ বাসভবনে মাত্র ৪৩ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন প্রশান্ত।
১৪ ঘণ্টা আগে