আজকের পত্রিকা ডেস্ক

কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরে ১৬টি পাকিস্তানি ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন সেলিব্রিটির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করেছিল ভারত। এসব অ্যাকাউন্ট আবারও ভারতে চালু হতে শুরু করেছে। তবে ভারত সরকার কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলার জেরে ভারত সরকার বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেলিব্রিটির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেল নিষিদ্ধ করে। এর মধ্যে আছেন সাবা কামার, মাওরা হোসেন, আহাদ রাজা মীর, হানিয়া আমির, ইয়ামনা জাইদি ও দানিশ তাইমুরের মতো জনপ্রিয় নাম।
নিষিদ্ধ হওয়া চ্যানেলগুলোর মধ্যে ছিল সংবাদমাধ্যম দ্য ডন, সামা টিভি, এআরওয়াই নিউজ, বোল নিউজ, রাফতার, জিও নিউজ ও সুনো নিউজের ইউটিউব চ্যানেল। সাংবাদিক ইরশাদ ভাট্টি, আসমা শিরাজি, উমর চিমা ও মুনিব ফারুকের ইউটিউব চ্যানেলও নিষিদ্ধ করা হয়। এ ছাড়া নিষিদ্ধ হওয়া অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে আরও ছিল দ্য পাকিস্তান রেফারেন্স, সামা স্পোর্টস, উজাইর ক্রিকেট ও রাজি নামা।
জানা গেছে, আজ বুধবার (২ জুলাই) থেকে ভারতে আবার এসব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেল দেখা যাচ্ছে।
সে সময় ভারত সরকারের বিভিন্ন সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছিল, পেহেলগাম হামলার পর প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যে এই ইউটিউব চ্যানেলগুলো ভারত, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক এবং সাম্প্রদায়িক স্পর্শকাতর বিষয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল। তাই এসব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেল নিষিদ্ধ করা হয়।
ভারতে নিষিদ্ধ এই চ্যানেলগুলোর মোট সাবস্ক্রাইবার তথা গ্রাহকসংখ্যা ছিল প্রায় ৬ কোটি ৩০ লাখ। নিষেধাজ্ঞার পর অনেক ভারতীয় ব্যবহারকারী ভিপিএন পরিষেবার মাধ্যমে পাকিস্তানি সেলিব্রিটিদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোতে প্রবেশ শুরু করেছিলেন।

কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জেরে ১৬টি পাকিস্তানি ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন সেলিব্রিটির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করেছিল ভারত। এসব অ্যাকাউন্ট আবারও ভারতে চালু হতে শুরু করেছে। তবে ভারত সরকার কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলার জেরে ভারত সরকার বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেলিব্রিটির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেল নিষিদ্ধ করে। এর মধ্যে আছেন সাবা কামার, মাওরা হোসেন, আহাদ রাজা মীর, হানিয়া আমির, ইয়ামনা জাইদি ও দানিশ তাইমুরের মতো জনপ্রিয় নাম।
নিষিদ্ধ হওয়া চ্যানেলগুলোর মধ্যে ছিল সংবাদমাধ্যম দ্য ডন, সামা টিভি, এআরওয়াই নিউজ, বোল নিউজ, রাফতার, জিও নিউজ ও সুনো নিউজের ইউটিউব চ্যানেল। সাংবাদিক ইরশাদ ভাট্টি, আসমা শিরাজি, উমর চিমা ও মুনিব ফারুকের ইউটিউব চ্যানেলও নিষিদ্ধ করা হয়। এ ছাড়া নিষিদ্ধ হওয়া অ্যাকাউন্টগুলোর মধ্যে আরও ছিল দ্য পাকিস্তান রেফারেন্স, সামা স্পোর্টস, উজাইর ক্রিকেট ও রাজি নামা।
জানা গেছে, আজ বুধবার (২ জুলাই) থেকে ভারতে আবার এসব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেল দেখা যাচ্ছে।
সে সময় ভারত সরকারের বিভিন্ন সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছিল, পেহেলগাম হামলার পর প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে টানাপোড়েনের মধ্যে এই ইউটিউব চ্যানেলগুলো ভারত, ভারতীয় সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক এবং সাম্প্রদায়িক স্পর্শকাতর বিষয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছিল। তাই এসব ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেল নিষিদ্ধ করা হয়।
ভারতে নিষিদ্ধ এই চ্যানেলগুলোর মোট সাবস্ক্রাইবার তথা গ্রাহকসংখ্যা ছিল প্রায় ৬ কোটি ৩০ লাখ। নিষেধাজ্ঞার পর অনেক ভারতীয় ব্যবহারকারী ভিপিএন পরিষেবার মাধ্যমে পাকিস্তানি সেলিব্রিটিদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলোতে প্রবেশ শুরু করেছিলেন।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১২ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৩ ঘণ্টা আগে