
মুক্তির অপেক্ষায় আছে ইয়াশ রোহানের দুই ওয়েব সিরিজ ‘অ্যানি’ ও ‘হেডলাইন’। ক্যামেরার সামনে স্বতঃস্ফূর্ত থাকলেও সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে তেমন স্বস্তিবোধ করেন না ইয়াশ। সেই অস্বস্তি কাটিয়ে নতুন কাজ নিয়ে আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা বললেন অভিনেতা। ইয়াশ রোহানের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শিহাব আহমেদ।
দর্শকের প্রতিক্রিয়ায় আমি খুব খুশি। প্রত্যাশা আছে, সিরিজ দুটি সবার ভালো লাগবে। কারণ, কাজগুলো যখন করছিলাম, বুঝতে পারছিলাম, ভালো কিছু হতে যাচ্ছে। মুক্তির পর সবার কতটা পছন্দ হবে, সেটা দেখার অপেক্ষায়।
একেবারে ভিন্ন দুটি গল্প দেখা যাবে দুই সিরিজে। রিলিজের আগে বিস্তারিত বললে দর্শকের আগ্রহ নষ্ট হয়ে যাবে। অল্প কথায় বলতে গেলে, একধরনের ভাইরাসের থাবায় অবরুদ্ধ একটি সমাজের গল্প দেখা যাবে অ্যানিতে (পরিচালনা আবদুল্লাহ মোহাম্মাদ সাদ)। আর দুই সাংবাদিকের সত্য উদ্ঘাটনের মিশন নিয়ে তৈরি হয়েছে হেডলাইন (পরিচালনা সালেহ সোবহান অনীম)।
এতে আমার চরিত্রের নাম পাভেল। সে ভালো নাকি মন্দ, তা জানা যাবে মুক্তির পর। আমি কখনো নিজেকে নায়ক মনে করি না। সব সময় নিজেকে অভিনেতা হিসেবেই ভেবেছি। ওই জায়গা থেকে নিজের লুক ভেঙে অন্য ধরনের কোনো চরিত্রে অভিনয় করতে ইচ্ছা করে। কিন্তু আমাদের ইন্ডাস্ট্রি আসলে অত বড় না। তাই ওই সময়টুকু আমরা পাই না। লুক চেঞ্জ করতে হলে আমাকে অন্য সব কাজ বন্ধ করে দিতে হবে। কাজ শেষে আবার আগের লুকে ফিরে যেতেও সময় লাগে। তবে আমি খুব খুশি যে অ্যানিতে এই সময়টা আমাকে দেওয়া হয়েছিল। কাজটির জন্য চার মাসের বিরতি নিয়েছিলাম।
চ্যালেঞ্জ নয়, উপভোগ করেছি। স্বভাবে আমি খুব অলস একজন মানুষ। যদি টানা ১০ দিন বাসায় ঘুমাতে পারি, তাহলে খুব খুশি হই। তাই চার মাস অন্য কোনো কাজ করতে পারিনি, এ কারণে খারাপ লেগেছে, বিষয়টি মোটেই এ রকম না। তবে যেহেতু নাটকে নিয়মিত অভিনয় করি, তাই অনেক কিছু নতুন করে পরিকল্পনা করতে হয়েছে, নতুন করে শিডিউল সাজাতে হয়েছে। পরিচালকদের বোঝাতে হয়েছে, একটি বিশেষ কাজের জন্য বিরতি নিচ্ছি।
পুরো সাবটাইটেল নয়, প্রথম দুই পর্বের সাবটাইটেল করেছি। এবারই প্রথম এমন কাজ করলাম। খুব উপভোগ করেছি। সামনে সুযোগ পেলে আরও করতে চাই।
খুব দুঃখজনক। ইউরোপের এত বড় একটি উৎসবে অ্যানির প্রিমিয়ার হচ্ছে, তাই নির্মাতা থেকে শুরু করে আমরা সবাই যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হলো না। মন খারাপ হলেও বাস্তবতা মেনে নেওয়া ছাড়া তো কিছু করার নেই।
কাকতালীয়ভাবে হেডলাইন সিরিজের আগেও ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পেয়েছিলাম। শুটিংয়ের আগে পায়ের সমস্যার কারণে অনেক দিন অন্য কাজ করতে পারিনি। প্রায় এক মাস বেড রেস্টে ছিলাম। সেই অসুবিধাকে সুবিধা বানিয়ে নিয়েছিলাম। সব মিলিয়ে প্রায় দুই মাস হেডলাইন নিয়েই ছিলাম। দারুণ এক অভিজ্ঞতা। আসলে অ্যানি ও হেডলাইন—দুটিই আমার ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
অপূর্ব ভাইয়ের সঙ্গে এটি আমার দ্বিতীয় কাজ। এর আগে ‘বুকের মধ্যে আগুন’ সিরিজে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলাম। তাঁর সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা এককথায় দারুণ। অপূর্ব ভাইয়ের মতো সহশিল্পী পাওয়া কঠিন। উনার মতো এত হেল্পফুল, এত ভালো মানুষ খুব কমই আছে ইন্ডাস্ট্রিতে। সে সময়েও বলেছিলাম, বুকের মধ্যে আগুনে আমি যতটুকু করেছি, তার ৫০ শতাংশ অবদান অপূর্ব ভাইয়ের। অনেক জায়গায় আমাকে হেল্প করেছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
আমি ভীষণ লজ্জা পাই। মূল ঝামেলাই হলো এটা। আমি ক্যামেরার সামনে যতটা স্বচ্ছন্দবোধ করি, মিডিয়ার মুখোমুখি হতে তার চেয়ে বেশি সংকোচ বোধ করি। সে কারণে খুব বেশি সাক্ষাৎকার দেওয়া হয় না কিংবা আমাকে প্রচারে তেমন একটা পাওয়া যায় না।

চলচ্চিত্রের সার্টিফিকেশন কার্যক্রম আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও সমন্বিত করতে ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড পুনর্গঠন করেছে সরকার। চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব।
৫ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন ধরে ব্লাড ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন প্রদীপ রাওয়াত। গতকাল মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের কোকিলাবেন ধীরুভাই আম্বানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
৬ ঘণ্টা আগে
এই সময়ে নাটকের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। টিভি ও ইউটিউবে নিয়মিত মুক্তি পাচ্ছে তাঁর অভিনীত নাটক। অল্প সময়ে দর্শকের কাছে হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয়। পাঁচ বছর পর সম্প্রতি যুক্ত হয়েছেন ‘ফিরে আসার গল্প’ নামের ধারাবাহিক নাটকে। তটিনীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন শিহাব আহমেদ।
১০ ঘণ্টা আগে
সংগীতে ৩০ বছর পূর্তি উদ্যাপনে ২০২৩ সালে ঢাকায় গান শোনাতে এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ‘নচিকেতা লাইভ ইন ঢাকা’ শীর্ষক কনসার্টে তাঁর সঙ্গে গেয়েছিলেন বাংলাদেশের গীতিকার গায়ক জয় শাহরিয়ার। পরের বছর আবারও ঢাকায় এক মঞ্চে গেয়েছিলেন দুজন। এবার লন্
১০ ঘণ্টা আগে