
বরাবরের মতোই নানা চমক নিয়ে আসছে এবারের ঈদের ‘ইত্যাদি’। ঈদের ইত্যাদির গান মানেই বাড়তি আয়োজন, বাড়তি আকর্ষণ ও ভিন্নমাত্রা। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের ইত্যাদির বিশেষ চমক হিসেবে তৈরি হলো জনপ্রিয় সংগীত তারকা হাবিব ওয়াহিদ ও প্রীতম হাসানের দ্বৈত সংগীত। এর আগে হাবিব ও প্রীতম একসঙ্গে কাজ করলেও একসঙ্গে গাননি কোনো গান। এই প্রথম একসঙ্গে ইত্যাদির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তাঁরা। গানটি লিখেছেন ইনামুল তাহসিন, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন প্রীতম হাসান।
হাবিব ও প্রীতমের এই গানটি চিত্রায়িত হয়েছে চারদিকে লেকবেষ্টিত একটি স্থানে। নেচে-গেয়ে প্রায় পাঁচ হাজার দর্শককে মাতিয়ে তোলেন শিল্পীদ্বয়। ফাগুন নিকেতনেও শুটিং হয়েছে গানটির কিছু অংশ।
নতুনদের নিয়ে অনেক গান করেছেন হাবিব ওয়াহিদ। কণ্ঠশিল্পীদের পাশাপাশি নতুন অনেক গীতিকারও উপহার দিয়েছেন তিনি। অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দেওয়ার মধ্য দিয়ে নিজের গানের একটা স্টাইল দাঁড় করিয়েছেন হাবিব।
অন্যদিকে, সংগীতশিল্পী ও সংগীত আয়োজক প্রীতম হাসানের বিশেষ আগ্রহ দেখা যায় বাউল ও লোকসংগীতের প্রতি। তাঁর গানে ঐতিহ্য, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও আধুনিকতার মিশ্রণ ভিন্নমাত্রা এনে দেয়। পাশাপাশি অভিনয়েও নজর কেড়েছেন প্রীতম। ২০১২ সালে প্রচারিত ইত্যাদির বরিশাল পর্বের মাধ্যমে প্রীতম হাসান প্রথম টিভি পর্দায় উপস্থিত হন।
দুই শিল্পীর গানের ধরন বুঝেই তৈরি হয়েছে নতুন গানটি। সেই গান নিয়ে একসঙ্গে ইত্যাদির মঞ্চে উঠলেন হাবিব ও প্রীতম।
প্রতি ঈদের মতো এবারও ইত্যাদি প্রচারিত হবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ঈদের পরদিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন।

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান কোরো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাই-বোন।
৭ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
৮ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
৮ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
৮ ঘণ্টা আগে