বিনোদন ডেস্ক

কান চলচ্চিত্র উৎসবের সময়েই একই শহরে ১৯৬৮ সাল থেকে আয়োজিত হয় ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট। সারা বিশ্ব থেকে নির্বাচিত স্বল্পদৈর্ঘ্য, পূর্ণদৈর্ঘ্য ও তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয় ফ্রেঞ্চ ডিরেক্টরস গিল্ড আয়োজিত এই উৎসবে। ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটের পিপলস চয়েস বিভাগে প্রথমবারের মতো পুরস্কার জিতল ইরাকের সিনেমা ‘দ্য প্রেসিডেন্টস কেক’। দর্শকের ভোটে জিতে ইরাকি নির্মাতা হাসান হাদি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ৮ হাজার ৪০০ ডলার। নির্মাতার প্রথম সিনেমা এটি।
টিপিসি ফিল্ম এলএলসির ব্যানারে দ্য প্রেসিডেন্টস কেক প্রযোজনা করেছেন লিয়া চেন বেকার। উৎসবে সিনেমাটি দর্শক ও সমালোচকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। হলিউড রিপোর্টারের রিভিউয়ে দ্য প্রেসিডেন্টস কেক নিয়ে বলা হয়েছে, ‘হাদির সিনেমাটি একটি ব্যতিক্রমী নির্মাণ। যতটা গতিশীল ততটাই অনুভূতিপ্রবণ।’
নব্বইয়ের দশকে ইরাকে বেড়ে ওঠা হাসান হাদি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে এনেছেন দ্য প্রেসিডেন্টস কেক সিনেমায়। ইরাকে তখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রবল খাদ্যসংকট। ওই পরিস্থিতিতে ৯ বছর বয়সী লামিয়াকে ঘিরে সিনেমাটির গল্প। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের জন্মদিন উপলক্ষে স্কুল থেকে তাকে একটি কেক তৈরি করে আনতে বলা হয়। এই ছোট কাজটিই তার জন্য অসাধ্য হয়ে ওঠে প্রবল খাদ্যসংকটের কারণে। কেক তৈরির উপাদান সংগ্রহের জন্য তার বন্ধুকে নিয়ে বাজারে যায়। এ কাজে ব্যর্থ হলে তার পরিবারের ওপর নেমে আসতে পারে জেল কিংবা মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠিন পরিণতি।
দ্য প্রেসিডেন্টস কেক সিনেমায় লামিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন বনিন আহমদ নায়েফ। সিনেমাটি নিয়ে নির্মাতা হাসান হাদি ভ্যারাইটিকে বলেন, ‘অনেকে আমাদের বলেছিলেন, এ সিনেমা তৈরির পুরো খরচ তাঁরা দেবেন, কিন্তু ইরাকের বাইরে শুটিং করতে হবে। আমি বলেছিলাম, একেবারেই না। শুরুতে আমি এর শুটিং ইরাকেই করতে চেয়েছিলাম। তার একমাত্র কারণ ইরাককে দেখানো। এ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো মানুষ ইরাককে এভাবে দেখতে পাবে।’

কান চলচ্চিত্র উৎসবের সময়েই একই শহরে ১৯৬৮ সাল থেকে আয়োজিত হয় ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট। সারা বিশ্ব থেকে নির্বাচিত স্বল্পদৈর্ঘ্য, পূর্ণদৈর্ঘ্য ও তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয় ফ্রেঞ্চ ডিরেক্টরস গিল্ড আয়োজিত এই উৎসবে। ডিরেক্টরস ফোর্টনাইটের পিপলস চয়েস বিভাগে প্রথমবারের মতো পুরস্কার জিতল ইরাকের সিনেমা ‘দ্য প্রেসিডেন্টস কেক’। দর্শকের ভোটে জিতে ইরাকি নির্মাতা হাসান হাদি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ৮ হাজার ৪০০ ডলার। নির্মাতার প্রথম সিনেমা এটি।
টিপিসি ফিল্ম এলএলসির ব্যানারে দ্য প্রেসিডেন্টস কেক প্রযোজনা করেছেন লিয়া চেন বেকার। উৎসবে সিনেমাটি দর্শক ও সমালোচকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে। হলিউড রিপোর্টারের রিভিউয়ে দ্য প্রেসিডেন্টস কেক নিয়ে বলা হয়েছে, ‘হাদির সিনেমাটি একটি ব্যতিক্রমী নির্মাণ। যতটা গতিশীল ততটাই অনুভূতিপ্রবণ।’
নব্বইয়ের দশকে ইরাকে বেড়ে ওঠা হাসান হাদি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে এনেছেন দ্য প্রেসিডেন্টস কেক সিনেমায়। ইরাকে তখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রবল খাদ্যসংকট। ওই পরিস্থিতিতে ৯ বছর বয়সী লামিয়াকে ঘিরে সিনেমাটির গল্প। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের জন্মদিন উপলক্ষে স্কুল থেকে তাকে একটি কেক তৈরি করে আনতে বলা হয়। এই ছোট কাজটিই তার জন্য অসাধ্য হয়ে ওঠে প্রবল খাদ্যসংকটের কারণে। কেক তৈরির উপাদান সংগ্রহের জন্য তার বন্ধুকে নিয়ে বাজারে যায়। এ কাজে ব্যর্থ হলে তার পরিবারের ওপর নেমে আসতে পারে জেল কিংবা মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠিন পরিণতি।
দ্য প্রেসিডেন্টস কেক সিনেমায় লামিয়া চরিত্রে অভিনয় করেছেন বনিন আহমদ নায়েফ। সিনেমাটি নিয়ে নির্মাতা হাসান হাদি ভ্যারাইটিকে বলেন, ‘অনেকে আমাদের বলেছিলেন, এ সিনেমা তৈরির পুরো খরচ তাঁরা দেবেন, কিন্তু ইরাকের বাইরে শুটিং করতে হবে। আমি বলেছিলাম, একেবারেই না। শুরুতে আমি এর শুটিং ইরাকেই করতে চেয়েছিলাম। তার একমাত্র কারণ ইরাককে দেখানো। এ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো মানুষ ইরাককে এভাবে দেখতে পাবে।’

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ দিন আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ দিন আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ দিন আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ দিন আগে