অর্চি হক, ঢাকা

চারপাশে দোকান, গাড়ির গ্যারেজ। এর মাঝেই জীর্ণ দোতলা একটি ভবন, দরজা-জানালাও নড়বড়ে। ভবনের সামনে খানিকটা খোলা জায়গা। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, এটি বিদ্যালয়। রাজধানীর বিজয়নগরের এই বিদ্যালয় বাক্ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০১৬ সালে সরকারি করার পর নাম হয় ঢাকা সরকারি বধির হাইস্কুল। শিক্ষক, ল্যাব ও অবকাঠামোর অভাবে বিদ্যালয়টি চলছে অনেকটা খুঁড়িয়ে।
বধির হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক আছেন মাত্র ১২ জন। অথচ শিক্ষকের পদ ২৭টি। এ নিয়ে বারবার চিঠি দেওয়া হলেও পাওয়া যায়নি। অবকাঠামোগত উন্নয়নও এখনো সম্ভব হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাক্ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সারা দেশে এই একটি স্কুলই পরিচালিত হচ্ছে। রাজধানীর মিরপুরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি আরেকটি স্কুল রয়েছে, তবে সেটি চলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এ ছাড়া জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অধীনে সারা দেশে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৭৪টি এমপিওভুক্ত স্কুল রয়েছে। তবে এসব স্কুলই নানা প্রতিবন্ধকতায় জর্জরিত।
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অধীন স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের বেতন ছাড়া সরকারি আর কোনো বরাদ্দ আসে না। ফলে স্কুলের খরচ চালাতে দাতা খুঁজতেই অনেকটা সময় পার করতে হয় সংশ্লিষ্টদের।
ইস্কাটন গার্ডেন রোডে রয়েছে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অধীন রমনা অটিস্টিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়। সেখানে ভর্তি হতে পারে ডাউন সিনড্রোম, অটিজম, সেরিব্রাল পালসি এবং বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুরা। এ স্কুলে শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও উপস্থিতি থাকে ষাটের কম। স্কুলের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক ওমর ফারুক ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য স্কুলভ্যান থাকা খুব জরুরি। কারণ, আমাদের স্কুলগুলোতে যারা পড়ে, তাদের বেশির ভাগই মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের। তাদের প্রতিদিন স্কুলে আনা অভিভাবকদের জন্য কঠিন।’
ওই স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, তাঁর সন্তান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন। স্কুলে আনলে একটু খুশি থাকে। তবে ওকে নিয়ে বাসে ওঠা যায় না বলে আসা-যাওয়ায় দিনে দুই-আড়াই শ টাকা লাগে। খরচ কুলাতে প্রায়ই স্কুল কামাই দিতে হয়।
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সব স্কুলেই শিক্ষকসংকট। শিক্ষা সরঞ্জামের জন্যও তাকিয়ে থাকতে হয় দাতাদের দিকে। সুইড বাংলাদেশ ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিম্মি সামাদ বলেন, ‘অটিস্টিক স্কুল নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি পাঁচজন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক থাকতে হবে। আমাদের স্কুলে ১৪০ শিক্ষার্থী থাকলেও শিক্ষক ১৫ জন।’
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ডিজঅ্যাবল্ড রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের (ডিআরআরএ) উপদেষ্টা স্বপ্না রেজা বলেন, দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। বিবিএস বলছে, তাদের সংখ্যা ৪০ লাখ ৩৩ হাজার। সমাজসেবা বলছে আরেক তথ্য। তবে সংখ্যা যেটাই হোক, দেশে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্কুলের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। যেগুলো আছে, সেগুলোও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পায় না। এদিকে সরকারের আরেকটু নজর দেওয়া উচিত।

চারপাশে দোকান, গাড়ির গ্যারেজ। এর মাঝেই জীর্ণ দোতলা একটি ভবন, দরজা-জানালাও নড়বড়ে। ভবনের সামনে খানিকটা খোলা জায়গা। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই, এটি বিদ্যালয়। রাজধানীর বিজয়নগরের এই বিদ্যালয় বাক্ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০১৬ সালে সরকারি করার পর নাম হয় ঢাকা সরকারি বধির হাইস্কুল। শিক্ষক, ল্যাব ও অবকাঠামোর অভাবে বিদ্যালয়টি চলছে অনেকটা খুঁড়িয়ে।
বধির হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক আছেন মাত্র ১২ জন। অথচ শিক্ষকের পদ ২৭টি। এ নিয়ে বারবার চিঠি দেওয়া হলেও পাওয়া যায়নি। অবকাঠামোগত উন্নয়নও এখনো সম্ভব হয়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাক্ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সারা দেশে এই একটি স্কুলই পরিচালিত হচ্ছে। রাজধানীর মিরপুরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি আরেকটি স্কুল রয়েছে, তবে সেটি চলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এ ছাড়া জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অধীনে সারা দেশে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৭৪টি এমপিওভুক্ত স্কুল রয়েছে। তবে এসব স্কুলই নানা প্রতিবন্ধকতায় জর্জরিত।
জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অধীন স্কুলগুলোতে শিক্ষকদের বেতন ছাড়া সরকারি আর কোনো বরাদ্দ আসে না। ফলে স্কুলের খরচ চালাতে দাতা খুঁজতেই অনেকটা সময় পার করতে হয় সংশ্লিষ্টদের।
ইস্কাটন গার্ডেন রোডে রয়েছে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অধীন রমনা অটিস্টিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়। সেখানে ভর্তি হতে পারে ডাউন সিনড্রোম, অটিজম, সেরিব্রাল পালসি এবং বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুরা। এ স্কুলে শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও উপস্থিতি থাকে ষাটের কম। স্কুলের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক ওমর ফারুক ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য স্কুলভ্যান থাকা খুব জরুরি। কারণ, আমাদের স্কুলগুলোতে যারা পড়ে, তাদের বেশির ভাগই মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের। তাদের প্রতিদিন স্কুলে আনা অভিভাবকদের জন্য কঠিন।’
ওই স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, তাঁর সন্তান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন। স্কুলে আনলে একটু খুশি থাকে। তবে ওকে নিয়ে বাসে ওঠা যায় না বলে আসা-যাওয়ায় দিনে দুই-আড়াই শ টাকা লাগে। খরচ কুলাতে প্রায়ই স্কুল কামাই দিতে হয়।
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সব স্কুলেই শিক্ষকসংকট। শিক্ষা সরঞ্জামের জন্যও তাকিয়ে থাকতে হয় দাতাদের দিকে। সুইড বাংলাদেশ ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিম্মি সামাদ বলেন, ‘অটিস্টিক স্কুল নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি পাঁচজন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক থাকতে হবে। আমাদের স্কুলে ১৪০ শিক্ষার্থী থাকলেও শিক্ষক ১৫ জন।’
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা ডিজঅ্যাবল্ড রিহ্যাবিলিটেশন অ্যান্ড রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশনের (ডিআরআরএ) উপদেষ্টা স্বপ্না রেজা বলেন, দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। বিবিএস বলছে, তাদের সংখ্যা ৪০ লাখ ৩৩ হাজার। সমাজসেবা বলছে আরেক তথ্য। তবে সংখ্যা যেটাই হোক, দেশে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্কুলের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। যেগুলো আছে, সেগুলোও প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পায় না। এদিকে সরকারের আরেকটু নজর দেওয়া উচিত।

মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত ‘আইএইউপি’ এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন-২০২৬-এ আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
১৪ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। এর তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দেশের প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ৩৫ বছরে পদার্পণ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। আগামীকাল শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়টি তাঁর ৩৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে।
২১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) পাঠকবন্ধু শাখার নতুন কমিটির কার্যক্রম শুরু করেছে। নতুন বছরে নতুন কমিটির বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা সভার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সদস্যরা নিজেদের দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, দক্ষতা ও মানবিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
২ দিন আগে