নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঘোষিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এনেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের একাংশ। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ না করে তারা ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনেই মঞ্চ তৈরি করছে।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা কলেজের মূল ফটকের বাম পাশে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণকাজ চলছে। মঞ্চের পাশেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঞ্চের চারপাশে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানোর কার্যক্রমও চলমান। একই সঙ্গে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের চলাচলেও তেমন কোনো ভোগান্তি দেখা যায়নি।
ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব ব্লক কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে। একই সঙ্গে সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপনের পরিকল্পনাও পরিবর্তন করা হয়েছে। জনজীবনে ভোগান্তি না ঘটিয়ে শান্তিপূর্ণ ও সৃজনশীল কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে একটি প্রধান মঞ্চ তৈরি করবে। যেখানে অবস্থান করে গান, কবিতা এবং আলোচনা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ ও সাধারণ জনগণের কাছে ঢাকেবি অধ্যাদেশ জারির গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। এই মঞ্চে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। পাশাপাশি কবি নজরুল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজ শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে একটি মঞ্চ তৈরি করবেন।
এ ছাড়া তিতুমীর কলেজের সামনে শিক্ষার্থীরা পৃথক একটি মঞ্চ স্থাপন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন এবং সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ কলেজের সামনে মঞ্চ তৈরি করে কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব কর্মসূচি আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীদের এই সমন্বয়ক।

আব্দুর রহমান বলেন, ২২ জানুয়ারির মধ্যে যদি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি না হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে যমুনা ভবন ঘেরাও করবেন।
এর আগে সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে শিক্ষার্থীরা আজ সোমবার থেকে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
প্রসঙ্গত, রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে অধ্যাদেশের খসড়া ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে ঘোষিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এনেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের একাংশ। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ না করে তারা ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনেই মঞ্চ তৈরি করছে।
আজ সোমবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা কলেজের মূল ফটকের বাম পাশে অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণকাজ চলছে। মঞ্চের পাশেই অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঞ্চের চারপাশে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানোর কার্যক্রমও চলমান। একই সঙ্গে কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। সাধারণ মানুষের চলাচলেও তেমন কোনো ভোগান্তি দেখা যায়নি।
ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব ব্লক কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে। একই সঙ্গে সায়েন্স ল্যাব এলাকায় ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপনের পরিকল্পনাও পরিবর্তন করা হয়েছে। জনজীবনে ভোগান্তি না ঘটিয়ে শান্তিপূর্ণ ও সৃজনশীল কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির যৌক্তিকতা তুলে ধরাই তাদের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা ঢাকা কলেজের সামনে একটি প্রধান মঞ্চ তৈরি করবে। যেখানে অবস্থান করে গান, কবিতা এবং আলোচনা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ ও সাধারণ জনগণের কাছে ঢাকেবি অধ্যাদেশ জারির গুরুত্ব তুলে ধরা হবে। এই মঞ্চে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বদরুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। পাশাপাশি কবি নজরুল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজ শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে একটি মঞ্চ তৈরি করবেন।
এ ছাড়া তিতুমীর কলেজের সামনে শিক্ষার্থীরা পৃথক একটি মঞ্চ স্থাপন করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন এবং সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ কলেজের সামনে মঞ্চ তৈরি করে কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব কর্মসূচি আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীদের এই সমন্বয়ক।

আব্দুর রহমান বলেন, ২২ জানুয়ারির মধ্যে যদি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারি না হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচির অংশ হিসেবে যমুনা ভবন ঘেরাও করবেন।
এর আগে সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ জারির দাবিতে শিক্ষার্থীরা আজ সোমবার থেকে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
প্রসঙ্গত, রাজধানীর সাতটি সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে অধ্যাদেশের খসড়া ইতিমধ্যে চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
৯ ঘণ্টা আগে
জাপানে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ এসেছে। ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপের আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর সাত সরকারি কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। দ্রুততম সময়ে অধ্যাদেশটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাবে।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’ উপদেষ্টা পরিষদে উঠছে। আগামী বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) এটি অনুমোদনের জন্য তোলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেলে এটি রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ আকারে জারি হবে।
১ দিন আগে