
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ধারিত বিধি-বিধান অনুসরণ করে স্বাভাবিক গতিতেই চলমান রয়েছে। প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে আন্দোলনরত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান। সেই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের চলমান প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রেখে অযথা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সকাল থেকে নিয়োগ ও পদায়নের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ জাদুঘরের সামনে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি শুরু করেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের একাংশ।
আন্দোলনকারীদের একজন ও সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, ফল প্রকাশের আড়াই মাস পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনো নিয়োগ বা পদায়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া প্রার্থী আরও বলেন, ‘সুস্পষ্ট ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলনের কর্মসূচি চলবে।’
চলতি বছর ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীর ফল প্রকাশ করা হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষা শেষে ফেব্রুয়ারি মাসে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে চূড়ান্ত সুপারিশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
উল্লেখ্য, শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ২ জানুয়ারি। কিন্তু ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে পরীক্ষা পেছানো হয়।

জুলাই-আগস্টের পরবর্তী সময়ে ছাত্র রাজনীতি হবে পেশিশক্তিমুক্ত, অস্ত্রমুক্ত এবং সন্ত্রাসমুক্ত। আন্ডারগ্রাউন্ড কোনো রাজনীতি আমরা দেখতে চাই না...
৩ ঘণ্টা আগে
প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে গুজব ছড়ানো হলেও তা যাচাই না করে প্রচার করলে শিক্ষার্থীরা..
৬ ঘণ্টা আগে
ভর্তি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা-সমন্বয়হীনতার কারণে দেশের শিক্ষার্থীদের এক বছরে সম্মিলিতভাবে প্রায় ‘৪০ লাখ’ বছর সময় অপচয় হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
৭ ঘণ্টা আগে
উন্নত বিশ্বের কোনো দেশে গিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রথমে যে বাস্তবতার মুখোমুখি হন, সেটি হলো অর্থনৈতিক চাপ। বাসাভাড়া, খাবার, যাতায়াত, বই, মোবাইল বিল, স্বাস্থ্যবিমা—সবকিছুর খরচ তুলনামূলক বেশি। দেশে বসে করা বাজেট পরিকল্পনার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল থাকে না। মাসের শেষে ব্যাংক হিসাবের টাকা কমে যাওয়ার...
৭ ঘণ্টা আগে