
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে তালিকায় নাম না থাকা অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছেন।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

আজ সোমবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সংবাদ সম্মেলনে আজকের পত্রিকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, ‘আজ এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না, শুধু এসএসসির ফল নিয়ে প্রশ্ন করুন।’

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীদের নিয়োগ, ৭৫ শতাংশ পদ সংরক্ষণ নীতি সংশোধন করে শতভাগ পদ সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনে ই-রিকুইজিশনের মাধ্যমে শূন্যপদ সংগ্রহপূর্বক দ্রুত সময়ের মধ্যে শতভাগ নিয়োগের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রার্থীরা।