ইউরোপে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নটা অনেক বড়। কিন্তু খরচের অঙ্ক দেখলেই অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্নটা থমকে যায়। ঠিক এই জায়গায় আশার আলো হয়ে এসেছে রোমানিয়া সরকারের পূর্ণাঙ্গ স্কলারশিপ প্রোগ্রাম। রোমানিয়া সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবছর ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলোর মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এই স্কলারশিপ দিয়ে থাকে।
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ। এই বৃত্তির আওতায় ইঞ্জিনিয়ারিং, আইটি, কৃষি, সমাজবিজ্ঞান কিংবা মানববিদ্যায় ইউরোপে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন যাঁদের, তাঁদের জন্য এটি হতে পারে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
কেন এত আকর্ষণীয়
ইউরোপের অন্য অনেক দেশের তুলনায় রোমানিয়ায় জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলক কম হলেও শিক্ষার মান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এই স্কলারশিপের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এর সম্পূর্ণ আর্থিক কাভারেজ। এই বৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে—
ভাষার বাধা নয়, বরং নতুন সুযোগ
রোমানিয়ান ভাষা না জানার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ইউরোপে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে যান। তবে এই স্কলারশিপে ভাষাকে কোনো বাধা হিসেবে রাখা হয়নি। যাঁরা রোমানিয়ান ভাষায় দক্ষ নন, তাঁদের জন্য মূল একাডেমিক প্রোগ্রামে ভর্তির আগে এক বছরের সম্পূর্ণ ফ্রি রোমানিয়ান ভাষা প্রস্তুতিমূলক কোর্স করানো হয়। এতে শিক্ষার্থীরা একদিকে যেমন নতুন একটি ভাষা শেখার সুযোগ পান, অন্যদিকে দেশটির সংস্কৃতি ও সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সময়ও পেয়ে যান।
যেসব বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ
চিকিৎসাবিজ্ঞান, ডেন্টিস্ট্রি ও ফার্মেসি ছাড়া প্রায় সব বিষয়ে এই স্কলারশিপে আবেদন করা যায়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিষয় হলো—
কারা আবেদন করতে পারবেন
এই স্কলারশিপটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য। আবেদনের ক্ষেত্রে যেসব যোগ্যতা প্রয়োজন—
শিক্ষাগত যোগ্যতা: পূর্ববর্তী পরীক্ষায় ন্যূনতম ৭০ শতাংশ নম্বর বা সমমানের গ্রেড।
বয়স: নির্দিষ্ট কোনো কঠোর সীমা নেই, তবে শিক্ষার ধারাবাহিকতা থাকতে হবে।
নাগরিকত্ব: অবশ্যই নন-ইইউ দেশের নাগরিক হতে হবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আবেদনপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন—
আবেদন করবেন যেভাবে
এই স্কলারশিপের জন্য কোনো ধরনের এজেন্সির প্রয়োজন নেই। সরাসরি রোমানিয়া সরকারের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করা যাবে। আবেদনের ওয়েবসাইট
আবেদনের শেষ সময়: আগামী ১২ মার্চ, ২০২৬।

দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন; কিন্তু একটিতেও সুযোগ পাননি। সেই ব্যর্থতার বেদনাই তার হয়ে উঠেছিল জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা। আর সেই শিক্ষা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো আজকের আসিফ মোক্তাদির বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় হার্ভার্ডে স্বাস্থ্যনীতি বিষয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছেন।
১৬ মিনিট আগে
উপমহাদেশে শিক্ষার ইতিহাসে কিছু প্রতিষ্ঠান সময়ের সীমানা পেরিয়ে আজও জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। রাজশাহী কলেজ তেমনই এক গৌরবময় নাম। কলেজটি অতীতের সংগ্রাম, ঐতিহ্যের গৌরব আর আধুনিকতার স্পর্শে গড়ে উঠেছে।
১ ঘণ্টা আগে
‘বই হচ্ছে মস্তিষ্কের সন্তান’—বিখ্যাত এই উক্তি আয়ারল্যান্ডের জনপ্রিয় লেখক জনাথন সুইফটের। বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের চিন্তাশক্তি, কল্পনাশক্তি আর মেধার বিকাশ ঘটে। মানসিক প্রশান্তি, আত্মিক উৎকর্ষ এবং জ্ঞানার্জনের ক্ষেত্রেও বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।
২ ঘণ্টা আগে
তারুণ্যের শক্তিকে সমাজকল্যাণের কাজে ব্যবহার করার লক্ষ্য নিয়ে ‘পাঠকবন্ধু’ বরিশাল জেলা শাখার উদ্যোগে সম্প্রতি এক পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
২ ঘণ্টা আগে