ঢাকা: প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সব শিক্ষার্থীকে স্বতন্ত্র আইডি নম্বর দেবে সরকার। এজন্য শিক্ষার্থীদের অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করতে হবে।
এর আগে যারা গতানুগতিক পদ্ধতিতে জন্ম নিবন্ধন করেছেন, তাদেরও স্বতন্ত্র আইডির জন্য পুনরায় অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র আইডি তৈরি প্রকল্প ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব ইন্ট্রিগ্রেটেড ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’র (আইইআইএমএস) প্রকল্প পরিচালক রোববার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দিয়েছেন।
সেখানে বলা হয়েছে, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সব শিক্ষার্থীর ডাটাবেইজ তৈরি করে স্বতন্ত্র আইডি দিতে শিক্ষার্থীদের তথ্যছক পূরণ করা হচ্ছে। যেসব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন অনলাইনের মাধ্যমে দেননি তাদের জন্ম নিবন্ধন নম্বর অনলাইনের মাধ্যমে করে ফরমে যুক্ত করতে হবে।
আইইআইএমএস বলছে, শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ অনলাইনে যাচাই করার পর স্বতন্ত্র আইডি দেওয়া হবে। হাতে লেখা জন্ম সনদের নম্বর অনলাইনে যাচাই করা যাবে না। স্বতন্ত্র আইডি দেওয়ার আগে শিক্ষার্থীদের জন্ম সনদ ও জন্ম তারিখ যাচাই করা হবে।
যেসব শিক্ষার্থীর জন্ম সনদ অনলাইনে করা নেই তাদের অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করতে জরুরি ভিত্তিতে জানাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলোর প্রধানের অনুরোধ করা হয়েছে।

গত ১৩ জুলাই পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্র ও যুক্তিবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা এবং পুনরায় পরীক্ষার জন্য নিজ নিজ কেন্দ্রে নিবন্ধন করা পরীক্ষার্থীরা এ বিশেষ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
এ বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে নেওয়া হতে পারে। ভর্তিপ্রক্রিয়া শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করেছে আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ফল আগামী ১০ সেপ্টেম্বর প্রকাশ হতে পারে। আশানুরূপ ফল না পেয়ে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা ৪ লাখ পরীক্ষার্থী এ ফলের অপেক্ষায় আছে।
৮ ঘণ্টা আগে
এই ল্যাব চালু হলে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের সুবিধা হবে। আগে অনেক সাধারণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের মেডিকেল সেন্টারের বাইরে যেতে হতো। এতে তাঁদের সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হতো। এখন প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারেই করার সুযোগ তৈরি হবে।
৯ ঘণ্টা আগে