ইলিয়াস শান্ত, ঢাকা

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগ থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন মাহিরা ইসলাম আসফি। তিনি তাঁর অসামান্য একাডেমিক ফলাফলের জন্য সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৬তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক পেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন এই সমাবর্তনের ভ্যালেডিক্টোরিয়ান। অসামান্য একাডেমিক সাফল্যের পেছনে তাঁর যেমন আছে নিয়মিত পরিশ্রম ও শৃঙ্খলা, তেমনি আছে বাবাকে হারানোর বেদনা। সেই বেদনাকেই শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি পৌঁছেছেন সাফল্যের চূড়ায়।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে স্প্রিং ২০১৯ সেশনে শুরু হয় মাহিরা ইসলাম আসফির বিশ্ববিদ্যালয়জীবন। মেডিসিন নিয়ে পড়ার আগ্রহ থেকে পরিবারে আলোচনা শুরু হয় কোন বিষয়ে ভর্তি হবেন। বাবা ও চাচার পরামর্শে ফার্মেসিকে বেছে নেন তিনি। নর্থ সাউথে প্রথম ক্লাস শুরুর সময় বড় ভাইদের কাছ থেকে পান গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ—‘শুরু থেকে সিরিয়াস হতে হবে, নিয়মিত ক্লাস করতে হবে এবং ফলাফলের দিকে নজর রাখতে হবে।’ সেই পরামর্শ তিনি অক্ষরে অক্ষরে অনুসরণ করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে নিয়মিত ক্লাস করতেন আসফি। পুরো স্নাতকে মাত্র তিনটি ক্লাস মিস করেছেন। প্রথম সেমিস্টারে অর্জন করেন ৪-এর মধ্যে ৪ সিজিপিএ। একের পর এক সেমিস্টার পেরিয়ে ১০টি সেমিস্টার শেষে তাঁর ফাইনাল সিজিপিএ দাঁড়ায় ৩.৯৮। তাঁর সাফল্যের স্বীকৃতি মিলেছে চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল অর্জন ও ভ্যালেডিক্টোরিয়ান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে।
সৃষ্টিকর্তার পরে এই সাফল্যের জন্য কৃতিত্ব দেন তাঁর মা-বাবাকে। মা-বাবা কখনোই তাঁর ওপর কোনো বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেননি। বরং তাঁকে নিজের মতো করে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।
মাহিরার আক্ষেপ আজ তাঁর বাবা বেঁচে নেই। তাঁর বাবার স্বপ্ন ছিল তিনি যেন ভালো মানুষ হন, সত্যবাদী হন। শখ করে বাবা তাঁকে ফার্মেসিতে ভর্তি করিয়েছিলেন। বাবার স্বপ্নই ছিল তাঁর নিজের স্বপ্ন। মাহিরার মতে, তাঁর বাবা বেঁচে থাকলে এই স্বর্ণপদক দেখে নিশ্চিত আনন্দে কেঁদে ফেলতেন। যেমনটি কেঁদেছিলেন, এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার খবর শুনে। বাবার কাছে চাওয়ার আগেই সবকিছু দেওয়ার চেষ্টা করতেন।
স্বর্ণপদক পাওয়ার খবরে আসফির পরিবার ও আত্মীয়স্বজন সবাই খুশি। বড় ভাই আশিক তাঁর একাডেমিক জীবনে সব সময় পাশে ছিলেন এবং তাঁর সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছেন।
পড়াশোনার কৌশল সম্পর্কে মাহিরা ইসলাম আসফি জানান, চেষ্টা করতেন যেন ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শেষ করা যায়। কোনো বিষয় বুঝতে অসুবিধা হলে সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষকের কাছে প্রশ্ন করতেন। বাসায় ফিরে ক্লাসের নোট নতুন করে গুছিয়ে লিখে রাখতেন, যাতে পরীক্ষার আগে প্রস্তুতি সহজ হয়। সারা দিন পড়াশোনা করতেন না, তবে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করার অভ্যাস গড়ে তুলেছিলেন। এতে পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়নি। মুখস্থের চেয়ে বিষয়বস্তু বোঝার ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। তাঁর মতে, ‘কনসেপ্ট পরিষ্কার থাকলে যেকোনো বিষয়ই সহজ হয়ে যায়’।
অন্য শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে আসফি বলেন, ‘সবাই অনেক পরিশ্রম করেন এবং ভালো করতে চান। তবে ভালো ফল করতে হলে বুঝে পড়াশোনা করা জরুরি। নিয়মিত ক্লাস করা, প্রশ্ন করতে ভয় না পাওয়া এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা—এই বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আসফির শৈশব কেটেছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায়। বর্তমানে পরিবার ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার দুর্গাপুর গ্রামে। মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবং উচ্চমাধ্যমিক আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে। দুটো পরীক্ষাতেই তিনি জিপিএ-৫ অর্জন করেন। তাঁর বাবা মরহুম কমান্ডার নজরুল ইসলাম মিনা ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একজন অফিসার। মা আফরিনা ইসলাম গৃহিণী। বড় ভাই আশিকুল ইসলাম।
ছোটবেলায় মাহিরা ইসলাম আসফির স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। মানুষের সেবা করার ইচ্ছা থেকেই মেডিসিনের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। ফার্মেসি পড়ার মাধ্যমে সেই স্বপ্নেরই এক ভিন্ন রূপ পূরণ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। নতুন ওষুধ সম্পর্কে জানা, কোন ওষুধ কোন রোগে ব্যবহার হয় এবং কীভাবে তৈরি করা হয়—এসব বিষয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল প্রবল। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে মানুষের সেবায় কাজে লাগাতে পারবেন।
দেশের বাস্তবতায় ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটদের জন্য সুযোগ অনেক বিস্তৃত বলে মনে করেন আসফি। হাসপাতাল ফার্মাসিস্ট, গবেষণা, ফ্যাক্টরি, মার্কেটিং, রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স, কোয়ালিটি কন্ট্রোল, কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স, মাইক্রোবায়োলজি, বায়োটেকনোলজি, জেনেটিকসসহ নানা ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। ভালো ফল থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও সম্ভব। অনেকেই বিসিএস দিয়ে প্রশাসনিক ক্যারিয়ারেও যান।
স্নাতকে পড়াশোনার পাশাপাশি মাহিরা ইসলাম আসফি দুই সেমিস্টার টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন। ড. মোহাম্মাদ হোসাইন শারিয়ারের সঙ্গে ন্যানোটেকনোলজি বিষয়ে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন। এই গবেষণার কাজ ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এএপিএস কনফারেন্সে উপস্থাপিত হয়। এ ছাড়া ড. মো. সাকি মোস্তাইদের সঙ্গে মেটা–অ্যানালাইসিসের কাজ শিখেছেন। ২০২২ ও ২০২৪ সালের ফার্মাফেস্টে স্টল প্রেজেন্টেশনে অংশ নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও প্রথম স্থান অর্জন করেন। পোস্টার প্রেজেন্টেশনেও অংশ নিয়েছেন তিনি।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আসফি বলেন, মানুষের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে নিজের ভালোটা বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মা-বাবার কথা শুনতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা আর সততার সঙ্গে পরিশ্রমই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের পথে নিয়ে যাবে।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগ থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন মাহিরা ইসলাম আসফি। তিনি তাঁর অসামান্য একাডেমিক ফলাফলের জন্য সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টির ২৬তম সমাবর্তনে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক পেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন এই সমাবর্তনের ভ্যালেডিক্টোরিয়ান। অসামান্য একাডেমিক সাফল্যের পেছনে তাঁর যেমন আছে নিয়মিত পরিশ্রম ও শৃঙ্খলা, তেমনি আছে বাবাকে হারানোর বেদনা। সেই বেদনাকেই শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি পৌঁছেছেন সাফল্যের চূড়ায়।
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে স্প্রিং ২০১৯ সেশনে শুরু হয় মাহিরা ইসলাম আসফির বিশ্ববিদ্যালয়জীবন। মেডিসিন নিয়ে পড়ার আগ্রহ থেকে পরিবারে আলোচনা শুরু হয় কোন বিষয়ে ভর্তি হবেন। বাবা ও চাচার পরামর্শে ফার্মেসিকে বেছে নেন তিনি। নর্থ সাউথে প্রথম ক্লাস শুরুর সময় বড় ভাইদের কাছ থেকে পান গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ—‘শুরু থেকে সিরিয়াস হতে হবে, নিয়মিত ক্লাস করতে হবে এবং ফলাফলের দিকে নজর রাখতে হবে।’ সেই পরামর্শ তিনি অক্ষরে অক্ষরে অনুসরণ করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়জীবনে নিয়মিত ক্লাস করতেন আসফি। পুরো স্নাতকে মাত্র তিনটি ক্লাস মিস করেছেন। প্রথম সেমিস্টারে অর্জন করেন ৪-এর মধ্যে ৪ সিজিপিএ। একের পর এক সেমিস্টার পেরিয়ে ১০টি সেমিস্টার শেষে তাঁর ফাইনাল সিজিপিএ দাঁড়ায় ৩.৯৮। তাঁর সাফল্যের স্বীকৃতি মিলেছে চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল অর্জন ও ভ্যালেডিক্টোরিয়ান হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে।
সৃষ্টিকর্তার পরে এই সাফল্যের জন্য কৃতিত্ব দেন তাঁর মা-বাবাকে। মা-বাবা কখনোই তাঁর ওপর কোনো বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেননি। বরং তাঁকে নিজের মতো করে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।
মাহিরার আক্ষেপ আজ তাঁর বাবা বেঁচে নেই। তাঁর বাবার স্বপ্ন ছিল তিনি যেন ভালো মানুষ হন, সত্যবাদী হন। শখ করে বাবা তাঁকে ফার্মেসিতে ভর্তি করিয়েছিলেন। বাবার স্বপ্নই ছিল তাঁর নিজের স্বপ্ন। মাহিরার মতে, তাঁর বাবা বেঁচে থাকলে এই স্বর্ণপদক দেখে নিশ্চিত আনন্দে কেঁদে ফেলতেন। যেমনটি কেঁদেছিলেন, এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার খবর শুনে। বাবার কাছে চাওয়ার আগেই সবকিছু দেওয়ার চেষ্টা করতেন।
স্বর্ণপদক পাওয়ার খবরে আসফির পরিবার ও আত্মীয়স্বজন সবাই খুশি। বড় ভাই আশিক তাঁর একাডেমিক জীবনে সব সময় পাশে ছিলেন এবং তাঁর সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছেন।
পড়াশোনার কৌশল সম্পর্কে মাহিরা ইসলাম আসফি জানান, চেষ্টা করতেন যেন ক্লাসের পড়া ক্লাসেই শেষ করা যায়। কোনো বিষয় বুঝতে অসুবিধা হলে সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষকের কাছে প্রশ্ন করতেন। বাসায় ফিরে ক্লাসের নোট নতুন করে গুছিয়ে লিখে রাখতেন, যাতে পরীক্ষার আগে প্রস্তুতি সহজ হয়। সারা দিন পড়াশোনা করতেন না, তবে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করার অভ্যাস গড়ে তুলেছিলেন। এতে পরীক্ষার সময় অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়নি। মুখস্থের চেয়ে বিষয়বস্তু বোঝার ওপর বেশি জোর দিয়েছেন। তাঁর মতে, ‘কনসেপ্ট পরিষ্কার থাকলে যেকোনো বিষয়ই সহজ হয়ে যায়’।
অন্য শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে আসফি বলেন, ‘সবাই অনেক পরিশ্রম করেন এবং ভালো করতে চান। তবে ভালো ফল করতে হলে বুঝে পড়াশোনা করা জরুরি। নিয়মিত ক্লাস করা, প্রশ্ন করতে ভয় না পাওয়া এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা—এই বিষয়গুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আসফির শৈশব কেটেছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায়। বর্তমানে পরিবার ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার দুর্গাপুর গ্রামে। মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবং উচ্চমাধ্যমিক আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে। দুটো পরীক্ষাতেই তিনি জিপিএ-৫ অর্জন করেন। তাঁর বাবা মরহুম কমান্ডার নজরুল ইসলাম মিনা ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একজন অফিসার। মা আফরিনা ইসলাম গৃহিণী। বড় ভাই আশিকুল ইসলাম।
ছোটবেলায় মাহিরা ইসলাম আসফির স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। মানুষের সেবা করার ইচ্ছা থেকেই মেডিসিনের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। ফার্মেসি পড়ার মাধ্যমে সেই স্বপ্নেরই এক ভিন্ন রূপ পূরণ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। নতুন ওষুধ সম্পর্কে জানা, কোন ওষুধ কোন রোগে ব্যবহার হয় এবং কীভাবে তৈরি করা হয়—এসব বিষয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল প্রবল। তিনি বিশ্বাস করেন, তাঁর এই জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে মানুষের সেবায় কাজে লাগাতে পারবেন।
দেশের বাস্তবতায় ফার্মেসি গ্র্যাজুয়েটদের জন্য সুযোগ অনেক বিস্তৃত বলে মনে করেন আসফি। হাসপাতাল ফার্মাসিস্ট, গবেষণা, ফ্যাক্টরি, মার্কেটিং, রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স, কোয়ালিটি কন্ট্রোল, কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স, মাইক্রোবায়োলজি, বায়োটেকনোলজি, জেনেটিকসসহ নানা ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। ভালো ফল থাকলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও সম্ভব। অনেকেই বিসিএস দিয়ে প্রশাসনিক ক্যারিয়ারেও যান।
স্নাতকে পড়াশোনার পাশাপাশি মাহিরা ইসলাম আসফি দুই সেমিস্টার টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন। ড. মোহাম্মাদ হোসাইন শারিয়ারের সঙ্গে ন্যানোটেকনোলজি বিষয়ে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন। এই গবেষণার কাজ ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত এএপিএস কনফারেন্সে উপস্থাপিত হয়। এ ছাড়া ড. মো. সাকি মোস্তাইদের সঙ্গে মেটা–অ্যানালাইসিসের কাজ শিখেছেন। ২০২২ ও ২০২৪ সালের ফার্মাফেস্টে স্টল প্রেজেন্টেশনে অংশ নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও প্রথম স্থান অর্জন করেন। পোস্টার প্রেজেন্টেশনেও অংশ নিয়েছেন তিনি।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আসফি বলেন, মানুষের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে নিজের ভালোটা বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মা-বাবার কথা শুনতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা আর সততার সঙ্গে পরিশ্রমই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের পথে নিয়ে যাবে।

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) স্প্রিং সেমিস্টার ২০২৬-এর ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি নবীন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি, একাডেমিক পরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহির ইয়াসির গড়ে তুলেছেন এক অনন্য সংগ্রহশালা। বিশ্বের ১২০টি দেশের দুই হাজারের বেশি মুদ্রা ও প্রায় ৪০০ কাগুজে নোটের পাশাপাশি তাঁর সংগ্রহে রয়েছে নানা ধরনের প্রত্নসামগ্রী। এই সংগ্রহের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন গবেষকদের হাতে তুলে দেওয়ার মাধ্যমে রহনপুরে প্রায়...
৪ ঘণ্টা আগে
ছোটবেলা থেকে আমাদের শেখানো হয় আড্ডা দিলে নাকি মানুষ খারাপ হয়ে যায়। আড্ডাবাজদের থেকে দূরে থাকতে বলা হয়। কিন্তু সত্যিই কি আড্ডা মানুষকে খারাপ করে তোলে? আমার মতে, আড্ডার সঙ্গী ও বিষয়ই তার মূল্য নির্ধারণ করে।
৪ ঘণ্টা আগে
চীনে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য দারুণ সুযোগ এসেছে। হোহাই ইউনিভার্সিটি সিএসসি স্কলারশিপ ২০২৬-এর জন্য আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৫ ঘণ্টা আগে