জুয়েল আহমদ, জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ)

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন নয়জন প্রার্থী। এর মধ্যে একজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বাকিদের মধ্যে চারজনকে হেভিওয়েট হিসেবে দেখছেন ভোটাররা।
ভোটাররা জানান, প্রবাসী-অধ্যুষিত এই আসনটি জেলার অন্যতম ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। এই আসন থেকে বিগত দিনে নির্বাচিতরা স্থান পেয়েছেন মন্ত্রিসভায়। এবার বৈধ ৮ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মনোনীত কয়ছর আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনকে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে দেখছেন ভোটাররা।
প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমেদ হলফনামায় নিজেকে ব্যবসায়ী উল্লেখ করেছেন। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ২৬ লাখ। মোট অস্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য প্রায় ৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামে স্বর্ণালংকার রয়েছে ৪০ ভরি এবং নিজের রয়েছে ২০ ভরি। শেয়ারের পরিমাণ ১ কোটি ৩০ লাখ, গাড়ি ৭৫ লাখ, বিদেশে ৫১ লাখ ৩৬ হাজার টাকার দুটি গাড়ি। স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২০ কোটি ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩৪৩ টাকা। মোট মামলা ৫টি, চারটি থেকে খালাস ও একটি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী পেশায় আইনজীবী। তাঁর নামে থাকা তিনটি মামলা থেকে পেয়েছেন খালাস ও অব্যাহতি। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। নগদ অর্থ ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৮ টাকা। ব্যাংকে জমা ২ হাজার ৫৩০ টাকা। নিজ নামে স্বর্ণালংকার দেড় লাখ, গাড়ি ৯০ হাজার, অন্যান্য ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। মোট স্থাবর সম্পত্তি ৪৯ লাখ ৭৬ হাজার ৭০০ টাকা। তিনি আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৭৫ লাখ ৮৪ হাজার ৭০৮ টাকা।
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইয়াসীন খানও পেশা দেখিয়েছেন আইনজীবী। তিনি সর্বোচ্চ ৩৬ মামলার আসামি। তাঁর মধ্যে তিনটি মামলা এখনো চলমান। বাকি মামলাগুলো খালাস, প্রত্যাহার কিংবা নিষ্পত্তি হয়েছে। তাঁর বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩ টাকা। তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি ৩৭ লাখ ২২ হাজার ৮০০ টাকার। স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে কৃষি খাতে ৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। তিনি আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ২৫ লাখ ৭৩ হাজার ৯৪ টাকা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন একজন আইনজীবী। তাঁর নামে নেই কোনো মামলা। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩৪ লাখ ৫৩৪ টাকা। নগদ অর্থ রয়েছে ২ কোটি ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৬৭৪ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিজের নামে জমা ১৬ লাখ ৪২ হাজার এবং স্ত্রীর নামে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। বন্ড ও ঋণপত্র স্টক এক্সচেঞ্জে রয়েছে ৫১ লাখ টাকা। সঞ্চয়পত্র বা ফিক্সড ডিপোজিটে নিজের নামে ১ কোটি ৬৭ লাখ ও স্ত্রীর নামে রয়েছে ৮০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর স্বর্ণালংকার ৫০ ভরি ও নিজের ১ লাখ টাকার আগ্নেয়াস্ত্র। নিজের নামে স্থাবর সম্পত্তির বর্তমান দর প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার ও স্ত্রীর ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও যৌথ মালিকানায় তাঁর অংশ রয়েছে ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন নয়জন প্রার্থী। এর মধ্যে একজনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বাকিদের মধ্যে চারজনকে হেভিওয়েট হিসেবে দেখছেন ভোটাররা।
ভোটাররা জানান, প্রবাসী-অধ্যুষিত এই আসনটি জেলার অন্যতম ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। এই আসন থেকে বিগত দিনে নির্বাচিতরা স্থান পেয়েছেন মন্ত্রিসভায়। এবার বৈধ ৮ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মনোনীত কয়ছর আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত অ্যাডভোকেট মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অ্যাডভোকেট ইয়াসীন খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেনকে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে দেখছেন ভোটাররা।
প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমেদ হলফনামায় নিজেকে ব্যবসায়ী উল্লেখ করেছেন। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ২৬ লাখ। মোট অস্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য প্রায় ৪ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তাঁর স্ত্রীর নামে স্বর্ণালংকার রয়েছে ৪০ ভরি এবং নিজের রয়েছে ২০ ভরি। শেয়ারের পরিমাণ ১ কোটি ৩০ লাখ, গাড়ি ৭৫ লাখ, বিদেশে ৫১ লাখ ৩৬ হাজার টাকার দুটি গাড়ি। স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২০ কোটি ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩৪৩ টাকা। মোট মামলা ৫টি, চারটি থেকে খালাস ও একটি থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী পেশায় আইনজীবী। তাঁর নামে থাকা তিনটি মামলা থেকে পেয়েছেন খালাস ও অব্যাহতি। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। নগদ অর্থ ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৮ টাকা। ব্যাংকে জমা ২ হাজার ৫৩০ টাকা। নিজ নামে স্বর্ণালংকার দেড় লাখ, গাড়ি ৯০ হাজার, অন্যান্য ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। মোট স্থাবর সম্পত্তি ৪৯ লাখ ৭৬ হাজার ৭০০ টাকা। তিনি আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৭৫ লাখ ৮৪ হাজার ৭০৮ টাকা।
জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইয়াসীন খানও পেশা দেখিয়েছেন আইনজীবী। তিনি সর্বোচ্চ ৩৬ মামলার আসামি। তাঁর মধ্যে তিনটি মামলা এখনো চলমান। বাকি মামলাগুলো খালাস, প্রত্যাহার কিংবা নিষ্পত্তি হয়েছে। তাঁর বার্ষিক আয় ৬ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩ টাকা। তাঁর অস্থাবর সম্পত্তি ৩৭ লাখ ২২ হাজার ৮০০ টাকার। স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে কৃষি খাতে ৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। তিনি আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত সম্পদের পরিমাণ দেখিয়েছেন ২৫ লাখ ৭৩ হাজার ৯৪ টাকা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন একজন আইনজীবী। তাঁর নামে নেই কোনো মামলা। বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ৩৪ লাখ ৫৩৪ টাকা। নগদ অর্থ রয়েছে ২ কোটি ৩০ লাখ ৯৬ হাজার ৬৭৪ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিজের নামে জমা ১৬ লাখ ৪২ হাজার এবং স্ত্রীর নামে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। বন্ড ও ঋণপত্র স্টক এক্সচেঞ্জে রয়েছে ৫১ লাখ টাকা। সঞ্চয়পত্র বা ফিক্সড ডিপোজিটে নিজের নামে ১ কোটি ৬৭ লাখ ও স্ত্রীর নামে রয়েছে ৮০ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। স্ত্রীর স্বর্ণালংকার ৫০ ভরি ও নিজের ১ লাখ টাকার আগ্নেয়াস্ত্র। নিজের নামে স্থাবর সম্পত্তির বর্তমান দর প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার ও স্ত্রীর ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও যৌথ মালিকানায় তাঁর অংশ রয়েছে ৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৪ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২৩ দিন আগে