বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদা পারভিনের স্বামীকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে শামিম আলমকে (৪৫) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বয়স কম বিবেচনায় শামিম আলমের ছেলে আলিফকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এদিকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ইউএনওর বাসভবনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা তিন আনসার সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈকত হাসান জানান, ইউএনওর গাড়িচালক ফেরদৌস হোসেন শনিবার রাতে আটক শামিম আলমের নামে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বয়স ১৮-এর নিচে হওয়ায় মামলায় শামিম আলমের ছেলে আলিফের নাম না দেওয়ায় তাঁকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আজ রোববার গ্রেপ্তার শামিমকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে বগুড়া জেলা আনসার অ্যাডজুটেন্ট ফিরোজ আহম্মেদ জানান, সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদা পারভীনের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা তিনজন আনসার সদস্যকে প্রত্যাহার করে নতুন করে তিনজন আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও সাঈদা পারভিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০ জন আনসার সদস্যের একটি টিম সময় ভাগাভাগি করে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে থাকে। শনিবারের ঘটনার সময় গেটে ও বাসায় দায়িত্বে ছিলেন জামিরুল, ইমারত ও মোখলেস নামের তিন আনসার সদস্য। আমি তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনলে তাঁদের প্রত্যাহার করা হয়।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় সোনাতলা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনওর বাসভবনের সামনে ব্যাটমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে ইউএনওর স্বামী আল আমিন শিকদারকে মারধর করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম বুলুর ছেলে শামিম আলম। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক পুলিশ শামিম আলম ও তাঁর ছেলে আলিফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদা পারভিনের স্বামীকে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে শামিম আলমকে (৪৫) কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বয়স কম বিবেচনায় শামিম আলমের ছেলে আলিফকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এদিকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ইউএনওর বাসভবনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা তিন আনসার সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈকত হাসান জানান, ইউএনওর গাড়িচালক ফেরদৌস হোসেন শনিবার রাতে আটক শামিম আলমের নামে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। বয়স ১৮-এর নিচে হওয়ায় মামলায় শামিম আলমের ছেলে আলিফের নাম না দেওয়ায় তাঁকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আজ রোববার গ্রেপ্তার শামিমকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে বগুড়া জেলা আনসার অ্যাডজুটেন্ট ফিরোজ আহম্মেদ জানান, সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদা পারভীনের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা তিনজন আনসার সদস্যকে প্রত্যাহার করে নতুন করে তিনজন আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ইউএনও সাঈদা পারভিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০ জন আনসার সদস্যের একটি টিম সময় ভাগাভাগি করে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে থাকে। শনিবারের ঘটনার সময় গেটে ও বাসায় দায়িত্বে ছিলেন জামিরুল, ইমারত ও মোখলেস নামের তিন আনসার সদস্য। আমি তাঁদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনলে তাঁদের প্রত্যাহার করা হয়।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় সোনাতলা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনওর বাসভবনের সামনে ব্যাটমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে ইউএনওর স্বামী আল আমিন শিকদারকে মারধর করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম বুলুর ছেলে শামিম আলম। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক পুলিশ শামিম আলম ও তাঁর ছেলে আলিফকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে