বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় মোটরসাইকেলে ধাক্কাকে কেন্দ্র করে পাঁচজন ছুরিকাহতের ঘটনায় সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে বগুড়া শহরের স্টেশন রোডে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বগুড়া শহরের স্টেশন রোডের রেলওয়ে মার্কেট এলাকায় এই ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী এলাকার বাছেদ মন্ডলের ছেলে রিয়াদ মন্ডল (২৪), একই এলাকার রাজিব হোসেনের ছেলে সামিত সামিউল (২১), বাবু মিয়ার ছেলে বাপ্পি (২১) চকসূত্রাপুর এলাকার হজরত আলীর ছেলে রাশেদ (২৫) ও শাজাহানপুর উপজেলার চক দোহার গ্রামের আব্দুল বাছেদ (৬৫)। আব্দুল বাছেদ রেলওয়ে মার্কেটে মালামাল কিনতে এসে হামলার শিকার হন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতের সাড়ে ৮টার দিকে বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার তরু নামের এক যুবকের মোটরসাইকেলের সঙ্গে রিয়াদের মোটরসাইকেল ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে দুই পক্ষই এলাকা থেকে চলে যান। এরপর রাত পৌনে ৯টার দিকে তরুসহ কয়েকজন যুবক তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। আহতেরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে রেলওয়ে মার্কেটে আসা সাধারণ মানুষকে ছুরিকাঘাতের প্রতিবাদে রেলওয়ে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা আজ দোকান বন্ধ করে বগুড়া শহরের স্টেশন রোড অবরোধ করেন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, রেলওয়ে মার্কেটে গলির মধ্যে হরিজন কলোনির আশপাশে সন্ধ্যার পর মাদক বিক্রি হয়। মাদক কেনা-বেচাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত সেখানে মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হরিদাস মন্ডল জানান, আহতদের পক্ষ থেকে এখনো থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তার দাবিতে রাস্তায় নেমেছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হলে অবরোধ তুলে নেন।

বগুড়ায় মোটরসাইকেলে ধাক্কাকে কেন্দ্র করে পাঁচজন ছুরিকাহতের ঘটনায় সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে বগুড়া শহরের স্টেশন রোডে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বগুড়া শহরের স্টেশন রোডের রেলওয়ে মার্কেট এলাকায় এই ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী এলাকার বাছেদ মন্ডলের ছেলে রিয়াদ মন্ডল (২৪), একই এলাকার রাজিব হোসেনের ছেলে সামিত সামিউল (২১), বাবু মিয়ার ছেলে বাপ্পি (২১) চকসূত্রাপুর এলাকার হজরত আলীর ছেলে রাশেদ (২৫) ও শাজাহানপুর উপজেলার চক দোহার গ্রামের আব্দুল বাছেদ (৬৫)। আব্দুল বাছেদ রেলওয়ে মার্কেটে মালামাল কিনতে এসে হামলার শিকার হন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতের সাড়ে ৮টার দিকে বগুড়া শহরের খান্দার এলাকার তরু নামের এক যুবকের মোটরসাইকেলের সঙ্গে রিয়াদের মোটরসাইকেল ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে দুই পক্ষই এলাকা থেকে চলে যান। এরপর রাত পৌনে ৯টার দিকে তরুসহ কয়েকজন যুবক তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। আহতেরা বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে রেলওয়ে মার্কেটে আসা সাধারণ মানুষকে ছুরিকাঘাতের প্রতিবাদে রেলওয়ে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা আজ দোকান বন্ধ করে বগুড়া শহরের স্টেশন রোড অবরোধ করেন।
ব্যবসায়ীদের দাবি, রেলওয়ে মার্কেটে গলির মধ্যে হরিজন কলোনির আশপাশে সন্ধ্যার পর মাদক বিক্রি হয়। মাদক কেনা-বেচাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত সেখানে মারধরের ঘটনা ঘটে।
স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হরিদাস মন্ডল জানান, আহতদের পক্ষ থেকে এখনো থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তার দাবিতে রাস্তায় নেমেছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হলে অবরোধ তুলে নেন।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৫ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে