ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়া সেই ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নাছরীন সুলতানা সাময়িক বরখাস্ত ও তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চালু করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ত্রিশাল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।
এর আগে গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকার ফেসবুক পেজে এই কর্মকর্তা প্রকাশ্যে অফিসে বসে ঘুষ নিচ্ছেন—এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। আজকের পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনেও এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
রিপোর্ট থেকে জানা যায়, অফিসে বসেই প্রকাশ্যে ঘুষ নিচ্ছিলেন ময়মনসিংহের ত্রিশালের কানিহারী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নাছরীন সুলতানা। সম্প্রতি বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে তাঁর অফিসে যান আজকের পত্রিকার এ প্রতিবেদক। এ সময় ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ধারণ করেন।
ভিডিওতে দেখা যায় নাছরীন সুলতানা তাঁর অফিসে নামজারি করতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেওয়ার জন্য দর-কষাকষি করছেন। একপর্যায়ে হাসিমুখে টাকা হাতে নিতে নিতে তাঁকে বলতে শোনা যায়—‘আপনি তো আমার চাকরি খাবেন। সামনাসামনি যা করছেন!’
এক হাতে টাকা নিয়ে নাছরীন সুলতানা হাসিমুখে বলতে থাকেন—‘আমার চাকরিটা খাওয়ার জন্য আপনি লাগছেন! এই শোনেন, যেটা দেখাইছি ওইটা দিতে হবে, তাহলে আপনি কাজ পেয়ে যাবেন। ভাইঙ্গা ভাইঙ্গা টাকা দিলে এটা অয়না। তারপরও দিয়ে গেলেন! ওই ভাই সামনে ছিল, (পাশে বসে কথা বলতে থাকা এক ব্যক্তিকে দেখিয়ে) তাই আমি রাখলাম, নাইলে রাখতাম না। কিন্তু দেওয়া লাগব, ওইটা না দিলে আপনার খারিজ (নামজারি) হবে না।’
দুই দিন পরে বাকি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই ব্যক্তি দুটি নামজারির জন্য ১৭ হাজার টাকা দেবেন জানালে আবার ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘না এইত অইতনা, এইতা বাংলা আলাপ কইরেন না।’
নামজারি করতে আসা ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনে আরও দেখা যায়, ওই ভূমি কর্মকর্তা ইশারায় টাকার পরিমাণ বোঝানোর চেষ্টা করছেন। নামজারি করতে যে টাকা দাবি করছেন, সেটি ক্যালকুলেটরে লিখে ওই ব্যক্তিকে দেখান এবং বলেন—এটা লাগবে।
সম্পূর্ণ কথোপকথন থেকে জানা যায়, দুটি নামজারির জন্য ওই ব্যক্তি প্রথমে ১০ হাজার টাকা দিতে রাজি হলেও ভূমি কর্মকর্তা দাবি করছেন আরও বেশি। কথোপকথনের সময় পাশে বসে থাকা ব্যক্তিটিকে অতিরিক্ত টাকা দিয়েই নামজারি করার জন্য উৎসাহিত করতে দেখা যায়। এ সময় তিনি ‘ন্যায্য ও নির্ধারিত টাকায়, নিয়ম মেনে’ অফিসে কাজ করতে গেলে যে ভোগান্তির স্বীকার হতে হয়, তা বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন।
একই সময় সেবা নিতে আসা বেশ কয়েকজনকে যথেষ্ট গোপনীয়তা বজায় রাখতে দেখা যায়। ওই কর্মকর্তার কানে কানে কথা বলতেও দেখা যায় অনেককে।
কথোপকথনের একপর্যায়ে ভূমি কর্মকর্তা বলেন, ‘এইটা তো আমার অফিসের কাজ। আরে এইটা দেবেন আমার অফিসে, আর আপনি নিয়ে ওইখানে (উপজেলা ভূমি অফিস) করে নেন।’
এই ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মানুষ পোস্ট করেন।
আরও খবর পড়ুন:

প্রকাশ্যে ঘুষ নেওয়া সেই ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নাছরীন সুলতানা সাময়িক বরখাস্ত ও তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চালু করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ত্রিশাল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।
এর আগে গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকার ফেসবুক পেজে এই কর্মকর্তা প্রকাশ্যে অফিসে বসে ঘুষ নিচ্ছেন—এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। আজকের পত্রিকার অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনেও এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
রিপোর্ট থেকে জানা যায়, অফিসে বসেই প্রকাশ্যে ঘুষ নিচ্ছিলেন ময়মনসিংহের ত্রিশালের কানিহারী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ নাছরীন সুলতানা। সম্প্রতি বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পেয়ে তাঁর অফিসে যান আজকের পত্রিকার এ প্রতিবেদক। এ সময় ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ধারণ করেন।
ভিডিওতে দেখা যায় নাছরীন সুলতানা তাঁর অফিসে নামজারি করতে আসা এক ব্যক্তির সঙ্গে টাকার বিনিময়ে কাজ করে দেওয়ার জন্য দর-কষাকষি করছেন। একপর্যায়ে হাসিমুখে টাকা হাতে নিতে নিতে তাঁকে বলতে শোনা যায়—‘আপনি তো আমার চাকরি খাবেন। সামনাসামনি যা করছেন!’
এক হাতে টাকা নিয়ে নাছরীন সুলতানা হাসিমুখে বলতে থাকেন—‘আমার চাকরিটা খাওয়ার জন্য আপনি লাগছেন! এই শোনেন, যেটা দেখাইছি ওইটা দিতে হবে, তাহলে আপনি কাজ পেয়ে যাবেন। ভাইঙ্গা ভাইঙ্গা টাকা দিলে এটা অয়না। তারপরও দিয়ে গেলেন! ওই ভাই সামনে ছিল, (পাশে বসে কথা বলতে থাকা এক ব্যক্তিকে দেখিয়ে) তাই আমি রাখলাম, নাইলে রাখতাম না। কিন্তু দেওয়া লাগব, ওইটা না দিলে আপনার খারিজ (নামজারি) হবে না।’
দুই দিন পরে বাকি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই ব্যক্তি দুটি নামজারির জন্য ১৭ হাজার টাকা দেবেন জানালে আবার ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘না এইত অইতনা, এইতা বাংলা আলাপ কইরেন না।’
নামজারি করতে আসা ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনে আরও দেখা যায়, ওই ভূমি কর্মকর্তা ইশারায় টাকার পরিমাণ বোঝানোর চেষ্টা করছেন। নামজারি করতে যে টাকা দাবি করছেন, সেটি ক্যালকুলেটরে লিখে ওই ব্যক্তিকে দেখান এবং বলেন—এটা লাগবে।
সম্পূর্ণ কথোপকথন থেকে জানা যায়, দুটি নামজারির জন্য ওই ব্যক্তি প্রথমে ১০ হাজার টাকা দিতে রাজি হলেও ভূমি কর্মকর্তা দাবি করছেন আরও বেশি। কথোপকথনের সময় পাশে বসে থাকা ব্যক্তিটিকে অতিরিক্ত টাকা দিয়েই নামজারি করার জন্য উৎসাহিত করতে দেখা যায়। এ সময় তিনি ‘ন্যায্য ও নির্ধারিত টাকায়, নিয়ম মেনে’ অফিসে কাজ করতে গেলে যে ভোগান্তির স্বীকার হতে হয়, তা বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন।
একই সময় সেবা নিতে আসা বেশ কয়েকজনকে যথেষ্ট গোপনীয়তা বজায় রাখতে দেখা যায়। ওই কর্মকর্তার কানে কানে কথা বলতেও দেখা যায় অনেককে।
কথোপকথনের একপর্যায়ে ভূমি কর্মকর্তা বলেন, ‘এইটা তো আমার অফিসের কাজ। আরে এইটা দেবেন আমার অফিসে, আর আপনি নিয়ে ওইখানে (উপজেলা ভূমি অফিস) করে নেন।’
এই ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এর আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মানুষ পোস্ট করেন।
আরও খবর পড়ুন:

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১৫ দিন আগে