অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের অভয়নগরে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন মাছ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের নাম সুব্রত মণ্ডল (৫০)। তিনি উপজেলার পায়রা ইউনিয়নের দামুখালী গ্রামের অনাথীর মণ্ডলের ছেলে। সুব্রত মণ্ডলের ঘের ও স্থানীয় বাজারে মাছের আড়ত রয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দামুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি চায়ের দোকানে সকাল ৮টার দিকে চা খাচ্ছিলেন সুব্রত। সেখানেই তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
প্রত্যক্ষদর্শী চা-দোকানদার শিলা মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল আনুমানিক ৮টার সময় মোটরসাইকেলে করে দুজন লোক চা খেতে আসে। আমি তাদের বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে তারা মনিরামপুর উপজেলার নেহালপুর থেকে এসেছে বলে জানায়। তারপর চা খেয়ে বাইরে চলে যায়। একটু পরে বিকট শব্দ শোনা যায়।’
শিলা মণ্ডল আরও বলেন, ‘তারপর আমি বাইরে এসে দেখি সুব্রত মণ্ডল মাটিতে পড়ে আছে। আর মোটরসাইকেলে করে ওই দুজন চলে গেছে। আমি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তাঁর বুকে, পিঠে ও মাথায় গুলি করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে সুব্রত মণ্ডলের বড় ছেলে নয়ন মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবা সকালে বাড়ি থেকে চা খেতে দোকানে যান। তারপর লোক মারফত জানতে পারি বাবাকে কারা গুলি করেছে। আমার বাবা খুলনার ফুলতলা বাজার বণিক সমিতির সদস্য রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি। দেড় মাস আগে জেল থেকে জামিনে বের হয়েছেন। আমি আমার বাবার খুনিদের বিচার চাই।’
এ ঘটনায় অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শামীম হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার সংবাদ পাওয়ামাত্র আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করতে পারব।’

যশোরের অভয়নগরে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন মাছ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের নাম সুব্রত মণ্ডল (৫০)। তিনি উপজেলার পায়রা ইউনিয়নের দামুখালী গ্রামের অনাথীর মণ্ডলের ছেলে। সুব্রত মণ্ডলের ঘের ও স্থানীয় বাজারে মাছের আড়ত রয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দামুখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি চায়ের দোকানে সকাল ৮টার দিকে চা খাচ্ছিলেন সুব্রত। সেখানেই তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
প্রত্যক্ষদর্শী চা-দোকানদার শিলা মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল আনুমানিক ৮টার সময় মোটরসাইকেলে করে দুজন লোক চা খেতে আসে। আমি তাদের বাড়ি কোথায় জানতে চাইলে তারা মনিরামপুর উপজেলার নেহালপুর থেকে এসেছে বলে জানায়। তারপর চা খেয়ে বাইরে চলে যায়। একটু পরে বিকট শব্দ শোনা যায়।’
শিলা মণ্ডল আরও বলেন, ‘তারপর আমি বাইরে এসে দেখি সুব্রত মণ্ডল মাটিতে পড়ে আছে। আর মোটরসাইকেলে করে ওই দুজন চলে গেছে। আমি চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। তাঁর বুকে, পিঠে ও মাথায় গুলি করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে সুব্রত মণ্ডলের বড় ছেলে নয়ন মণ্ডল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাবা সকালে বাড়ি থেকে চা খেতে দোকানে যান। তারপর লোক মারফত জানতে পারি বাবাকে কারা গুলি করেছে। আমার বাবা খুলনার ফুলতলা বাজার বণিক সমিতির সদস্য রাকিবুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি। দেড় মাস আগে জেল থেকে জামিনে বের হয়েছেন। আমি আমার বাবার খুনিদের বিচার চাই।’
এ ঘটনায় অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম শামীম হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘হত্যার সংবাদ পাওয়ামাত্র আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই প্রকৃত দোষীদের গ্রেপ্তার করতে পারব।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে