পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা ইউনিয়নে মাছের ঘেরে ডাকাতি করতে এসে দুই ভাইকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার রাতে ইউনিয়নের হরিণখোলা বিল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
গুলিতে জখম ব্যক্তিরা হলেন নগরঘাটা ইউনিয়নের হরিণখোলা গ্রামের ঘেরমালিক অলঙ্গ মণ্ডল (৫৮) ও তাঁর ভাই জগদীশ মণ্ডল (৫৪)। তাঁরা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া এই ঘটনায় দুর্বৃত্তদের মারধরে আহত হয়েছেন ঘেরের দুই কর্মচারী কাতলা মুন্ডা ও বিশ্বনাথ মণ্ডল।
দুই ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন পাটকেলঘাটা থানার উপপরিদর্শক জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সনাতন গোলদার বলেন, ‘বাড়ির পাশে বিলে দুই ভাইয়ের ১০০ বিঘার একটি মাছের ঘের রয়েছে। গতকাল রাত দেড়টার দিকে ঘেরে ৭-৮ জনের একটি দল ডাকাতি করতে আসে। ওই সময় ঘেরের দুই কর্মচারীকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে মালিককে আসতে বলে তারা। কথামতো কাজ না করায় কর্মচারীদের মারধর করতে থাকে। পরে ওই দুই কর্মচারীকে জোর করে ঘেরমালিকদের বাড়িতে নিয়ে এনে দুর্বৃত্তরা দুই ভাইকে গুলি করতে থাকে। এ সময় তাঁদের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে ঘটনাটি থানা-পুলিশকে জানিয়ে তাঁদের আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অলঙ্গ মণ্ডল জানান, গতকাল রাত দেড়টার দিকে বাড়িতে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে বাড়িতে হামলা করে। ওই সময় দুর্বৃত্তরা অস্ত্র দিয়ে তাঁদের ওপর গুলি করতে থাকে। এতে অলঙ্গ ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। একই সঙ্গে তাঁর ভাই জগদীশের দুই পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি গুলি লাগে। পরে তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা ইউনিয়নে মাছের ঘেরে ডাকাতি করতে এসে দুই ভাইকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল রোববার রাতে ইউনিয়নের হরিণখোলা বিল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
গুলিতে জখম ব্যক্তিরা হলেন নগরঘাটা ইউনিয়নের হরিণখোলা গ্রামের ঘেরমালিক অলঙ্গ মণ্ডল (৫৮) ও তাঁর ভাই জগদীশ মণ্ডল (৫৪)। তাঁরা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া এই ঘটনায় দুর্বৃত্তদের মারধরে আহত হয়েছেন ঘেরের দুই কর্মচারী কাতলা মুন্ডা ও বিশ্বনাথ মণ্ডল।
দুই ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন পাটকেলঘাটা থানার উপপরিদর্শক জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সনাতন গোলদার বলেন, ‘বাড়ির পাশে বিলে দুই ভাইয়ের ১০০ বিঘার একটি মাছের ঘের রয়েছে। গতকাল রাত দেড়টার দিকে ঘেরে ৭-৮ জনের একটি দল ডাকাতি করতে আসে। ওই সময় ঘেরের দুই কর্মচারীকে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে মালিককে আসতে বলে তারা। কথামতো কাজ না করায় কর্মচারীদের মারধর করতে থাকে। পরে ওই দুই কর্মচারীকে জোর করে ঘেরমালিকদের বাড়িতে নিয়ে এনে দুর্বৃত্তরা দুই ভাইকে গুলি করতে থাকে। এ সময় তাঁদের চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে ঘটনাটি থানা-পুলিশকে জানিয়ে তাঁদের আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।’
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অলঙ্গ মণ্ডল জানান, গতকাল রাত দেড়টার দিকে বাড়িতে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এসে বাড়িতে হামলা করে। ওই সময় দুর্বৃত্তরা অস্ত্র দিয়ে তাঁদের ওপর গুলি করতে থাকে। এতে অলঙ্গ ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। একই সঙ্গে তাঁর ভাই জগদীশের দুই পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি গুলি লাগে। পরে তাঁদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে