কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আমিরুল ইসলাম হত্যার চার দিন পার হলেও থানায় মামলা হয়নি। আজ শুক্রবার দুপুরে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন। রাতে মামলা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে, হত্যার ঘটনায় হামলা ও মামলার ভয়ে পাহাড়পুর গ্রামের অর্ধেক পরিবার পুরুষশূন্য হয়ে গেছে। অনেকেই সপরিবারে গ্রামছাড়া। পুরুষশূন্য পরিবারের নারীও হামলা ও ভাঙচুরের ভয়ে ঘরের আসবাবপত্র ও গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে অন্য গ্রামের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে নিরাপদে চলে যাচ্ছেন।
শুক্রবার সকালে পাহাড়পুরে গিয়ে দেখা যায়, সুনসান পরিবেশ। মোড়ে মোড়ে রয়েছে পুলিশের অবস্থান। মাঝে মাঝে টহল দিচ্ছে তারা। গ্রামের অর্ধেক অংশেই নেই পুরুষ। বেশ কিছু ঘরবাড়িতে কোনো সদস্যই নেই। কয়েকজন নারী ঘরের আসবাবপত্র ও গবাদিপশু নিয়ে চলে যাচ্ছেন অন্য গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে।
এ সময় নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন নারী বলেন, ‘এলাকায় খুন হয়েছে। হামলা ও মামলার ভয়ে পুরুষেরা পালিয়েছেন। আমরাও জান ও মালের নিরাপত্তার জন্য আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যাচ্ছি। পরিবেশ ঠিক হলে আবার ফিরে আসব।’
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার, সমাজপতিদের দলাদলি ও উসকানিতে ২০২০ সালের ৩১ মার্চ ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নেহেদ আলী (৬৫) ও বকুল আলী (৫৫) নামের আপন দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনার পরদিন নিহত নেহেদ আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১ এপ্রিল ২৮ জনকে আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তারের ভয়ে আসামিরা। সেই সঙ্গে প্রাণভয়ে পালিয়ে যায় অর্ধশতাধিক পরিবার। ওই ঘটনার জেরে গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমিরুল ইসলামকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
নিহতের স্ত্রী জহুরা খাতুন বলেন, ‘খুনের বদলা নিতে প্রতিপক্ষরা বাড়িতে এসে আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। থানায় মামলা করব। আমি এ হত্যার বিচার চাই।’

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আমিরুল ইসলাম হত্যার চার দিন পার হলেও থানায় মামলা হয়নি। আজ শুক্রবার দুপুরে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মামলা প্রক্রিয়াধীন। রাতে মামলা হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে, হত্যার ঘটনায় হামলা ও মামলার ভয়ে পাহাড়পুর গ্রামের অর্ধেক পরিবার পুরুষশূন্য হয়ে গেছে। অনেকেই সপরিবারে গ্রামছাড়া। পুরুষশূন্য পরিবারের নারীও হামলা ও ভাঙচুরের ভয়ে ঘরের আসবাবপত্র ও গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে অন্য গ্রামের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে নিরাপদে চলে যাচ্ছেন।
শুক্রবার সকালে পাহাড়পুরে গিয়ে দেখা যায়, সুনসান পরিবেশ। মোড়ে মোড়ে রয়েছে পুলিশের অবস্থান। মাঝে মাঝে টহল দিচ্ছে তারা। গ্রামের অর্ধেক অংশেই নেই পুরুষ। বেশ কিছু ঘরবাড়িতে কোনো সদস্যই নেই। কয়েকজন নারী ঘরের আসবাবপত্র ও গবাদিপশু নিয়ে চলে যাচ্ছেন অন্য গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে।
এ সময় নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন নারী বলেন, ‘এলাকায় খুন হয়েছে। হামলা ও মামলার ভয়ে পুরুষেরা পালিয়েছেন। আমরাও জান ও মালের নিরাপত্তার জন্য আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যাচ্ছি। পরিবেশ ঠিক হলে আবার ফিরে আসব।’
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তার, সমাজপতিদের দলাদলি ও উসকানিতে ২০২০ সালের ৩১ মার্চ ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে নেহেদ আলী (৬৫) ও বকুল আলী (৫৫) নামের আপন দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনার পরদিন নিহত নেহেদ আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১ এপ্রিল ২৮ জনকে আসামি করে কুমারখালী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তারের ভয়ে আসামিরা। সেই সঙ্গে প্রাণভয়ে পালিয়ে যায় অর্ধশতাধিক পরিবার। ওই ঘটনার জেরে গত মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিপক্ষের লোকজন আমিরুল ইসলামকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
নিহতের স্ত্রী জহুরা খাতুন বলেন, ‘খুনের বদলা নিতে প্রতিপক্ষরা বাড়িতে এসে আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। থানায় মামলা করব। আমি এ হত্যার বিচার চাই।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে