আজকের পত্রিকা ডেস্ক

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন মোড় এনে দিয়েছে অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের সিনেমা ‘জন ন্যায়াগন’ ঘিরে চলা বিতর্কে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর জোরালো সমর্থন। তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশনের (সিবিএফসি) মাধ্যমে ‘জন ন্যায়াগনের’ মুক্তি বিলম্বিত করার চেষ্টা তামিল সংস্কৃতির ওপর আঘাত। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তামিল জনগণের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে পারবেন না।
এই বক্তব্য বিজেপি ও আরএসএসের চাপের মুখে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে—রাহুল গান্ধীর এই বৃহত্তর রাজনৈতিক বয়ানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। টুইটটির সময়ও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। ভিয়েতনাম সফর থেকে ফেরার পর প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচি হিসেবে তিনি যেদিন পঙ্গলের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নীলগিরির গুডালুরে ছিলেন, ঠিক সেদিনই এই বার্তা দেন রাহুল। ফলে বার্তাটির মধ্যে রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক প্রতীকও জুড়ে যায়।
‘জন ন্যায়াগন’ ইস্যুটি এখন আর শুধু সিনেমাসংক্রান্ত বিতর্কে সীমাবদ্ধ নেই। ছবিটি সার্টিফিকেশনসংক্রান্ত জটিলতা, আইনি নজরদারি এবং বিষয়বস্তু নিয়ে ওঠা আপত্তি ও বিরোধের কারণে দেরিতে ছাড়পত্র পেয়েছে। বিষয়টি আদালতে শুনানি, নির্মাতা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়ে একপ্রকার রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
এর আগে কংগ্রেস নেতারা প্রকাশ্যে নির্মাতাদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, সৃজনশীল স্বাধীনতা খর্ব করা উচিত নয়। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনও এই নীতির সমর্থনে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রকে অন্যায্যভাবে লক্ষ্যবস্তু করা ঠিক নয়’ এবং তিনি রাজনৈতিক চাপের ফলে শিল্পীসত্তার পরিসর সংকুচিত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটেই রাহুল গান্ধীর হস্তক্ষেপ আরও বেশি রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করছে।
কংগ্রেসের অন্দরমহলে রাহুলের এই পোস্টের পর তামিলনাড়ু নিয়ে নতুন করে কৌশলগত আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশ মনে করছে, টিভিকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত। তাঁদের মতে, বিশেষ করে তরুণ ও প্রথমবার ভোটারদের মধ্যে বিজয়ের জনপ্রিয়তা কংগ্রেসকে নতুন রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিতে পারে। দলের ভেতরে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় ইঙ্গিত মিলেছে, বিজয় ও রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে যৌথ প্রচার মানুষের সঙ্গে শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করতে পারে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ বদলে দিতে সক্ষম হতে পারে।
তবে কংগ্রেসের সবাই এই মতের সঙ্গে একমত নন। অনেক জ্যেষ্ঠ নেতাই মনে করেন, দলের দীর্ঘদিনের মিত্র ডিএমকের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখা উচিত। তাঁদের যুক্তি, এই জোট বছরের পর বছর ধরে স্থিতিশীলতা, প্রাসঙ্গিকতা ও রাজনৈতিক লাভ এনে দিয়েছে। তাঁদের মতে, নতুন কোনো ফর্মুলা যতই আকর্ষণীয় মনে হোক না কেন, তাতে ঝুঁকিও রয়েছে। তাই জোট ছাড়ার বদলে বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে ডিএমকের সঙ্গে দর–কষাকষির মাধ্যমে আরও বেশি রাজনৈতিক পরিসর ও শক্ত ভূমিকা আদায় করা উচিত।
কংগ্রেস ও ডিএমকের সম্পর্ক দীর্ঘ এবং কখনো কখনো জটিল হলেও মোটের ওপর তা স্থিতিশীলই থেকেছে। তবে জয়ললিতা ও এম করুণানিধির প্রয়াণের পর তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে নতুন রাজনৈতিক শক্তির জন্য জায়গা তৈরি হয়েছে। বিজয়কে এমনই এক সম্ভাব্য নতুন শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যিনি তারকাখ্যাতি ও রাজনৈতিক বার্তার মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন। তাঁর ক্রমবর্ধমান সক্রিয়তা তাঁকে অনিশ্চিত হলেও গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রে পরিণত করেছে।
আগামী কয়েক সপ্তাহে জনমত, জোটের পছন্দ ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার জন্য কংগ্রেস একটি বিস্তারিত সমীক্ষা চালাতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সেই সমীক্ষার ফলই দলের চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তখনই স্পষ্ট হবে—রাহুল গান্ধীর এই টুইট কি শুধুই রাজনৈতিক ও আইনি চাপের মুখে পড়া এক জনপ্রিয় অভিনেতার প্রতি সমর্থন, না তামিলনাড়ুতে কংগ্রেসের কৌশল বদলের প্রথম ইঙ্গিত!

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন মোড় এনে দিয়েছে অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের সিনেমা ‘জন ন্যায়াগন’ ঘিরে চলা বিতর্কে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর জোরালো সমর্থন। তাঁর এই মন্তব্য শুধু সংবেদনশীল সময়ে বিজয়ের পাশে দাঁড়ানোই নয়, একই সঙ্গে জল্পনা আরও জোরদার করেছে যে—রাজ্যে ক্ষমতাসীন দ্রাবিড়া মুন্নেত্রা কাজাগামের (ডিএমকে) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেও কংগ্রেস হয়তো বিজয়ের দল তামিলগা ভেত্রি কড়গম বা টিভিকের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার পথ খোলা রাখছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশনের (সিবিএফসি) মাধ্যমে ‘জন ন্যায়াগনের’ মুক্তি বিলম্বিত করার চেষ্টা তামিল সংস্কৃতির ওপর আঘাত। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তামিল জনগণের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে পারবেন না।
এই বক্তব্য বিজেপি ও আরএসএসের চাপের মুখে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে—রাহুল গান্ধীর এই বৃহত্তর রাজনৈতিক বয়ানের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। টুইটটির সময়ও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। ভিয়েতনাম সফর থেকে ফেরার পর প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচি হিসেবে তিনি যেদিন পঙ্গলের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নীলগিরির গুডালুরে ছিলেন, ঠিক সেদিনই এই বার্তা দেন রাহুল। ফলে বার্তাটির মধ্যে রাজনৈতিক গুরুত্বের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক প্রতীকও জুড়ে যায়।
‘জন ন্যায়াগন’ ইস্যুটি এখন আর শুধু সিনেমাসংক্রান্ত বিতর্কে সীমাবদ্ধ নেই। ছবিটি সার্টিফিকেশনসংক্রান্ত জটিলতা, আইনি নজরদারি এবং বিষয়বস্তু নিয়ে ওঠা আপত্তি ও বিরোধের কারণে দেরিতে ছাড়পত্র পেয়েছে। বিষয়টি আদালতে শুনানি, নির্মাতা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গিয়ে একপ্রকার রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
এর আগে কংগ্রেস নেতারা প্রকাশ্যে নির্মাতাদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, সৃজনশীল স্বাধীনতা খর্ব করা উচিত নয়। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনও এই নীতির সমর্থনে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রকে অন্যায্যভাবে লক্ষ্যবস্তু করা ঠিক নয়’ এবং তিনি রাজনৈতিক চাপের ফলে শিল্পীসত্তার পরিসর সংকুচিত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটেই রাহুল গান্ধীর হস্তক্ষেপ আরও বেশি রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করছে।
কংগ্রেসের অন্দরমহলে রাহুলের এই পোস্টের পর তামিলনাড়ু নিয়ে নতুন করে কৌশলগত আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশ মনে করছে, টিভিকের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত। তাঁদের মতে, বিশেষ করে তরুণ ও প্রথমবার ভোটারদের মধ্যে বিজয়ের জনপ্রিয়তা কংগ্রেসকে নতুন রাজনৈতিক সুবিধা এনে দিতে পারে। দলের ভেতরে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় ইঙ্গিত মিলেছে, বিজয় ও রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে যৌথ প্রচার মানুষের সঙ্গে শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করতে পারে এবং রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ বদলে দিতে সক্ষম হতে পারে।
তবে কংগ্রেসের সবাই এই মতের সঙ্গে একমত নন। অনেক জ্যেষ্ঠ নেতাই মনে করেন, দলের দীর্ঘদিনের মিত্র ডিএমকের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখা উচিত। তাঁদের যুক্তি, এই জোট বছরের পর বছর ধরে স্থিতিশীলতা, প্রাসঙ্গিকতা ও রাজনৈতিক লাভ এনে দিয়েছে। তাঁদের মতে, নতুন কোনো ফর্মুলা যতই আকর্ষণীয় মনে হোক না কেন, তাতে ঝুঁকিও রয়েছে। তাই জোট ছাড়ার বদলে বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে ডিএমকের সঙ্গে দর–কষাকষির মাধ্যমে আরও বেশি রাজনৈতিক পরিসর ও শক্ত ভূমিকা আদায় করা উচিত।
কংগ্রেস ও ডিএমকের সম্পর্ক দীর্ঘ এবং কখনো কখনো জটিল হলেও মোটের ওপর তা স্থিতিশীলই থেকেছে। তবে জয়ললিতা ও এম করুণানিধির প্রয়াণের পর তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে নতুন রাজনৈতিক শক্তির জন্য জায়গা তৈরি হয়েছে। বিজয়কে এমনই এক সম্ভাব্য নতুন শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যিনি তারকাখ্যাতি ও রাজনৈতিক বার্তার মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন। তাঁর ক্রমবর্ধমান সক্রিয়তা তাঁকে অনিশ্চিত হলেও গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রে পরিণত করেছে।
আগামী কয়েক সপ্তাহে জনমত, জোটের পছন্দ ও মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝার জন্য কংগ্রেস একটি বিস্তারিত সমীক্ষা চালাতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সেই সমীক্ষার ফলই দলের চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তখনই স্পষ্ট হবে—রাহুল গান্ধীর এই টুইট কি শুধুই রাজনৈতিক ও আইনি চাপের মুখে পড়া এক জনপ্রিয় অভিনেতার প্রতি সমর্থন, না তামিলনাড়ুতে কংগ্রেসের কৌশল বদলের প্রথম ইঙ্গিত!

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে