
ভারতের কেরালা রাজ্যে খ্রিষ্টানদের এক প্রার্থনাসভায় বিস্ফোরণে দুই নারী নিহত এবং ৪৫ জন আহত হয়েছেন। প্রার্থনাসভা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় মধ্যবয়সী এক খ্রিষ্টান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি কোচি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে কালামাসেরির কেন্দ্রে ‘জিহোবার সাক্ষী’ নামে এক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সমাবেশে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা পর ৪৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছেন। ডমিনিক মার্টিন নামে ওই ব্যক্তি দাবি করেছেন, তিনি একই সম্প্রদায়ের লোক।
আজ রোববারের ওই সভায় প্রায় ২ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। কনভেনশন সেন্টারে উপস্থিত লোকজন সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রথম বিস্ফোরণটি একটি জমায়েতের মাঝখানে ঘটে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি টিফিন বক্সের মধ্যে বিস্ফোরক রাখা ছিল।
কালামাসেরির সংসদ সদস্য হিবি ইডেন বলেন, জমায়েতের কেন্দ্রস্থলে প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে। সেখানে সম্ভাব্য যে কোনো পরিস্থিতিতে মানুষদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি গ্রুপ প্রস্তুত ছিল। তাঁরা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তবে সেখানে প্রচুর ধোঁয়া থাকার কারণে অনেকে পদদলিত হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত ৪৫ জনকে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১৮ জনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। বিস্ফোরণে আহত পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বিস্ফোরণকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ অভিহিত করে বলেছেন, পরিস্থিতিটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। রাজ্যের সমস্ত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা বিস্ফোরণস্থলে গেছেন।
সরকার জানিয়েছে, জাতীয় তদন্ত সংস্থা ঘটনাটি তদন্ত করবে। এই সংস্থা সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ড বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। সংস্থার ফরেনসিক দল এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করছে।

ভারতের কেরালা রাজ্যে খ্রিষ্টানদের এক প্রার্থনাসভায় বিস্ফোরণে দুই নারী নিহত এবং ৪৫ জন আহত হয়েছেন। প্রার্থনাসভা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় মধ্যবয়সী এক খ্রিষ্টান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘটনাটি কোচি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে কালামাসেরির কেন্দ্রে ‘জিহোবার সাক্ষী’ নামে এক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সমাবেশে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা পর ৪৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছেন। ডমিনিক মার্টিন নামে ওই ব্যক্তি দাবি করেছেন, তিনি একই সম্প্রদায়ের লোক।
আজ রোববারের ওই সভায় প্রায় ২ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। কনভেনশন সেন্টারে উপস্থিত লোকজন সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রথম বিস্ফোরণটি একটি জমায়েতের মাঝখানে ঘটে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি টিফিন বক্সের মধ্যে বিস্ফোরক রাখা ছিল।
কালামাসেরির সংসদ সদস্য হিবি ইডেন বলেন, জমায়েতের কেন্দ্রস্থলে প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটে। সেখানে সম্ভাব্য যে কোনো পরিস্থিতিতে মানুষদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি গ্রুপ প্রস্তুত ছিল। তাঁরা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তবে সেখানে প্রচুর ধোঁয়া থাকার কারণে অনেকে পদদলিত হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আহত ৪৫ জনকে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ১৮ জনকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। বিস্ফোরণে আহত পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন বিস্ফোরণকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ অভিহিত করে বলেছেন, পরিস্থিতিটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। রাজ্যের সমস্ত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা বিস্ফোরণস্থলে গেছেন।
সরকার জানিয়েছে, জাতীয় তদন্ত সংস্থা ঘটনাটি তদন্ত করবে। এই সংস্থা সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ড বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। সংস্থার ফরেনসিক দল এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ দিন আগে