
যাজকদের উদ্দেশে দেওয়া ওই ভাষণে পোপ কোনো নির্দিষ্ট নেতা বা যুদ্ধের নাম উল্লেখ করেননি। তিনি শুধু বলেন, ‘সশস্ত্র সংঘাতের জন্য যাদের ওপর গুরুতর দায়িত্ব বর্তায়, সেই খ্রিষ্টানদের কি নিজের বিবেক পরীক্ষা করার এবং কনফেশনে যাওয়ার মতো আত্মবিশ্বাস ও সাহস আছে?’

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ডাররা ইরান যুদ্ধে অংশগ্রহণের ন্যায্যতা দেখানোর জন্য তথাকথিত ‘শেষ যুগ’ সম্পর্কিত উগ্র খ্রিষ্টধর্মীয় বক্তব্য ব্যবহার করছেন। সোজা কথায়, একটি ধর্মযুদ্ধের আবহ তৈরির চেষ্টা করছেন মার্কিন কর্তারা। একটি ওয়াচডগ গ্রুপের কাছে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে।

২০১৯ সালের জুন মাসে এপস্টেইনকে পাঠানো এক বার্তায় ব্যানন লিখেছিলেন, ‘পোপ ফ্রান্সিসকে আমরা নিচে নামিয়ে আনব (Will take down)।’ ওই বার্তায় তিনি হিলারি ক্লিনটন, চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে পোপকেও নিজের অন্যতম শত্রু হিসেবে তালিকাভুক্ত করেন। এপস্টেইনকে ‘ভাই’ সম্বোধন....

পার্থক্যটি জন্ম তারিখ নিয়ে নয়, ক্যালেন্ডার নিয়ে। বড়দিনের এই তারিখের পার্থক্যের কারণ কোনো ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতা নয়, বরং এটি একটি গাণিতিক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানগত বিষয়। এর মূলে রয়েছে দুটি ক্যালেন্ডার—জুলিয়ান ও গ্রেগরিয়ান।