উত্তরা (ঢাকা) প্রতিনিধি

জামালপুরে হিজড়াদের একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন মীর হারুন ওরফে পিংকি (৩৫)। এরপর মরদেহ গোপনে দাফন করা হয়। ঘটনার ১০ বছর পর রাজধানীর তুরাগে কবর থেকে তোলা হলো তাঁর মরদেহ।
তুরাগের রাজাবাড়ী কবরস্থান থেকে মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে মরদেহ উত্তোলনের কাজ শুরু হয়। দুপুর দেড়টার দিকে মরদেহের অংশবিশেষ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ সময় জামালপুর জেলা জজের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (সহকারী কমিশনার ভূমি) কাউছার হামিদ, জামালপুরের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এসআই এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহির উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন। এতে তুরাগ থানার পুলিশের এসআই আবুল খায়েরের নেতৃত্বে একটি টিম সহযোগিতা করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এসআই মহির উদ্দিন খান বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তৃতীয় লিঙ্গের পিংকি হিজড়ার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। মরদেহের অংশবিশেষের ডিএনএ সংগ্রহ করে সিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। পরে রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হবে।’
২০১২ সালে ৮ মার্চ রাতে তুরাগের রাজাবাড়ী পুকুরপাড়ে পিংকির মরদেহ পাওয়া যায় বলে প্রচার করা হয়। এরপর রাজাবাড়ী এলাকার ওই কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পিংকি হিজড়ার বোন শাহনাজ বেগম জামালপুর জেলা জজ আদালতে গত ৩০ মে বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে এনে মামলা করেন। মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তরার আপন হিজড়া ও কপি হিজড়া দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। দ্বন্দ্ব মীমাংসার জন্য ২০১২ সালের ৭ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে জামালপুর জেলার ইসলামপুরের বটচরে হিজড়া সম্প্রদায়ের গুরু হায়দার হিজড়ার গ্রামের বাড়িতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে এলাকা ভাগাভাগি নিয়ে তর্ক শুরু হয়। ওই সময় পিংকি হিজড়া স্বপ্না ও কচি হিজড়াদের পক্ষ নেন। পরে আপন আক্তার ওরফে সোহেল ওরফে আপন হিজড়া, ঝুমা ওরফে সবুজ হিজড়া, আব্বাস উদ্দিন আশিক, সজীব ওরফে সোনালী হিজড়া, রিফাত আলী শিকদার ওরফে শ্যামা হিজড়া, সোহাগ ওরফে সোনালো হিজড়া এবং শান্ত আক্তার ওরফে শান্ত হিজড়া পিংকিকে বেধড়ক মারধর করে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেন। পিংকির সঙ্গী কচি হিজড়া ও তাঁর গ্রুপ প্রাণভয়ে পালিয়ে যায়। পরে আসামিরা মরদেহটি রাজধানীর তুরাগে এনে দাফন করে।
এ বিষয়ে হিজড়া সম্প্রদায়ের গুরু ও মামলার ১ নম্বর আসামি আপন আক্তার ওরফে সোহেল ওরফে আপন হিজড়ার স্বামী আব্বাস উদ্দিন আশিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পিংকি হিজড়া তুরাগের রাজাবাড়ী পুকুরপাড় এলাকায় মারা গেছে। তখন এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। তখন আপনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল না। তার দেড় বছর পর আপনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হইছে। আমি আসার পর জানলাম কচি হিজড়া ওরে শরবতের লগে বিষ খাওয়াইয়া মারছে।’

জামালপুরে হিজড়াদের একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন মীর হারুন ওরফে পিংকি (৩৫)। এরপর মরদেহ গোপনে দাফন করা হয়। ঘটনার ১০ বছর পর রাজধানীর তুরাগে কবর থেকে তোলা হলো তাঁর মরদেহ।
তুরাগের রাজাবাড়ী কবরস্থান থেকে মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে মরদেহ উত্তোলনের কাজ শুরু হয়। দুপুর দেড়টার দিকে মরদেহের অংশবিশেষ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ সময় জামালপুর জেলা জজের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (সহকারী কমিশনার ভূমি) কাউছার হামিদ, জামালপুরের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এসআই এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহির উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন। এতে তুরাগ থানার পুলিশের এসআই আবুল খায়েরের নেতৃত্বে একটি টিম সহযোগিতা করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এসআই মহির উদ্দিন খান বলেন, ‘আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তৃতীয় লিঙ্গের পিংকি হিজড়ার মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। মরদেহের অংশবিশেষের ডিএনএ সংগ্রহ করে সিআইডি ল্যাবে পরীক্ষা করা হবে। পরে রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হবে।’
২০১২ সালে ৮ মার্চ রাতে তুরাগের রাজাবাড়ী পুকুরপাড়ে পিংকির মরদেহ পাওয়া যায় বলে প্রচার করা হয়। এরপর রাজাবাড়ী এলাকার ওই কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পিংকি হিজড়ার বোন শাহনাজ বেগম জামালপুর জেলা জজ আদালতে গত ৩০ মে বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে এনে মামলা করেন। মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তরার আপন হিজড়া ও কপি হিজড়া দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। দ্বন্দ্ব মীমাংসার জন্য ২০১২ সালের ৭ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে জামালপুর জেলার ইসলামপুরের বটচরে হিজড়া সম্প্রদায়ের গুরু হায়দার হিজড়ার গ্রামের বাড়িতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে এলাকা ভাগাভাগি নিয়ে তর্ক শুরু হয়। ওই সময় পিংকি হিজড়া স্বপ্না ও কচি হিজড়াদের পক্ষ নেন। পরে আপন আক্তার ওরফে সোহেল ওরফে আপন হিজড়া, ঝুমা ওরফে সবুজ হিজড়া, আব্বাস উদ্দিন আশিক, সজীব ওরফে সোনালী হিজড়া, রিফাত আলী শিকদার ওরফে শ্যামা হিজড়া, সোহাগ ওরফে সোনালো হিজড়া এবং শান্ত আক্তার ওরফে শান্ত হিজড়া পিংকিকে বেধড়ক মারধর করে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেন। পিংকির সঙ্গী কচি হিজড়া ও তাঁর গ্রুপ প্রাণভয়ে পালিয়ে যায়। পরে আসামিরা মরদেহটি রাজধানীর তুরাগে এনে দাফন করে।
এ বিষয়ে হিজড়া সম্প্রদায়ের গুরু ও মামলার ১ নম্বর আসামি আপন আক্তার ওরফে সোহেল ওরফে আপন হিজড়ার স্বামী আব্বাস উদ্দিন আশিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পিংকি হিজড়া তুরাগের রাজাবাড়ী পুকুরপাড় এলাকায় মারা গেছে। তখন এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না। তখন আপনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল না। তার দেড় বছর পর আপনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হইছে। আমি আসার পর জানলাম কচি হিজড়া ওরে শরবতের লগে বিষ খাওয়াইয়া মারছে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে