ঢামেক প্রতিনিধি

রাজধানীর ডেমরা থানার কামারভোগ এলাকায় ছুরিকাঘাতে সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে এক ড্রামট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। গত রাত ৩টার দিকে কামারভোগ ৪ নম্বর গেট এলাকায় হাসু কমিশনারের বাড়ির সামনের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। রক্তাক্ত অবস্থায় সাইফুল ইসলামকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোর ৬টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মামা মোস্তাক আহমেদ বলেন, সাইফুল তাঁর স্ত্রী মানসুরা আক্তার অর্পা ও দুই বছরের এক মেয়েকে নিয়ে ডেমরার মেহেন্দিপুর উত্তরপাড়ায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। তাঁর বাবার নাম ফজলুল হক। সাইফুল তাঁর নিজের ড্রামট্রাক চালাতেন।
মোস্তাক অভিযোগ করে বলেন, ‘কামারভোগ ৪ নম্বর গেট এলাকায় প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। আমাদের ধারণা, ছিনতাইকারীরা সাইফুলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে।’
সাইফুলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অপর এক ট্রাকচালক নাইম মোল্লা বলেন, ‘রাতে তাঁরা সারুলিয়া থেকে ট্রাকে করে বালু নিয়ে কামারভোগ ৪ নম্বর গেটে ফেলছিলেন। রাত ৩টার দিকে সাইফুল প্রথমে তাঁর ট্রাকে করে বালু নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর একই জায়গায় হান্নান নামে আরেক ট্রাকচালক বালু নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে রাস্তার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় সাইফুলকে পড়ে থাকতে দেখেন। তখন পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কে বা কারা তাঁকে ছুরিকাঘাত করেছে, সে বিষয়ে কিছু জানতে পারি নাই।’
এ বিষয়ে ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারেস মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় সাইফুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর পেটের নিচে ছুরিকাঘাত রয়েছে। তবে কী কারণে, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। আসামি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।’

রাজধানীর ডেমরা থানার কামারভোগ এলাকায় ছুরিকাঘাতে সাইফুল ইসলাম (৩০) নামে এক ড্রামট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। গত রাত ৩টার দিকে কামারভোগ ৪ নম্বর গেট এলাকায় হাসু কমিশনারের বাড়ির সামনের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। রক্তাক্ত অবস্থায় সাইফুল ইসলামকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসে পুলিশ। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোর ৬টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মামা মোস্তাক আহমেদ বলেন, সাইফুল তাঁর স্ত্রী মানসুরা আক্তার অর্পা ও দুই বছরের এক মেয়েকে নিয়ে ডেমরার মেহেন্দিপুর উত্তরপাড়ায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। তাঁর বাবার নাম ফজলুল হক। সাইফুল তাঁর নিজের ড্রামট্রাক চালাতেন।
মোস্তাক অভিযোগ করে বলেন, ‘কামারভোগ ৪ নম্বর গেট এলাকায় প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। আমাদের ধারণা, ছিনতাইকারীরা সাইফুলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে।’
সাইফুলকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অপর এক ট্রাকচালক নাইম মোল্লা বলেন, ‘রাতে তাঁরা সারুলিয়া থেকে ট্রাকে করে বালু নিয়ে কামারভোগ ৪ নম্বর গেটে ফেলছিলেন। রাত ৩টার দিকে সাইফুল প্রথমে তাঁর ট্রাকে করে বালু নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর একই জায়গায় হান্নান নামে আরেক ট্রাকচালক বালু নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে রাস্তার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় সাইফুলকে পড়ে থাকতে দেখেন। তখন পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কে বা কারা তাঁকে ছুরিকাঘাত করেছে, সে বিষয়ে কিছু জানতে পারি নাই।’
এ বিষয়ে ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারেস মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় সাইফুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর পেটের নিচে ছুরিকাঘাত রয়েছে। তবে কী কারণে, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানা যায়নি। এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। আসামি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।’

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে