
‘আমার পোলারে পুলিশ গুলি কইরা মারছে। কে কে মারছে তারে আমি চিনি। আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে গেছি। কিন্তু কেউ আমার পোলা হত্যার বিচার করে না।’ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ইমাম হাসান তাইম হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের সময় একথা বলেন পুলিশের উপপরির্দশক (এসআই) মো. ময়নাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন আক্তার।
পুলিশের এসআই মো. ময়নাল হোসেন ও পারভীন আক্তার দম্পতির সন্তান ইমাম হাসান তাইম। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী নগর এমডব্লিউ কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল ইমাম হাসান তাইম (১৯)।
গত ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন ইমাম হাসান তাইম । এ ঘটনায় ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়েছে।
গত ২০ আগস্ট ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহাম্মদের আদালতে ওই শিক্ষার্থীর মা পারভীন আক্তার এ মামলা করেন।
পারভীন আক্তার বলেন, ‘আমার পোলার হাতে তো গুলি ছিল না। তারপরেও কিল্লিগা আমার পোলারে পুলিশে এমনে মারল। আমিও তো পুলিশ পরিবারের লোক। আর হেই পুলিশ আমার কলিজার পোলাডারে মারল।’
নিহত ইমাম হাসানের ভাই রবিউল বলেন, মামলা নেওয়ার পর থেকে পুলিশ শুধু আমাদের থেকে সময় নিচ্ছে। যার কাছে যাই সে ২৪ ঘণ্টা ৪৮ ঘণ্টা করে সময় নেয়। কিন্তু কেউ বিচার করে না। আজ ২৩ দিন পার হয়ে গেলেও তারা আমাদের ভাই হত্যার কাউকে ধরতে পারল না। তাই আজ আমার ভাইয়ের সহপাঠিরা সড়কে নামেছে বিচারের দাবিতে। তার ভাই হত্যার বিচারের দাবিতে। আমরা চাই ভাইয়ের খুনির দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওয়াতায় আনার।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আবু নাইম বলেন, ‘বেলা ১১টা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মৌচাক এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা ইমাম হত্যা মামলার দ্রুত বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন। এতে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আমরা তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে ফিরিয়ে এনেছি। এখন সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন জানিয়েছেন, ‘বর্তমানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে যার যার বাড়িতে ফেরানো হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীতার অভিযোগে ১ হাজার ৯৫৮ জন, অবৈধ অস্ত্রধারী ৩৩১ জন, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ী ১৩ হাজার ২০ জন, ছিনতাইকারী ও দস্যুতা মামলার আসামি ২ হাজার ২১১ জন এবং চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ৮০৮ জন রয়েছেন...
১০ জুন ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬ মে ২০২৬
খুলনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ বাহিনীর সদস্য সন্দেহে রাসেল (২৯) নামের এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। নগরীর লবণচরা থানার সাচিবুনিয়া রেললাইনের নির্জন একটি স্থানে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। আহত যুবক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
২৬ মে ২০২৬
অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে প্রতারণামূলকভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে তা পাচার করার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬ চীনা নাগরিকসহ আটজনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ রিমান্ডে নেওয়ার এ আদেশ দেন।
১৪ মে ২০২৬