নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের তিন দিন পর মো. ওয়াসিম আহমেদ মুকছানের (৪০) সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। তবে কোনো বাহিনী নয়, বরং মাদকাসক্তির কারণে পরিবারের সদস্যরাই তাঁকে গোপনে একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করেছিলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার কদমতলী থানাধীন মেরাজনগর এলাকার একটি নিরাময় কেন্দ্র থেকে তাঁকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গত শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে কদমতলীর রাজাবাড়ী আলী বহর এলাকার বাসা থেকে ৫-৬ জন ব্যক্তি নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ওয়াসিমকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পা। ওই দিনই তিনি কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জিডির পর কদমতলী থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে যে, নিখোঁজ ওয়াসিম কোনো বাহিনীর হাতে নয়, বরং একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে রয়েছেন।
তদন্তের বরাত দিয়ে পুলিশ দাবি করেছে, ওয়াসিম ও তাঁর স্ত্রী পরিবার থেকে আলাদা ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওয়াসিমের দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তির কারণে তাঁর পরিবার অতিষ্ঠ ছিল। ফলে তাঁর পরিবারের সম্মতিক্রমে ছোট ভাই রাকিব তাঁকে স্ত্রীর অগোচরেই ওই দিন ভোরে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করান। ভোরে মাদকাসক্ত রোগীদের নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া সহজ হয় বলেই তাঁরা এই সময়টি বেছে নিয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দেওয়ার কোনো সত্যতা পুলিশ পায়নি।
উদ্ধারের পর মঙ্গলবার বিকেলেই ওয়াসিমকে তাঁর স্ত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের তিন দিন পর মো. ওয়াসিম আহমেদ মুকছানের (৪০) সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। তবে কোনো বাহিনী নয়, বরং মাদকাসক্তির কারণে পরিবারের সদস্যরাই তাঁকে গোপনে একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করেছিলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার কদমতলী থানাধীন মেরাজনগর এলাকার একটি নিরাময় কেন্দ্র থেকে তাঁকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
গত শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে কদমতলীর রাজাবাড়ী আলী বহর এলাকার বাসা থেকে ৫-৬ জন ব্যক্তি নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ওয়াসিমকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পা। ওই দিনই তিনি কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জিডির পর কদমতলী থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে যে, নিখোঁজ ওয়াসিম কোনো বাহিনীর হাতে নয়, বরং একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে রয়েছেন।
তদন্তের বরাত দিয়ে পুলিশ দাবি করেছে, ওয়াসিম ও তাঁর স্ত্রী পরিবার থেকে আলাদা ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওয়াসিমের দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তির কারণে তাঁর পরিবার অতিষ্ঠ ছিল। ফলে তাঁর পরিবারের সম্মতিক্রমে ছোট ভাই রাকিব তাঁকে স্ত্রীর অগোচরেই ওই দিন ভোরে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করান। ভোরে মাদকাসক্ত রোগীদের নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া সহজ হয় বলেই তাঁরা এই সময়টি বেছে নিয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দেওয়ার কোনো সত্যতা পুলিশ পায়নি।
উদ্ধারের পর মঙ্গলবার বিকেলেই ওয়াসিমকে তাঁর স্ত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৫ দিন আগে