সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় বন্ধুর বিয়েতে যাওয়ার পথে সাভারের আশুলিয়ায় নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে ভাড়া শেয়ারে একটি প্রাইভেট কারে ওঠেন ঢাকা কলেজের ছাত্র নেহাল আরেফিন শোভন (২৪)। কিছুদূর যেতেই কারের অন্য যাত্রীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে প্রায় ৩ লাখ টাকা লুটে নেয়। এই ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আশুলিয়া থানা-পুলিশ।
আজ শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শেরপুরের বাকেরগঞ্জ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ১১ মে রাতে আশুলিয়ায় ওই ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন শেরপুরের বাকেরগঞ্জ এলাকার মো. শহিদ ও মো. শাহাদাত। তাঁদের কাছ থেকে অপরাধে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যরা পলাতক রয়েছেন।
ভুক্তভোগী যুবক নেহাল আরেফিন শোভন ঢাকার মিরপুর এলাকার বাসিন্দা এবং ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি পাঞ্জাবি তৈরি করে বিক্রি করেন।
পুলিশ জানায়, শাহাদাতের নিজেরই প্রাইভেট কার আছে। শহিদ হলেন শাহাদাতের আত্মীয়। প্রয়োজন মতো তাঁরা সহযোগীদের ব্যবহার করেন। তাঁরা শেরপুর থেকে এসে মাঝেমধ্যে এ রকম কাজ করে আবার ফিরে যান। তাঁদের আর কোনো পেশা নেই।
ভুক্তভোগী নেহাল আরেফিন বলেন, ‘মিরপুর থেকে রওনা দিয়ে আমি কুষ্টিয়া যাচ্ছিলাম। পরদিন আমার বন্ধুর বিয়ে ছিল। রাত ১২টার দিকে কোনো বাস না পেয়ে আমি নবীনগরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় একটি প্রাইভেট কার এসে কোথায় যাব জানতে চায়। ভেতর থেকে যাত্রীবেশে থাকা দুজন বলে তারা আরিচা যাবে। আরিচা পর্যন্ত যাওয়ার জন্য ভাড়া মিটিয়ে আমি গাড়িতে উঠি। কিছুদূর যেতেই শুরু হয় মারধর। তাদের কাছে হাতুড়ি, প্লায়ার্সসহ নানা কিছু ছিল। এসব দিয়েই আমাকে মারধর করে। হাতুড়ির আঘাতে আমার মাথা ফেটে রক্ত বের হওয়া শুরু করে।’
ভুক্তভোগী আরও বলেন, ‘আমার মোবাইল ফোনের মেসেজ ঘাটতে গিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মেসেজ পায়। পরে মানিব্যাগে থাকা ব্যাংকের কার্ড নিয়ে আমার কাছ থেকে কার্ডের পিন জেনে নেয়। পরে সেই কার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন বুথ থেকে তারা ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা তুলে নেয়। আমার মোবাইল ফোন থেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৫০ হাজার টাকা বিকাশে নেয়। আমার মোবাইল ফোন-মানিব্যাগ রেখে আমাকে অন্ধকার এক স্থানে ফেলে চলে যায় তারা। পরে পথচারীদের সহায়তায় আমি বাসায় ফিরি। পরে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি। গাড়িতে ড্রাইভারসহ চারজন ছিল।’
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাচিব সিকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, জড়িত দুজনকে বিকাশ লেনদেনের সূত্র ধরে শেরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা মূলত একটি চক্রের সদস্য। প্রাইভেটকার ব্যবহার করে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তারা এসব অপকর্ম করে বেড়ায়। চক্রের বাকি সদস্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার দুজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় বন্ধুর বিয়েতে যাওয়ার পথে সাভারের আশুলিয়ায় নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে ভাড়া শেয়ারে একটি প্রাইভেট কারে ওঠেন ঢাকা কলেজের ছাত্র নেহাল আরেফিন শোভন (২৪)। কিছুদূর যেতেই কারের অন্য যাত্রীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে প্রায় ৩ লাখ টাকা লুটে নেয়। এই ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে আশুলিয়া থানা-পুলিশ।
আজ শুক্রবার সকালে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শেরপুরের বাকেরগঞ্জ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত ১১ মে রাতে আশুলিয়ায় ওই ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন শেরপুরের বাকেরগঞ্জ এলাকার মো. শহিদ ও মো. শাহাদাত। তাঁদের কাছ থেকে অপরাধে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যরা পলাতক রয়েছেন।
ভুক্তভোগী যুবক নেহাল আরেফিন শোভন ঢাকার মিরপুর এলাকার বাসিন্দা এবং ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি পাঞ্জাবি তৈরি করে বিক্রি করেন।
পুলিশ জানায়, শাহাদাতের নিজেরই প্রাইভেট কার আছে। শহিদ হলেন শাহাদাতের আত্মীয়। প্রয়োজন মতো তাঁরা সহযোগীদের ব্যবহার করেন। তাঁরা শেরপুর থেকে এসে মাঝেমধ্যে এ রকম কাজ করে আবার ফিরে যান। তাঁদের আর কোনো পেশা নেই।
ভুক্তভোগী নেহাল আরেফিন বলেন, ‘মিরপুর থেকে রওনা দিয়ে আমি কুষ্টিয়া যাচ্ছিলাম। পরদিন আমার বন্ধুর বিয়ে ছিল। রাত ১২টার দিকে কোনো বাস না পেয়ে আমি নবীনগরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় একটি প্রাইভেট কার এসে কোথায় যাব জানতে চায়। ভেতর থেকে যাত্রীবেশে থাকা দুজন বলে তারা আরিচা যাবে। আরিচা পর্যন্ত যাওয়ার জন্য ভাড়া মিটিয়ে আমি গাড়িতে উঠি। কিছুদূর যেতেই শুরু হয় মারধর। তাদের কাছে হাতুড়ি, প্লায়ার্সসহ নানা কিছু ছিল। এসব দিয়েই আমাকে মারধর করে। হাতুড়ির আঘাতে আমার মাথা ফেটে রক্ত বের হওয়া শুরু করে।’
ভুক্তভোগী আরও বলেন, ‘আমার মোবাইল ফোনের মেসেজ ঘাটতে গিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মেসেজ পায়। পরে মানিব্যাগে থাকা ব্যাংকের কার্ড নিয়ে আমার কাছ থেকে কার্ডের পিন জেনে নেয়। পরে সেই কার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন বুথ থেকে তারা ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা তুলে নেয়। আমার মোবাইল ফোন থেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ৫০ হাজার টাকা বিকাশে নেয়। আমার মোবাইল ফোন-মানিব্যাগ রেখে আমাকে অন্ধকার এক স্থানে ফেলে চলে যায় তারা। পরে পথচারীদের সহায়তায় আমি বাসায় ফিরি। পরে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করি। গাড়িতে ড্রাইভারসহ চারজন ছিল।’
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাচিব সিকদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, জড়িত দুজনকে বিকাশ লেনদেনের সূত্র ধরে শেরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা মূলত একটি চক্রের সদস্য। প্রাইভেটকার ব্যবহার করে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তারা এসব অপকর্ম করে বেড়ায়। চক্রের বাকি সদস্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার দুজনকে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৫ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে