Ajker Patrika

রাজধানীর কদমতলীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ হত্যার

ঢামেক প্রতিবেদক
রাজধানীর কদমতলীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ হত্যার
ফাইল ছবি

রাজধানীর কদমতলীর দনিয়া এলাকার একটি বাসা থেকে ইয়াসমিন (৪৫) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইয়াসমিনকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার।

গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দনিয়া নুরপুর চিলড্রেন গার্ডেন স্কুল বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলা থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।

ইয়াসমিনের বাবার নাম সবুজ মিয়া। তাঁর বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে। ইয়াসমিনের প্রথম স্বামীর নাম মো. মহাসীন জোয়ার্দ্দার।

কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুন নাহার বলেন, ইয়াসমিন তাঁর দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে কদমতলীর বাসায় থাকতেন। বাসার বিছানার ওপর থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় দেখা গেছে, তাঁর নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হচ্ছে। গলা ও কাঁধে লালচে বর্ণ ছিল। কীভাবে ইয়াসমিনের মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে তাঁর মরদেহের ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এদিকে ইয়াসমিনের পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ করেছে। ইয়াসমিনের প্রথম পক্ষের ছেলে আল আমিন বলেন, প্রায় আড়াই বছর আগে নজরুল নামে একজনের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে হয় তাঁর মা ইয়াসমিনের। এই কারণে মায়ের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ ছিল না তাঁদের। আগে গার্মেন্টসে চাকরি করতেন ইয়াসমিন।

আল আমিন আরও বলেন, মঙ্গলবার রাতে নজরুল তাঁকে ফোন করে বলেন, ‘তোমার মায়ের খোঁজ নাও। তোমার মামা তোমার মাকে মেরে ফেলেছে।’ এর বেশি কিছু বলেননি। এর পর থেকে নজরুলের ফোন বন্ধ। মায়ের ফোনে কল করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরদিন বুধবার বিকেলে মায়ের বাসায় গিয়ে দেখেন, রুমের দরজা বাইরে থেকে ছিটকিনি লাগানো। খুলে ভেতরে গিয়ে দেখেন, তাঁর মা বিছানায় মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। এরপর তাঁরা পুলিশকে খবর দেন।

আল আমিন বলেন, ‘আমার মাকে নজরুলই মেরে ফেলেছে। তাঁকে ধরলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত