নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

কায়েস ও সায়মন যমজ ভাই। অভাবের তাড়নায় দুজনেই যুক্ত হয়েছেন হোসিয়ারি কারখানায়। দায়িত্ববোধে কায়েস (১৬) একধাপ এগিয়ে। দিনে হোসিয়ারি কারখানায় কাজ করে রাতে বের হন ইজিবাইক নিয়ে। প্রতিদিনের মতো গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে বের হয়েছিল কায়েস। কিন্তু আর ঘরে ফিরেনি সে। তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর আজ শনিবার সকালে বিলের মধ্যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার সকালে বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের নদপদী এলাকা থেকে কায়েসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে বন্দর থানাধীন নবীগঞ্জ এলাকার কাশেম মিয়ার ছেলে। মরদেহে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে ৩ যাত্রী নিয়ে গ্যারেজ থেকে ইজিবাইক নিয়ে বের হয় কায়েস। এরপর থেকেই তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। ঘটনার পরদিন থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের করে কায়েসের পরিবার। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার বন্দরের মদনপুর এলাকা থেকে কায়েসের ব্যবহৃত ইজিবাইকটি রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে গ্যারেজ মালিক। কিন্তু সন্ধান মেলেনি কায়েসের।
শনিবার সকালে বন্দরের নদপদী এলাকার বাসিন্দারা বিলের ভেতর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ কায়েসের পরিবারকে খবর দিয়ে নিয়ে আসে। ঘটনাস্থলে ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করে কায়েসের যমজ ভাই সায়মন (১৬)। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ৩ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
নিহতের মামা মিঠুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুইটা ভাই এক সাথে বড় হইছে। আজকে এক ভাই আরেক ভাইয়ের লাশ লাশ চিনল। এর চেয়ে কষ্টের কী আছে? আমার বোন কেমনে থাকবো জানি না। ওগো (ঘাতক) ইজিবাইক নিতে হইলে নিয়া যাইতো। এমন বাচ্চা মানুষটারে খুন করতে হইলো কী কারণে?’
ঘটনাস্থলে যাওয়া বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিহাব আহমেদ বলেন, নিহতের মরদেহ তার ভাই জামা কাপড় দেখে শনাক্ত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে ছিনতাইকারীরা। মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একই বিষয়ে বন্দর থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, নিহতের পরিবার বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

কায়েস ও সায়মন যমজ ভাই। অভাবের তাড়নায় দুজনেই যুক্ত হয়েছেন হোসিয়ারি কারখানায়। দায়িত্ববোধে কায়েস (১৬) একধাপ এগিয়ে। দিনে হোসিয়ারি কারখানায় কাজ করে রাতে বের হন ইজিবাইক নিয়ে। প্রতিদিনের মতো গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে বের হয়েছিল কায়েস। কিন্তু আর ঘরে ফিরেনি সে। তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর আজ শনিবার সকালে বিলের মধ্যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার সকালে বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের নদপদী এলাকা থেকে কায়েসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে বন্দর থানাধীন নবীগঞ্জ এলাকার কাশেম মিয়ার ছেলে। মরদেহে উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে ৩ যাত্রী নিয়ে গ্যারেজ থেকে ইজিবাইক নিয়ে বের হয় কায়েস। এরপর থেকেই তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। ঘটনার পরদিন থানায় সাধারণ ডায়েরি দায়ের করে কায়েসের পরিবার। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার বন্দরের মদনপুর এলাকা থেকে কায়েসের ব্যবহৃত ইজিবাইকটি রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে গ্যারেজ মালিক। কিন্তু সন্ধান মেলেনি কায়েসের।
শনিবার সকালে বন্দরের নদপদী এলাকার বাসিন্দারা বিলের ভেতর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ কায়েসের পরিবারকে খবর দিয়ে নিয়ে আসে। ঘটনাস্থলে ভাইয়ের মরদেহ শনাক্ত করে কায়েসের যমজ ভাই সায়মন (১৬)। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ৩ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
নিহতের মামা মিঠুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুইটা ভাই এক সাথে বড় হইছে। আজকে এক ভাই আরেক ভাইয়ের লাশ লাশ চিনল। এর চেয়ে কষ্টের কী আছে? আমার বোন কেমনে থাকবো জানি না। ওগো (ঘাতক) ইজিবাইক নিতে হইলে নিয়া যাইতো। এমন বাচ্চা মানুষটারে খুন করতে হইলো কী কারণে?’
ঘটনাস্থলে যাওয়া বন্দর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিহাব আহমেদ বলেন, নিহতের মরদেহ তার ভাই জামা কাপড় দেখে শনাক্ত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে ছিনতাইকারীরা। মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একই বিষয়ে বন্দর থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, নিহতের পরিবার বাদী হয়ে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১২ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২১ দিন আগে