কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুর কমলনগরের চর লরেন্স ইউনিয়নে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লোকমান প্রকাশ কালু (২৮) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে কমলনগর থানা-পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা। অভিযুক্ত লোকমান চর লরেন্সের ভাড়াটিয়া মৃত রফিক মাঝির ছেলে। লোকমান ভোলার মাইজচরার স্থায়ী বাসিন্দা।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে থেকেই ওই গৃহবধূর দিকে নজর ছিল লোকমানের। গৃহবধূর স্বামী নদীতে মাছ ধরের সংসার চালান। প্রায়ই তিনি গভীর রাতে নদীতে মাছ ধরতে যান। ঘটনার দিন তার অনুপস্থিতে আনুমানিক রাত ২টার দিকে লোকমান গৃহবধূর বাড়িতে আসেন। ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে গৃহবধূর স্বামীর পরিচয়ে মোবাইলে কল দিয়ে দরজা খোলার কথা বলেন। এরপর দরজা খুলতেই লোকমান ওই গৃহবধূর মুখ বন্ধ করে তাঁকে বাড়ির পাশের খেতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে এবং তাঁর শরীর আঘাত করে ক্ষতবিক্ষত করে। একপর্যায়ে গৃহবধূ লোকমানের হাত থেকে পালিয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় পাশের বাড়িতে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।
বর্তমানে ওই গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ বলেন, `লোকমান আমার স্বামীর পরিচয়ে দরজা খুলতে বললে, আমি দরজা খুলতেই আমার মুখ চেপে ধরে। আমি চিৎকার করতে চাইলে আমাকে মারধর করে ও ধর্ষণ করে। সারা শরীর সে কামড়ে চিমড়ে রক্তাক্ত করেছে।'
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোসলেহ উদ্দিন জানান, মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে চর লরেন্স গ্রাম থেকে অভিযুক্ত লোকমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লোকমান ধর্ষণের বিষয় শিকার করায়, তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রুজ হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হবে

লক্ষ্মীপুর কমলনগরের চর লরেন্স ইউনিয়নে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লোকমান প্রকাশ কালু (২৮) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে কমলনগর থানা-পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা। অভিযুক্ত লোকমান চর লরেন্সের ভাড়াটিয়া মৃত রফিক মাঝির ছেলে। লোকমান ভোলার মাইজচরার স্থায়ী বাসিন্দা।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে থেকেই ওই গৃহবধূর দিকে নজর ছিল লোকমানের। গৃহবধূর স্বামী নদীতে মাছ ধরের সংসার চালান। প্রায়ই তিনি গভীর রাতে নদীতে মাছ ধরতে যান। ঘটনার দিন তার অনুপস্থিতে আনুমানিক রাত ২টার দিকে লোকমান গৃহবধূর বাড়িতে আসেন। ঘরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে গৃহবধূর স্বামীর পরিচয়ে মোবাইলে কল দিয়ে দরজা খোলার কথা বলেন। এরপর দরজা খুলতেই লোকমান ওই গৃহবধূর মুখ বন্ধ করে তাঁকে বাড়ির পাশের খেতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে এবং তাঁর শরীর আঘাত করে ক্ষতবিক্ষত করে। একপর্যায়ে গৃহবধূ লোকমানের হাত থেকে পালিয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় পাশের বাড়িতে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠান।
বর্তমানে ওই গৃহবধূ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূ বলেন, `লোকমান আমার স্বামীর পরিচয়ে দরজা খুলতে বললে, আমি দরজা খুলতেই আমার মুখ চেপে ধরে। আমি চিৎকার করতে চাইলে আমাকে মারধর করে ও ধর্ষণ করে। সারা শরীর সে কামড়ে চিমড়ে রক্তাক্ত করেছে।'
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোসলেহ উদ্দিন জানান, মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে চর লরেন্স গ্রাম থেকে অভিযুক্ত লোকমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লোকমান ধর্ষণের বিষয় শিকার করায়, তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা রুজ হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হবে

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫