বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার করার অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থী ও ভিআইপি প্রটোকল প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
আজ মঙ্গলবার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভায় দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম শ্রেণির অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন—কেপিআই) হিসেবে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টার্মিনাল ড্রাইভওয়েতে যাত্রী ও যাত্রীবাহী যানবাহন ছাড়া সব ধরনের দর্শনার্থীর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিমানবন্দরে আগত যাত্রীবাহী যানবাহনগুলোকে সরাসরি প্রধান পার্কিং অথবা কার্গো পার্কিং এলাকায় প্রবেশ করে যাত্রী ওঠানামা করতে হবে। টার্মিনাল ড্রাইভওয়েতে কোনো অবস্থাতেই যানবাহন থামানো যাবে না।
এদিকে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রধান পার্কিং এলাকায় প্রবেশ করা যানবাহনের কাছ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের পার্কিং টোল আদায় করা হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ শাখার প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যাত্রী হিসেবে আগমন ও বহির্গমনকালে প্রয়োজনীয় প্রটোকল সম্পাদনের জন্য সর্বোচ্চ একজন অনুমোদিত ব্যক্তিকে সঙ্গে রাখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রটোকল পাস প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার করার অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দর্শনার্থী ও ভিআইপি প্রটোকল প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
আজ মঙ্গলবার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভায় দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম শ্রেণির অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কি পয়েন্ট ইনস্টলেশন—কেপিআই) হিসেবে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টার্মিনাল ড্রাইভওয়েতে যাত্রী ও যাত্রীবাহী যানবাহন ছাড়া সব ধরনের দর্শনার্থীর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিমানবন্দরে আগত যাত্রীবাহী যানবাহনগুলোকে সরাসরি প্রধান পার্কিং অথবা কার্গো পার্কিং এলাকায় প্রবেশ করে যাত্রী ওঠানামা করতে হবে। টার্মিনাল ড্রাইভওয়েতে কোনো অবস্থাতেই যানবাহন থামানো যাবে না।
এদিকে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রধান পার্কিং এলাকায় প্রবেশ করা যানবাহনের কাছ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের পার্কিং টোল আদায় করা হবে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ শাখার প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যাত্রী হিসেবে আগমন ও বহির্গমনকালে প্রয়োজনীয় প্রটোকল সম্পাদনের জন্য সর্বোচ্চ একজন অনুমোদিত ব্যক্তিকে সঙ্গে রাখতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রটোকল পাস প্রদর্শন বাধ্যতামূলক।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে