মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন ফুটো করে অভিনব কায়দায় তেল চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিপিসির ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপারেশন) মিজানুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই কমিটিকে পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে তেল চুরির ঘটনায় বিপিসির ডিজিএম প্রশাসন (অর্থ) মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনের নামে মিরসরাই থানায় একটি মামলা করেছেন। এ ঘটনায় ঘরের মালিক আবছারকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে হাদিফকিরহাটে পাইপলাইনের ওপর একটি অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে এই চুরি চলছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পাইপলাইনে তেলের চাপ বেড়ে যাওয়ায় তা ফেটে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং আশপাশে তেল ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা হাঁড়ি-পাতিল ও বালতি নিয়ে তেল সংগ্রহ শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। খবর পেয়ে মিরসরাই থানার পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিপিসি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই অংশ সিলগালা করে দেন।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, তেল চুরির ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামিকে (ঘরের মালিক) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেশের চাহিদার ৭০ লাখ টন জ্বালানির অন্তত ৩০ লাখ টন ব্যবহৃত হয় ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চলে। এসব জ্বালানির বেশির ভাগই বেসরকারি অয়েল ট্যাংকারের মাধ্যমে নৌপথে পরিবাহিত হতো। ট্যাংকারে জ্বালানি তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে পয়েন্ট ১৭ শতাংশ সিস্টেম লস বিপিসি মেনে নেয়। বছর শেষে এই পয়েন্ট ১৭ শতাংশ বিশাল অঙ্ক হয়ে দাঁড়ায়। সিস্টেম লস কিংবা তেল চুরির বিশাল লোকসান থেকে দেশের জ্বালানি তেল সেক্টরকে বাঁচাতেই মূলত চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়। ৫০ লাখ টন ধারণক্ষমতার পাইপলাইনে বর্তমানে ৩০ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।
সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় জ্বালানি তেল সরবরাহের পাইপলাইন নির্মাণের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশলীরা। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল হয়ে ঢাকার ফতুল্লা পর্যন্ত ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি দিয়ে ইতিমধ্যে লাখ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। নৌপথে তেলবাহী ট্যাংকারে চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত তেল পরিবহনে অন্তত ২৪ ঘণ্টা সময় লাগত। নতুন পাইপলাইনের মাধ্যমে মাত্র চার ঘণ্টায় তেল পৌঁছানো সম্ভব হয়। কিন্তু অত্যাধুনিক সেই পাইপলাইন ফুটো করে তেল চুরির ঘটনা নানা প্রশ্নেরও সৃষ্টি করেছে।
বিপিসির একজন কর্মকর্তা জানান, ভূগর্ভস্থ এই পাইপলাইন ২২টি নদী ও খালের নিচ দিয়ে এসেছে এবং পুরো রুটে মোট ৯টি পাম্পিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত ট্যাংকারে তেল পরিবহনে বিপিসির বার্ষিক খরচ হতো প্রায় ৩২৬ কোটি টাকা। পাইপলাইনে তেল সরবরাহে খরচ মাত্র ৯০ কোটি টাকা। এতে বছরে অন্তত ২২৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বিপিসির। এ ছাড়া সিস্টেম লস এবং চুরি ঠেকানোর মাধ্যমেও কোটি কোটি টাকা রক্ষা পাবে বলেও উদ্বোধনের সময় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছিল। আর বলা হয়েছিল, অত্যাধুনিক এই পাইপলাইনে কোনো ধরনের চুরির সুযোগ নেই।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ভূগর্ভস্থ পাইপলাইন ফুটো করে অভিনব কায়দায় তেল চুরির ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিপিসির ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপারেশন) মিজানুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই কমিটিকে পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে তেল চুরির ঘটনায় বিপিসির ডিজিএম প্রশাসন (অর্থ) মাহবুবুর রহমান বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনের নামে মিরসরাই থানায় একটি মামলা করেছেন। এ ঘটনায় ঘরের মালিক আবছারকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে হাদিফকিরহাটে পাইপলাইনের ওপর একটি অস্থায়ী টিনশেড ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে এই চুরি চলছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পাইপলাইনে তেলের চাপ বেড়ে যাওয়ায় তা ফেটে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং আশপাশে তেল ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা হাঁড়ি-পাতিল ও বালতি নিয়ে তেল সংগ্রহ শুরু করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। খবর পেয়ে মিরসরাই থানার পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিপিসি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই অংশ সিলগালা করে দেন।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন জানান, তেল চুরির ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এজাহারনামীয় আসামিকে (ঘরের মালিক) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, দেশের চাহিদার ৭০ লাখ টন জ্বালানির অন্তত ৩০ লাখ টন ব্যবহৃত হয় ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চলে। এসব জ্বালানির বেশির ভাগই বেসরকারি অয়েল ট্যাংকারের মাধ্যমে নৌপথে পরিবাহিত হতো। ট্যাংকারে জ্বালানি তেল পরিবহনের ক্ষেত্রে পয়েন্ট ১৭ শতাংশ সিস্টেম লস বিপিসি মেনে নেয়। বছর শেষে এই পয়েন্ট ১৭ শতাংশ বিশাল অঙ্ক হয়ে দাঁড়ায়। সিস্টেম লস কিংবা তেল চুরির বিশাল লোকসান থেকে দেশের জ্বালানি তেল সেক্টরকে বাঁচাতেই মূলত চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়। ৫০ লাখ টন ধারণক্ষমতার পাইপলাইনে বর্তমানে ৩০ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।
সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় জ্বালানি তেল সরবরাহের পাইপলাইন নির্মাণের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশলীরা। চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল হয়ে ঢাকার ফতুল্লা পর্যন্ত ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি দিয়ে ইতিমধ্যে লাখ লাখ টন জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। নৌপথে তেলবাহী ট্যাংকারে চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত তেল পরিবহনে অন্তত ২৪ ঘণ্টা সময় লাগত। নতুন পাইপলাইনের মাধ্যমে মাত্র চার ঘণ্টায় তেল পৌঁছানো সম্ভব হয়। কিন্তু অত্যাধুনিক সেই পাইপলাইন ফুটো করে তেল চুরির ঘটনা নানা প্রশ্নেরও সৃষ্টি করেছে।
বিপিসির একজন কর্মকর্তা জানান, ভূগর্ভস্থ এই পাইপলাইন ২২টি নদী ও খালের নিচ দিয়ে এসেছে এবং পুরো রুটে মোট ৯টি পাম্পিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত ট্যাংকারে তেল পরিবহনে বিপিসির বার্ষিক খরচ হতো প্রায় ৩২৬ কোটি টাকা। পাইপলাইনে তেল সরবরাহে খরচ মাত্র ৯০ কোটি টাকা। এতে বছরে অন্তত ২২৬ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বিপিসির। এ ছাড়া সিস্টেম লস এবং চুরি ঠেকানোর মাধ্যমেও কোটি কোটি টাকা রক্ষা পাবে বলেও উদ্বোধনের সময় আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছিল। আর বলা হয়েছিল, অত্যাধুনিক এই পাইপলাইনে কোনো ধরনের চুরির সুযোগ নেই।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৭ দিন আগে