নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে মোটরসাইকেলের বিকট শব্দ করা নিয়ে ঝগড়ার জেরে মনিরুজ্জামান রাফি (২৫) হত্যার ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা উঠতি বয়সের তরুণ। তাঁরা পাড়া–মহল্লার অপরাধী চক্র হিসেবে পরিচিত ‘কিশোর গ্যাং’–এর সদস্য।
সোমবার (১০ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা এক সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনকে গ্রেপ্তারসহ ওই খুনের ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন—জাহিদুল ইসলাম (২২), মোবারক হোসেন (২৩), ইকবাল হোসেন ইমন (২২), শাহরিয়ার আল আহমেদ (২০), তাহরিয়ার আহমেদ বাঁধন (২০), মারুফ চৌধুরী (২১) ও জুবায়ের বাশার (৩৪)।
এর আগে রোববার ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ পতেঙ্গা সি–বিচ এলাকায় দুই পক্ষের মারামারিতে ছুরিকাঘাতের শিকার হন মনিরুজ্জামান রাফি। একই ঘটনায় রায়হান (২৭) নামে তাঁর এক বন্ধু আহত হয়েছেন। নিহত রাফি চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ–মধ্যম হালিশহরের বাকের আলী ফকিরের টেক এলাকার বাসিন্দা।
সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার শাকিলা সোলতানা বলেন, রোববার ভোর ৪টার পরে আমাদের কাছে খবর আসে, মোটরসাইকেলের সাইলেন্সারের বিকট শব্দ নিয়ে দু–গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এর মধ্যে এক গ্রুপে চার থেকে পাঁচজন, অন্য গ্রুপে ১৪ থেকে ১৫ জন ছিল।
তদন্তে জানা গেছে, ১৫ জনের গ্রুপটি চারজনের গ্রুপের ওপর হামলা করে। হামলার একপর্যায়ে রাফিকে অপর পক্ষের লোকজন ছুরিকাঘাত করে ও তাঁর বন্ধু রায়হানকে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাফিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছুরিকাঘাতকারী মোবারক হোসেনও গ্রেপ্তার হয়েছেন।
মোটরসাইকেলের সাইলেন্সারের উচ্চশব্দ নিয়ে ঝগড়ার সূত্রপাত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা শাকিলা।
হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে জানিয়ে উপ কমিশনার বলেন, ‘এটি কিশোর গ্যাংয়ের হত্যাকাণ্ড ধরে নেওয়া যায়। কারণ যারা এ কাজ করেছে তারা অনেকেই সদ্য কৈশোর পার করা উঠতি বয়সের তরুণ। এরা গভীর রাতে কিংবা ভোরে মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে। তারা বিচে গিয়ে মারামারি করবে, এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়।’
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবিরুল ইসলাম বলেন, রাফি ও তাঁর তিন বন্ধু রাতে কোরবানির পশুর হাটে গিয়েছিলেন। সেখানে গরু দেখা শেষে মোটরসাইকেল করে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। এ সময় তাঁদের মোটরসাইকেলের উচ্চশব্দ নিয়ে মোবারকসহ স্থানীয় কয়েকজন ছেলের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের ঝগড়া থামিয়ে দুই গ্রুপকে দুদিকে পাঠিয়ে দেয়।
ওসি বলেন, রাফি ও তাঁর বন্ধুরা কিছুক্ষণ পতেঙ্গা সি–বিচ এলাকায় ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে মোবারক তাঁর গ্রুপ নিয়ে এসে আবার তাঁদের ওপর হামলা করে। এ সময় মোবারক তাঁর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে রাফিকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে চারজন ও তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে মোবারকসহ বাকি তিনজনকে কোতোয়ালি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে মোটরসাইকেলের বিকট শব্দ করা নিয়ে ঝগড়ার জেরে মনিরুজ্জামান রাফি (২৫) হত্যার ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা উঠতি বয়সের তরুণ। তাঁরা পাড়া–মহল্লার অপরাধী চক্র হিসেবে পরিচিত ‘কিশোর গ্যাং’–এর সদস্য।
সোমবার (১০ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা এক সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনকে গ্রেপ্তারসহ ওই খুনের ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন—জাহিদুল ইসলাম (২২), মোবারক হোসেন (২৩), ইকবাল হোসেন ইমন (২২), শাহরিয়ার আল আহমেদ (২০), তাহরিয়ার আহমেদ বাঁধন (২০), মারুফ চৌধুরী (২১) ও জুবায়ের বাশার (৩৪)।
এর আগে রোববার ভোর সাড়ে ৪টা নাগাদ পতেঙ্গা সি–বিচ এলাকায় দুই পক্ষের মারামারিতে ছুরিকাঘাতের শিকার হন মনিরুজ্জামান রাফি। একই ঘটনায় রায়হান (২৭) নামে তাঁর এক বন্ধু আহত হয়েছেন। নিহত রাফি চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ–মধ্যম হালিশহরের বাকের আলী ফকিরের টেক এলাকার বাসিন্দা।
সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার শাকিলা সোলতানা বলেন, রোববার ভোর ৪টার পরে আমাদের কাছে খবর আসে, মোটরসাইকেলের সাইলেন্সারের বিকট শব্দ নিয়ে দু–গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এর মধ্যে এক গ্রুপে চার থেকে পাঁচজন, অন্য গ্রুপে ১৪ থেকে ১৫ জন ছিল।
তদন্তে জানা গেছে, ১৫ জনের গ্রুপটি চারজনের গ্রুপের ওপর হামলা করে। হামলার একপর্যায়ে রাফিকে অপর পক্ষের লোকজন ছুরিকাঘাত করে ও তাঁর বন্ধু রায়হানকে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় দুইজনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাফিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছুরিকাঘাতকারী মোবারক হোসেনও গ্রেপ্তার হয়েছেন।
মোটরসাইকেলের সাইলেন্সারের উচ্চশব্দ নিয়ে ঝগড়ার সূত্রপাত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা শাকিলা।
হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে জানিয়ে উপ কমিশনার বলেন, ‘এটি কিশোর গ্যাংয়ের হত্যাকাণ্ড ধরে নেওয়া যায়। কারণ যারা এ কাজ করেছে তারা অনেকেই সদ্য কৈশোর পার করা উঠতি বয়সের তরুণ। এরা গভীর রাতে কিংবা ভোরে মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে। তারা বিচে গিয়ে মারামারি করবে, এটি অস্বাভাবিক কিছু নয়।’
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবিরুল ইসলাম বলেন, রাফি ও তাঁর তিন বন্ধু রাতে কোরবানির পশুর হাটে গিয়েছিলেন। সেখানে গরু দেখা শেষে মোটরসাইকেল করে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। এ সময় তাঁদের মোটরসাইকেলের উচ্চশব্দ নিয়ে মোবারকসহ স্থানীয় কয়েকজন ছেলের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁদের ঝগড়া থামিয়ে দুই গ্রুপকে দুদিকে পাঠিয়ে দেয়।
ওসি বলেন, রাফি ও তাঁর বন্ধুরা কিছুক্ষণ পতেঙ্গা সি–বিচ এলাকায় ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে মোবারক তাঁর গ্রুপ নিয়ে এসে আবার তাঁদের ওপর হামলা করে। এ সময় মোবারক তাঁর হাতে থাকা ছুরি দিয়ে রাফিকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। খবর পেয়েই পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রথমে চারজন ও তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে মোবারকসহ বাকি তিনজনকে কোতোয়ালি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে