কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে মোহাম্মদ নূরুল আমিন (২৬) নামে একজন নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে ৪ নম্বর মধুরছড়া ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত নুরুল আমিন ওই ক্যাম্পের আবু শামার ছেলে।
রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে মোহাম্মদ নূরুল আমিন (২৬) নামে একজন নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে ৪ নম্বর মধুরছড়া ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত নুরুল আমিন ওই ক্যাম্পের আবু শামার ছেলে।
রোহিঙ্গা শিবিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৭ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে