পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুর সদর উপজেলায় এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে পিরোজপুর শহরের কালীবাড়ী সড়কে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রবিউল ইসলাম । গুরুতর আহত ব্যবসায়ী শাহারুল শেখকে (৫২) উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
শাহারুল শেখ (৫২) পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার লাইড়ী এলাকারা মৃত তৈয়ব আলী শেখের ছেলে। তিনি পিরোজপুর শহরের সদর রোডে ফলের ব্যবসা করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহারুল শেখ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে এলাকায় কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল। তাঁরা কয়েক দিন ধরে নানাভাবে হুমকি ও টাকা চেয়ে হয়রানি করছিলেন। রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাওয়ার পথে কালীবাড়ী সড়কে গেলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা, দুই হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ জখম করে। পরে চিৎকার দিলে তারা তাঁকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে পিরোজপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরাই এ হামলা চালিয়েছে।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার রুহিতোষ দাস বলেন, আহত ব্যবসায়ীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছে। অবস্থা গুরুতর হওয়ার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ হাসপাতালে এসে রোগীকে উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া আহত ব্যবসায়ীর দেওয়া তথ্যমতে হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে।

পিরোজপুর সদর উপজেলায় এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে পিরোজপুর শহরের কালীবাড়ী সড়কে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রবিউল ইসলাম । গুরুতর আহত ব্যবসায়ী শাহারুল শেখকে (৫২) উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
শাহারুল শেখ (৫২) পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার লাইড়ী এলাকারা মৃত তৈয়ব আলী শেখের ছেলে। তিনি পিরোজপুর শহরের সদর রোডে ফলের ব্যবসা করেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহারুল শেখ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে এলাকায় কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ চলছিল। তাঁরা কয়েক দিন ধরে নানাভাবে হুমকি ও টাকা চেয়ে হয়রানি করছিলেন। রাতে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাওয়ার পথে কালীবাড়ী সড়কে গেলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথা, দুই হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ জখম করে। পরে চিৎকার দিলে তারা তাঁকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে পিরোজপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরাই এ হামলা চালিয়েছে।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার রুহিতোষ দাস বলেন, আহত ব্যবসায়ীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছে। অবস্থা গুরুতর হওয়ার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ হাসপাতালে এসে রোগীকে উদ্ধার করেছে। এ ছাড়া আহত ব্যবসায়ীর দেওয়া তথ্যমতে হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরেই এ ঘটনা ঘটেছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৬ দিন আগে