ঝালকাঠি প্রতিনিধি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি শুধু ঝালকাঠির নন, তিনি পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। হাদি হত্যার বিচার অবশ্যই হবে—এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুপার্ক প্রাঙ্গণে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, শহীদ হাদি ক্ষমতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন না। ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি সংসদে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চেয়েছেন, ক্ষমতার দাপট দেখাননি। মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমের কারণেই তিনি জনপ্রিয় ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, অনেকেই ক্ষমতার জন্য এমপি হতে চান। কিন্তু হাদি চেয়েছিলেন মানুষের কথা বলার সুযোগ। এমন মানুষের সংসদে থাকা জরুরি ছিল। তাঁকে হারানো জাতির জন্য গভীর বেদনার।
হাদির চিকিৎসার স্মৃতিচারণা করে ফরিদা আখতার বলেন, ‘আমি নিজে এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে দেখেছি। তাঁর অবস্থা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তাঁর পরিবার অত্যন্ত সচেতন ও প্রজ্ঞাবান—যা আমাদের জন্যও গর্বের।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া আবু সাঈদ, মুগ্ধ, আনাসসহ সব শহীদ, আহত ও পঙ্গুদের ত্যাগ জাতিকে ভুলে গেলে চলবে না।
ফ্যাসিবাদের পতন কোনো আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে হয়নি; বরং ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমেই হয়েছে। সেই আন্দোলনের ম্যান্ডেট নিয়েই এই অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন অন্য সব নির্বাচনের চেয়ে ভিন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না—এ প্রশ্ন তোলার আর সুযোগ নেই। কারণ জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা রাজনৈতিক দলগুলোই এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে এবং বাস্তবায়নের দায় তাদেরই।
উপদেষ্টা আরও বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে পুরোনো ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির অবসান। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার পথ খুলে যাবে।
উপদেষ্টা বলেন, আপনারা কি এমন বাংলাদেশ চান না—যেখানে বিচারব্যবস্থা স্বাধীন থাকবে, মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হবে, ইন্টারনেট বন্ধ করে নাগরিক কণ্ঠ রোধ করা যাবে না, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় ভারসাম্য থাকবে এবং সব জাতিগোষ্ঠীর ভাষা সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাবে?
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মমিন উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্যে তিনি গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র কাঠামোর মৌলিক সংস্কারে জনগণের সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. আলম হোসেন প্রমুখ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি শুধু ঝালকাঠির নন, তিনি পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। হাদি হত্যার বিচার অবশ্যই হবে—এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুপার্ক প্রাঙ্গণে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, শহীদ হাদি ক্ষমতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করতেন না। ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি সংসদে যেতে চেয়েছিলেন। তিনি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোট চেয়েছেন, ক্ষমতার দাপট দেখাননি। মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমের কারণেই তিনি জনপ্রিয় ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, অনেকেই ক্ষমতার জন্য এমপি হতে চান। কিন্তু হাদি চেয়েছিলেন মানুষের কথা বলার সুযোগ। এমন মানুষের সংসদে থাকা জরুরি ছিল। তাঁকে হারানো জাতির জন্য গভীর বেদনার।
হাদির চিকিৎসার স্মৃতিচারণা করে ফরিদা আখতার বলেন, ‘আমি নিজে এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে দেখেছি। তাঁর অবস্থা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। তাঁর পরিবার অত্যন্ত সচেতন ও প্রজ্ঞাবান—যা আমাদের জন্যও গর্বের।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া আবু সাঈদ, মুগ্ধ, আনাসসহ সব শহীদ, আহত ও পঙ্গুদের ত্যাগ জাতিকে ভুলে গেলে চলবে না।
ফ্যাসিবাদের পতন কোনো আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে হয়নি; বরং ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমেই হয়েছে। সেই আন্দোলনের ম্যান্ডেট নিয়েই এই অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছে।
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন অন্য সব নির্বাচনের চেয়ে ভিন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না—এ প্রশ্ন তোলার আর সুযোগ নেই। কারণ জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা রাজনৈতিক দলগুলোই এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে এবং বাস্তবায়নের দায় তাদেরই।
উপদেষ্টা আরও বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে পুরোনো ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির অবসান। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার পথ খুলে যাবে।
উপদেষ্টা বলেন, আপনারা কি এমন বাংলাদেশ চান না—যেখানে বিচারব্যবস্থা স্বাধীন থাকবে, মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত হবে, ইন্টারনেট বন্ধ করে নাগরিক কণ্ঠ রোধ করা যাবে না, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় ভারসাম্য থাকবে এবং সব জাতিগোষ্ঠীর ভাষা সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাবে?
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মমিন উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্যে তিনি গণভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র কাঠামোর মৌলিক সংস্কারে জনগণের সম্মতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো. আলম হোসেন প্রমুখ।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
১ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে