খান রফিক, বরিশাল

বরিশাল-৫ (নগর ও সদর) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা কমে এসেছে। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলালের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
অ্যাডভোকেট হেলাল জানান, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও হাতপাখা প্রতীকের সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমর্থনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তিনি বলেন, ‘চরমোনাইয়ের প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে আমি বরিশাল-৫ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছি। সবাই যেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করিমকে সমর্থন দিয়ে বিজয়ী করেন, সে আহ্বান জানাই।’
এর ফলে আসন্ন নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরওয়ারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকছেন হাতপাখার প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম।
এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বিএনপির নেতারা বলছেন, এতে ধানের শীষের ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন—এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’ ভবিষ্যতে জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক জোটের সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেই সুযোগ আর নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে, তা বড় বিষয় নয়। জনগণের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে মানুষ পরিবর্তন চায়, বরিশালের মানুষও তার ব্যতিক্রম নয়।’
এ বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠজন ও নগর বিএনপির সাবেক সহসম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই। আমাদের প্রার্থী যে কাউকে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। জামায়াতের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে বিএনপি মোটেও চিন্তিত নয়। কারণ, এই আসনের মানুষ বারবার বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগর সহকারী সেক্রেটারি ও মিডিয়া কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, ‘জামায়াতের এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। এতে হাতপাখার বিজয় আরও সহজ হবে।’ তিনি বলেন, ‘ভোট জনগণের। তারা নতুন চাঁদাবাজদের চায় না, পরিবর্তন চায়।’
নগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘মনোনয়ন প্রত্যাহার জামায়াতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। জনগণ তা বিবেচনায় নেবে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, এই আসনে ধানের শীষ বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে। ফয়জুল করিম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও আমরা উদ্বিগ্ন নই।’
উল্লেখ্য, বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম একাধিকবার এই আসন থেকে নির্বাচন করেছেন। সর্বশেষ সিটি নির্বাচনে তিনি হামলার শিকার হলে তা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। তিনি ইসলামী আন্দোলনের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ও চরমোনাই পীরের আপন ভাই। সে কারণে বরিশাল-৫ আসনকে ইসলামী আন্দোলন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

বরিশাল-৫ (নগর ও সদর) আসনে প্রার্থীর সংখ্যা কমে এসেছে। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলালের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
অ্যাডভোকেট হেলাল জানান, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও হাতপাখা প্রতীকের সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের সমর্থনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তিনি বলেন, ‘চরমোনাইয়ের প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে আমি বরিশাল-৫ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছি। সবাই যেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করিমকে সমর্থন দিয়ে বিজয়ী করেন, সে আহ্বান জানাই।’
এর ফলে আসন্ন নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরওয়ারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকছেন হাতপাখার প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম।
এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বিএনপির নেতারা বলছেন, এতে ধানের শীষের ভোটে কোনো প্রভাব পড়বে না।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন—এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’ ভবিষ্যতে জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক জোটের সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেই সুযোগ আর নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে, তা বড় বিষয় নয়। জনগণের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। ২০২৬ সালের প্রেক্ষাপটে মানুষ পরিবর্তন চায়, বরিশালের মানুষও তার ব্যতিক্রম নয়।’
এ বিষয়ে জানতে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠজন ও নগর বিএনপির সাবেক সহসম্পাদক আনোয়ারুল হক তারিন বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই। আমাদের প্রার্থী যে কাউকে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। জামায়াতের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে বিএনপি মোটেও চিন্তিত নয়। কারণ, এই আসনের মানুষ বারবার বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহানগর সহকারী সেক্রেটারি ও মিডিয়া কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন নাইস বলেন, ‘জামায়াতের এই সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। এতে হাতপাখার বিজয় আরও সহজ হবে।’ তিনি বলেন, ‘ভোট জনগণের। তারা নতুন চাঁদাবাজদের চায় না, পরিবর্তন চায়।’
নগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘মনোনয়ন প্রত্যাহার জামায়াতের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। জনগণ তা বিবেচনায় নেবে। তবে আমরা বিশ্বাস করি, এই আসনে ধানের শীষ বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবে। ফয়জুল করিম প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও আমরা উদ্বিগ্ন নই।’
উল্লেখ্য, বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম একাধিকবার এই আসন থেকে নির্বাচন করেছেন। সর্বশেষ সিটি নির্বাচনে তিনি হামলার শিকার হলে তা দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। তিনি ইসলামী আন্দোলনের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ও চরমোনাই পীরের আপন ভাই। সে কারণে বরিশাল-৫ আসনকে ইসলামী আন্দোলন বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের...
১ দিন আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৫ দিন আগে