
অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তলব করে পাঠানো চিঠির বিষয়টি অস্বীকার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের একাধিক কর্মকর্তা খবরটি মিথ্যা বলে দাবি করেন।
ড. ইউনূসকে তলবের বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের কমিশনার (তদন্ত) জহুরুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, একদম ফেক। কোনো সত্যতা নেই। যেসব সাংবাদিক এ তথ্য ছড়িয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করেন।
দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান আনোয়ার প্রধান বলেন, ‘এটা মিথ্যা সংবাদ। তলব করলে তো আমিই করতাম। আমি তদন্তকারী কর্মকর্তা।’ দুদকের সচিব মাহবুব হোসেন এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
আজ মঙ্গলবার ড. ইউনূসসহ ১৩ ব্যক্তিকে দুদকে তলবের একটি খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি আজকের পত্রিকার কাছে রয়েছে। ওই চিঠিতে প্রাপকের ঠিকানায় ড. ইউনূসের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর দুদক থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগের মামলায় বক্তব্য প্রদানের জন্য ৫ অক্টোবর দুপুর ১২টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে অনুরোধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা দুদকের চিঠিটি পেয়েছি। এ বিষয়ে দুদককে পাল্টা চিঠিও দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে ৫ অক্টোবর ড. ইউনূস দুদকে যাবেন বলেও নিশ্চিত করেছেন।’
এ বিষয়ে আজ দুদক কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় সংস্থাটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন আবদুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা তো আমার জানার কথা নয়। আইও জানবেন। কারণ তাঁকে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে কারও বক্তব্যের দরকার হলে তাঁকে তলব করতেই পারেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।’

একটি জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ হয়, কিছুদিন পর একই ধরনের আরেকটি সাইট হাজির। একটি অ্যাপ সরিয়ে দেওয়া হলে নতুন নামে আবার চালু হয় কার্যক্রম। এভাবে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি জুয়ার সাইট খোলা হয়। প্রযুক্তির এই ফাঁক গলে দেশে ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে অনলাইন জুয়া।
৯ দিন আগে
রাজধানীর মিরপুর-১৩ এলাকার শেরে বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেটের সামনে গতকাল শুক্রবার দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গত মঙ্গলবার রাজারবাগ বাজারে পানির পাম্পসংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে বিএনপি কর্মী মো. পলাশকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে....
২৫ জুলাই ২০২৬
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী, পরিকল্পনাকারী ও সহযোগীতার অভিযোগে ১ হাজার ৯৫৮ জন, অবৈধ অস্ত্রধারী ৩৩১ জন, চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ী ১৩ হাজার ২০ জন, ছিনতাইকারী ও দস্যুতা মামলার আসামি ২ হাজার ২১১ জন এবং চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী ৮০৮ জন রয়েছেন...
১০ জুন ২০২৬
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬ মে ২০২৬