
পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (বিএমসি) প্রতিবছর বড় করে বাণিজ্য মেলার আয়োজন করে। এই মেলায় অবধারিতভাবে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা থাকেন। সেই বিধাননগর মেলা উৎসব গতকাল মঙ্গলবার সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্ক ময়দানে শুরু হয়েছে। কিন্তু এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে কোনো অংশগ্রহণকারী নেই।
টাইমস অব ইন্ডিয়া গত সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, শহরের বৃহত্তম এবং জনপ্রিয় মেলাগুলোর একটি বিধাননগর মেলা উৎসব। এ বছর বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা মেলায় থাকছেন না। বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া এড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেলা কর্তৃপক্ষ।
মেলায় স্টল ও প্যাভিলিয়ন বুকিংয়ের দায়িত্বে থাকা একটি সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জমা দেওয়া অগ্রিম অর্থ ফেরত দিচ্ছেন এবং তাঁদের মেলায় না আসার জন্য অনুরোধ করেছেন।
তবে মেলা কমিটির সভাপতি ও বিএমসি মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সুজিত বসু, অরূপ বিশ্বাস এবং শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও তৃণমূল নেতারা।
অন্যান্য দেশের মধ্যে আফগানিস্তানের স্টলগুলো আজ বুধবার থেকে খোলা হয়েছে। গত বছর পর্যন্ত অন্তত দুই থেকে তিনটি বাংলাদেশি ঢাকাই ও জামদানি শাড়ির স্টল এখানে বসত। বহু মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এসব স্টল।
কৃষিমন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে অবগত জানতেন না। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, মেলা কমিটি বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেরা সিদ্ধান্তই নিয়েছে, যাতে কোনো সমস্যার সৃষ্টি না হয়।
এ বছর বিধাননগর মেলা উৎসবে প্রায় ৫০০টি স্টল বসানো হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি ফুড কোর্ট এবং বিনোদনমূলক রাইড। মেলার অধিকাংশ স্টল প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে। মেলা চলবে আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।

পশ্চিমবঙ্গের বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (বিএমসি) প্রতিবছর বড় করে বাণিজ্য মেলার আয়োজন করে। এই মেলায় অবধারিতভাবে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা থাকেন। সেই বিধাননগর মেলা উৎসব গতকাল মঙ্গলবার সল্টলেক সেন্ট্রাল পার্ক ময়দানে শুরু হয়েছে। কিন্তু এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে কোনো অংশগ্রহণকারী নেই।
টাইমস অব ইন্ডিয়া গত সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, শহরের বৃহত্তম এবং জনপ্রিয় মেলাগুলোর একটি বিধাননগর মেলা উৎসব। এ বছর বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা মেলায় থাকছেন না। বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া এড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেলা কর্তৃপক্ষ।
মেলায় স্টল ও প্যাভিলিয়ন বুকিংয়ের দায়িত্বে থাকা একটি সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জমা দেওয়া অগ্রিম অর্থ ফেরত দিচ্ছেন এবং তাঁদের মেলায় না আসার জন্য অনুরোধ করেছেন।
তবে মেলা কমিটির সভাপতি ও বিএমসি মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সুজিত বসু, অরূপ বিশ্বাস এবং শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও তৃণমূল নেতারা।
অন্যান্য দেশের মধ্যে আফগানিস্তানের স্টলগুলো আজ বুধবার থেকে খোলা হয়েছে। গত বছর পর্যন্ত অন্তত দুই থেকে তিনটি বাংলাদেশি ঢাকাই ও জামদানি শাড়ির স্টল এখানে বসত। বহু মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এসব স্টল।
কৃষিমন্ত্রী শোভন দেব চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে অবগত জানতেন না। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, মেলা কমিটি বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেরা সিদ্ধান্তই নিয়েছে, যাতে কোনো সমস্যার সৃষ্টি না হয়।
এ বছর বিধাননগর মেলা উৎসবে প্রায় ৫০০টি স্টল বসানো হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি ফুড কোর্ট এবং বিনোদনমূলক রাইড। মেলার অধিকাংশ স্টল প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে। মেলা চলবে আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
৬ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
৬ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
৬ ঘণ্টা আগে
দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৬ ঘণ্টা আগে