নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দিনভর সূচকে ওঠানামার মধ্য দিয়ে পার করেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে শেষের পতন ঠেকিয়ে দিয়েছে ব্যাংক খাত। এই খাতের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বাড়ার প্রভাবে শেষ পর্যন্ত সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তবে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।
গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বুধবার দেশের পুঁজিবাজারে ঢালাও দরপতন হয়। দুদিনে ডিএসইর সূচক কমে ১৫৪ পয়েন্ট। এরপর বৃহস্পতিবার সূচকের কিছুটা উত্থান হয়। তবে চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রোববার ফের ঢালাও দরপতন হয়। এ পরিস্থিতিতে সোমবার পুঁজিবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। কয়েক দফার উত্থান-পতনের মাধ্যমে লেনদেন শেষ হয়।
দিন শেষে সব খাত মিলিয়ে লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে দর ১১৭টির, কমেছে ১৯৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৮৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে ২০টি ব্যাংকের শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে তিনটির দাম কমেছে। বাকি ১৩টি ব্যাংকের শেয়ার দাম অপরিবর্তিত ছিল। এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। ৭০৬ কোটি ৩২ লাখ ৫৬ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৭৩২ কোটি ৫৬ লাখ ৩ হাজার টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ২৬ কোটি ২৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। এর মাধ্যমে গত ১৩ আগস্টের পর ডিএসইতে সব থেকে কম লেনদেন হলো।
অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ২১৯ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১১৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টির। এর প্রভাবে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৬ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১২ কোটি ৩ লাখ টাকা।

দিনভর সূচকে ওঠানামার মধ্য দিয়ে পার করেছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে শেষের পতন ঠেকিয়ে দিয়েছে ব্যাংক খাত। এই খাতের বেশিরভাগ শেয়ারের দাম বাড়ার প্রভাবে শেষ পর্যন্ত সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তবে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।
গত সপ্তাহের মঙ্গলবার ও বুধবার দেশের পুঁজিবাজারে ঢালাও দরপতন হয়। দুদিনে ডিএসইর সূচক কমে ১৫৪ পয়েন্ট। এরপর বৃহস্পতিবার সূচকের কিছুটা উত্থান হয়। তবে চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রোববার ফের ঢালাও দরপতন হয়। এ পরিস্থিতিতে সোমবার পুঁজিবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। কয়েক দফার উত্থান-পতনের মাধ্যমে লেনদেন শেষ হয়।
দিন শেষে সব খাত মিলিয়ে লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে দর ১১৭টির, কমেছে ১৯৯টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৮৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে ২০টি ব্যাংকের শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে তিনটির দাম কমেছে। বাকি ১৩টি ব্যাংকের শেয়ার দাম অপরিবর্তিত ছিল। এতে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৪৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
সূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। ৭০৬ কোটি ৩২ লাখ ৫৬ হাজার টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৭৩২ কোটি ৫৬ লাখ ৩ হাজার টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ২৬ কোটি ২৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। এর মাধ্যমে গত ১৩ আগস্টের পর ডিএসইতে সব থেকে কম লেনদেন হলো।
অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ২১৯ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১১৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টির। এর প্রভাবে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ৬ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১২ কোটি ৩ লাখ টাকা।

নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
২ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১০ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১০ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
১০ ঘণ্টা আগে