
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় তদন্তে আন্তরিকতার অভাব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক নেতারা। আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে সাগর-রুনি হত্যার বিচার দাবিতে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে তারা এ মন্তব্য করেন।
বক্তারা বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো সরকারই এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করতে আগ্রহ দেখায়নি। তাঁরা দাবি করেন, সরকার চাইলে এত দীর্ঘ সময় লাগার কথা নয়। ইতিমধ্যে তিনটি সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু সাগর-রুনি হত্যার বিচারে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।
সাংবাদিক নেতারা আরও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১২৫ বার পেছানো হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নজিরবিহীন। এত গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর একটি হত্যা মামলার তদন্তে এতবার সময় বৃদ্ধি পাওয়ার উদাহরণ খুবই বিরল বলেও তারা উল্লেখ করেন। তাদের মতে, সরকার যদি আন্তরিক হতো, তবে এ ধরনের দীর্ঘসূত্রতা দেখা যেত না।
বক্তারা নতুন সরকারের প্রতি হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে স্মারকলিপি দেওয়ার পাশাপাশি আন্দোলনেরও ইঙ্গিত দেন। তাঁরা আরও জানান, এখন পর্যন্ত চারটি সংস্থাকে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেউই প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। আসলে আন্তরিকতার ঘাটতি থাকায় আজও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার পাওয়া যায়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
ডিআরইউয়ের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, ডিআরইউয়ের সিনিয়র সদস্য মশিউর রহমান, সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশাহসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে রাজধানীর নিজ বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি। এক যুগের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।

বিগত দশ বছরের দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বেড়েছে ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার ২২৭টি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ সালের ন্যাশনাল রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হতে পারে এই আশঙ্কায় দেশের জ্বালানি খাত ও জ্বালানি সংগ্রহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পুনর্গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে তার আগে স্বল্পমেয়াদে ভোক্তা ও ব্যবসার ওপর এই সংকটের প্রভাব কমানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।
৩ ঘণ্টা আগে
খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া’ (আরবিআই) দেশটির উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও নিম্ন মুদ্রাস্ফীতির পরিবেশকে একটি ‘গোল্ডিলকস’ মুহূর্ত (সবকিছু অনুকূলে থাকা অবস্থা) হিসেবে অভিহিত করেছিল। কিন্তু সেই মুহূর্ত ক্ষণস্থায়ী বলেই প্রমাণিত হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের রপ্তানিকারকদের ঋণ দিতে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) নামে একটি বিশেষ তহবিল আছে। এই তহবিলের অর্থের জোগান দেওয়া হয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে। বর্তমানে তহবিলটির আকার ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এটা বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
১৫ ঘণ্টা আগে