
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে একাধিক দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত এক মাসে মোট ৯৭২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রী ও কার্গো পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং বিমান চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের প্রভাবে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ বা সীমিত করে দেয়। ফলে এসব রুটে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনস বাধ্য হয়ে ধারাবাহিকভাবে ফ্লাইট বাতিল করে।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, সংকটের শুরুর দিকে বাতিলের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত ৩৩৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়। এরপর ১০ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত ২৭৫টি, ২০ মার্চ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ২২৬টি এবং ৩০ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত ১৩২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৭২টিতে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আকাশসীমা ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির ওপরই নির্ভর করছে ফ্লাইট পরিচালনার পূর্ণ স্বাভাবিকতা।
এদিকে, ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রী ও প্রবাসী কর্মীরা। অনেকেই নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত ফ্লাইট পুনরায় চালু করা হবে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ ফ্লাইট সূচি জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

বিগত দশ বছরের দেশে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা বেড়েছে ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার ২২৭টি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ সালের ন্যাশনাল রিপোর্টে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হতে পারে এই আশঙ্কায় দেশের জ্বালানি খাত ও জ্বালানি সংগ্রহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পুনর্গঠনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে তার আগে স্বল্পমেয়াদে ভোক্তা ও ব্যবসার ওপর এই সংকটের প্রভাব কমানোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।
৩ ঘণ্টা আগে
খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া’ (আরবিআই) দেশটির উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও নিম্ন মুদ্রাস্ফীতির পরিবেশকে একটি ‘গোল্ডিলকস’ মুহূর্ত (সবকিছু অনুকূলে থাকা অবস্থা) হিসেবে অভিহিত করেছিল। কিন্তু সেই মুহূর্ত ক্ষণস্থায়ী বলেই প্রমাণিত হলো।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের রপ্তানিকারকদের ঋণ দিতে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) নামে একটি বিশেষ তহবিল আছে। এই তহবিলের অর্থের জোগান দেওয়া হয় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে। বর্তমানে তহবিলটির আকার ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এটা বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
১৫ ঘণ্টা আগে