আজকের পত্রিকা ডেস্ক

কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও আবুল খায়ের কনডেন্সড মিল্ক লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্য প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই চুক্তির ফলে ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ডে আগত দর্শনার্থীরা স্টারশিপ বেভারেজ, আমা কফি এবং মার্কস মিল্ক পাউডারের তৈরি মুখরোচক খাবার স্বল্পমূল্যে উপভোগ করতে পারবেন।
কনকর্ড গ্রুপের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা অনুপ কুমার সরকার এই চুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘ফয়’স লেক কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ডে আমাদের লক্ষ্য হলো দর্শনার্থীদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি তৈরি করা। পার্কের রোমাঞ্চকর রাইড, বিনোদনমূলক শো এবং নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি দর্শকেরা এখন থেকে স্টারশিপ জুস, আমা কফিসহ অন্যান্য পণ্য গ্রহণের সুযোগ পাবেন।’
আবুল খায়ের গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহীদুল্লাহ চৌধুরী (অব.) বলেন, ‘এই কৌশলগত ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা সহজে কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হব। এটি আমাদের ব্র্যান্ডের মান ও গ্রহণযোগ্যতা নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে প্রধান বিপণন কর্মকর্তা অনুপ কুমার সরকার এবং আবুল খায়ের কনডেন্সড মিল্ক লিমিটেডের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহীদুল্লাহ চৌধুরী চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহাব্যবস্থাপক মেজর (অব.) এনামুল করিম, উপমহাব্যবস্থাপক (বিপণন) উজ্জ্বল কুমার বসাক, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) মনোয়ার হোসেন রনি, উপব্যবস্থাপক (বিপণন) অভিজিৎ পাল, সহকারী ব্যবস্থাপক (ব্র্যান্ড মার্কেটিং) ইসফাক মিরাজ, সিনিয়র অফিসার (ব্র্যান্ড মার্কেটিং) এস এম রিজভী হাসান ও আবুল খায়ের কনডেন্সড মিল্ক লিমিটেডসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও আবুল খায়ের কনডেন্সড মিল্ক লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান নিজেদের পণ্য প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই চুক্তির ফলে ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ডে আগত দর্শনার্থীরা স্টারশিপ বেভারেজ, আমা কফি এবং মার্কস মিল্ক পাউডারের তৈরি মুখরোচক খাবার স্বল্পমূল্যে উপভোগ করতে পারবেন।
কনকর্ড গ্রুপের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা অনুপ কুমার সরকার এই চুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘ফয়’স লেক কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট ওয়ার্ল্ডে আমাদের লক্ষ্য হলো দর্শনার্থীদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি তৈরি করা। পার্কের রোমাঞ্চকর রাইড, বিনোদনমূলক শো এবং নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি দর্শকেরা এখন থেকে স্টারশিপ জুস, আমা কফিসহ অন্যান্য পণ্য গ্রহণের সুযোগ পাবেন।’
আবুল খায়ের গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শহীদুল্লাহ চৌধুরী (অব.) বলেন, ‘এই কৌশলগত ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা সহজে কাঙ্ক্ষিত গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হব। এটি আমাদের ব্র্যান্ডের মান ও গ্রহণযোগ্যতা নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।’
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে প্রধান বিপণন কর্মকর্তা অনুপ কুমার সরকার এবং আবুল খায়ের কনডেন্সড মিল্ক লিমিটেডের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শহীদুল্লাহ চৌধুরী চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহাব্যবস্থাপক মেজর (অব.) এনামুল করিম, উপমহাব্যবস্থাপক (বিপণন) উজ্জ্বল কুমার বসাক, সহকারী মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) মনোয়ার হোসেন রনি, উপব্যবস্থাপক (বিপণন) অভিজিৎ পাল, সহকারী ব্যবস্থাপক (ব্র্যান্ড মার্কেটিং) ইসফাক মিরাজ, সিনিয়র অফিসার (ব্র্যান্ড মার্কেটিং) এস এম রিজভী হাসান ও আবুল খায়ের কনডেন্সড মিল্ক লিমিটেডসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
৫ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৭ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
২১ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
২১ ঘণ্টা আগে