
ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ব্যাচের ২৫ জন উদ্যোক্তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. ওবায়দুল হক। এর আগে ২৭ মার্চ প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় দুই ব্যাচে মোট ৫০ জন উদ্যোক্তার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে ব্র্যাক ব্যাংক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের জয়েন্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ জাহিদ ইকবাল।
নতুন উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক জ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং তাদের ব্যবসা পরিচালনায় সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই কার্যক্রমের আয়োজন করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে মাসব্যাপী এই প্রশিক্ষণ চালু থাকে। এবং ওই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে উদ্যোক্তাদের পণ্যের পসরা নিয়ে একটি মেলার আয়োজন করা হয়। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এই প্রশিক্ষণের ব্যয় বহন করে এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটির ব্যবস্থাপনায় ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি)।
এই প্রশিক্ষণ সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘এসএমই প্রধান ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক সব সময় নতুন উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ নিশ্চিত করায় জোর দিয়ে থাকে। উদ্যোক্তারা যাতে কার্যকরভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য আমরা প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করে থাকি।’
সেলিম রেজা ফরহাদ আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা তাঁদের ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ ধরনের ব্যবসাবান্ধব কার্যক্রম দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেবে। এই সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ উদ্যোগের সঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংককে সম্পৃক্ত রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে ধন্যবাদ জানাই।’

ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় ব্যাচের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৫ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ব্যাচের ২৫ জন উদ্যোক্তার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র তুলে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. ওবায়দুল হক। এর আগে ২৭ মার্চ প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় দুই ব্যাচে মোট ৫০ জন উদ্যোক্তার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে ব্র্যাক ব্যাংক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের জয়েন্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ জাহিদ ইকবাল।
নতুন উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক জ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং তাদের ব্যবসা পরিচালনায় সহযোগিতা করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই কার্যক্রমের আয়োজন করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে মাসব্যাপী এই প্রশিক্ষণ চালু থাকে। এবং ওই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে উদ্যোক্তাদের পণ্যের পসরা নিয়ে একটি মেলার আয়োজন করা হয়। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এই প্রশিক্ষণের ব্যয় বহন করে এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটির ব্যবস্থাপনায় ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইআইপি)।
এই প্রশিক্ষণ সম্পর্কে ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘এসএমই প্রধান ব্যাংক হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক সব সময় নতুন উদ্যোক্তাদের সহজ ঋণ নিশ্চিত করায় জোর দিয়ে থাকে। উদ্যোক্তারা যাতে কার্যকরভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য আমরা প্রশিক্ষণেরও আয়োজন করে থাকি।’
সেলিম রেজা ফরহাদ আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতা তাঁদের ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ ধরনের ব্যবসাবান্ধব কার্যক্রম দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে এগিয়ে নেবে। এই সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ উদ্যোগের সঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংককে সম্পৃক্ত রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে ধন্যবাদ জানাই।’

সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১১ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১২ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১২ ঘণ্টা আগে
অবসায়ন বা বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) শেয়ার হঠাৎ করেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর এক টাকার নিচে নেমে যাওয়া এসব শেয়ার আজ মঙ্গলবার সর্বোচ্চ সার্কিট ব্রেকারে ঠেকে যায়। এতে প্রশ্ন উঠেছে, আর্থিকভাবে দেউলিয়া
১৬ ঘণ্টা আগে