Ajker Patrika

ডিজিটাল ব্যাংক চায় ৫২ প্রতিষ্ঠান, রয়েছে ব্যাংক-মোবাইল অপারেটর-রাইড শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আপডেট : ২০ আগস্ট ২০২৩, ২১: ৩৪
ডিজিটাল ব্যাংক চায় ৫২ প্রতিষ্ঠান, রয়েছে ব্যাংক-মোবাইল অপারেটর-রাইড শেয়ার

প্রচলিত ব্যাংকিং ধারার পাশাপাশি শাখা ও বুথ ছাড়া অ্যাপভিত্তিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার জন্য আবেদন করেছে ৫২টি প্রতিষ্ঠান। আর জোটবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি আবেদনকে একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

আবেদনকারীদের মধ্য রয়েছে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) কোম্পানি, রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি, তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদানকারী, ওষুধ কোম্পানি প্রভৃতি। প্রতিষ্ঠানগুলো লাইসেন্স পেতে কেউ আবেদন এককভাবেও করেছে, আবার যৌথ উদ্যোগও আছে। 

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, ‘ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য ওয়েব পোর্টাল খোলা হয়। সে পোর্টালে নির্ধারিত সময়ে আবেদন করেছে ৫২টি প্রতিষ্ঠান। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই চলছে। নীতিমালা অনুযায়ী যারা আবেদন করেছে এবং যেগুলো যোগ্য হবে তাদের লাইসেন্সের জন্য এলওআই (লেটার অব ইনটেন্ট) দেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। এলওআই পেতে পরবর্তী বোর্ড সভায় উঠতে পারে ইস্যুটি। তবে অপারেশনে যেতে কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে।’

দেশের বেসরকারি খাতের ১০ ব্যাংক মিলে ডিজিটাল ব্যাংক করার উদ্যোগ নিয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিজি টেন ব্যাংক পিএলসি’। একসঙ্গে ১০ ব্যাংক মিলে এ ধরনের উদ্যোগ দেশে এটিই প্রথম। 

ডিজিটাল ব্যাংক করার জন্য একসঙ্গে জোট বা কনসোর্টিয়াম গঠন করেছে সেগুলো হচ্ছে সিটি ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি), ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল), ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড (ডিবিবিএল), ট্রাস্ট ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এনসিসিবি), মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও মিডল্যান্ড ব্যাংক।

রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংক মিলেও ডিজিটাল ব্যাংক করতে চায়। এগুলো হলো সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক।

সূত্র জানায়, ডিজিটাল ব্যাংকের শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ ছাড়াই পুরোপুরি প্রযুক্তিনির্ভর চলবে ‘ডিজিটাল ব্যাংক’। থাকবে না সশরীরে লেনদেনের কোনো ব্যবস্থা। অ্যাপে সব সেবা মিলবে। এসব ব্যাংক করপোরেট প্রতিষ্ঠাকে ঋণ দিতে পারবে না। দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দিতেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। 

এদিকে ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন করেছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’, ‘নগদ’ ও মোবাইল অপারেটর কোম্পানি বাংলালিংক, রাইড শেয়ারিং পাঠাও।

বিকাশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম বলেন, ‘যথাযথ নিয়ম মেনে আবেদন করেছে বিকাশ। ডিজিটাল ব্যাংক পাওয়ার ক্ষেত্রে আশাবাদী।’

ব্যাংকিং নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য লাগবে ১২৫ কোটি টাকা, পরিচালক হতে লাগবে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা। নতুন ধারার এই ব্যাংক চালু করতে আগ্রহীদের আবেদন নিতে নতুন ওয়েব পোর্টাল খুলে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত ১৪ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ‘ডিজিটাল ব্যাংক’ চালুর অনুমোদন দেয়। ১৫ জুন এ বিষয়ে নীতিমালা জারি করে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘ডিজিটাল ব্যাংক’-এর জন্য অনলাইনে আবেদন জমা দিতে গত ২১ জুন একটি ওয়েব পোর্টাল চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। আবেদনের সময় ছিল ১ আগস্ট। পরবর্তীকালে আবেদনের সময়সীমা ১৭ আগস্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

আইসিসি থেকে বিসিবি বছরে আসলে কত টাকা পায়

ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটে ইরান, বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পতুষ্টি করছে বললেন খামেনি

ছয়জনের লিফটে বরসহ ১০ জন উঠে আটকা, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় উদ্ধার

‘রাতারাতি’ পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম জাপান—চীনের বিস্ফোরক দাবি

‘নির্বাচন কমিশন ধানের শীষ দিলেও আপত্তি নেই’

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত