নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কৃষিঋণ বিতরণে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি ৮ ব্যাংক। ব্যর্থ ব্যাংকগুলো হলো ন্যাশনাল ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক। এসব ব্যাংক লক্ষ্যের তুলনায় ২ হাজার ৬৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা কম বিতরণ করেছে। তবে ব্যর্থ ব্যাংকগুলোর অবণ্টিত কৃষিঋণের অর্থ শতভাগ সফল ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।
গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত কৃষি ও পল্লিঋণ নীতিমালা ঘোষণাকালে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিচালক নুরুল আমিন, বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মো. সরোয়ার হোসেন, সাঈদা খানম, কৃষিঋণ বিভাগের পরিচালক কানিজ ফাতিমাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সাজেদুর রহমান খান বলেন, পশুপাখি লালন-পালনের জন্য নিজস্ব জমির পাশাপাশি লিজকৃত জমির বিপরীতেও কৃষকদের ঋণ দেওয়া হবে। এমনকি ছাদকৃষিতেও বিনিয়োগ করবে ব্যাংকগুলো। যারা এই ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হবে, তারা বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার কমন ফান্ডে (বিএসিএফ) জমা দেবে। এই অর্থগুলো শতভাগ সফল ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আবারও কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
কৃষিঋণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করা হবে, যা গত অর্থবছরে ছিল ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে প্রবৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ১২ হাজার ৩০ কোটি টাকা, বেসরকারি ২১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা এবং বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা বিতরণ করবে। এদিকে বিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো মোট ৩২ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণ করেছে, যা অর্থবছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার ১০৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, গত অর্থবছরে ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৮১১ জন কৃষি ও পল্লিঋণ পেয়েছেন। এর মধ্যে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফআই লিংকেজের (এনজিও) মাধ্যমে ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৫ জন ঋণ পেয়েছেন। ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৯৩৩ জন নারী ১২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লিঋণ পেয়েছেন। এ ছাড়া গত অর্থবছরে ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ২২ হাজার ৪০২ কোটি টাকা এবং চর, হাওর প্রভৃতি অনগ্রসর এলাকার ৩ হাজার ৪৪৯ জন কৃষক প্রায় ১৮ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছেন। আর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) তাদের নিজস্ব অর্থায়নে যথাক্রমে ২৬ কোটি ও ১ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাংকগুলো নিজস্ব নেটওয়ার্ক (শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, দলবদ্ধ ঋণ বিতরণ) এবং ব্যাংক-এমএফআই লিংকেজ ব্যবহার করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঋণ নীতিমালায়, ঋণের আওতায় নেই এমন নতুন কৃষকদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঋণ বিতরণ করা হবে। পল্লি অঞ্চলে আয়-উৎসারী কর্মকাণ্ডে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা হবে ৫ লাখ টাকা। আর ছাদকৃষির পাশাপাশি ভেনামি চিংড়ি, কাঁকড়া ও কুঁচিয়া চাষেও ঋণ দেওয়া হবে।

কৃষিঋণ বিতরণে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি ৮ ব্যাংক। ব্যর্থ ব্যাংকগুলো হলো ন্যাশনাল ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংক। এসব ব্যাংক লক্ষ্যের তুলনায় ২ হাজার ৬৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা কম বিতরণ করেছে। তবে ব্যর্থ ব্যাংকগুলোর অবণ্টিত কৃষিঋণের অর্থ শতভাগ সফল ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।
গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত কৃষি ও পল্লিঋণ নীতিমালা ঘোষণাকালে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিচালক নুরুল আমিন, বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র ও পরিচালক মো. সরোয়ার হোসেন, সাঈদা খানম, কৃষিঋণ বিভাগের পরিচালক কানিজ ফাতিমাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সাজেদুর রহমান খান বলেন, পশুপাখি লালন-পালনের জন্য নিজস্ব জমির পাশাপাশি লিজকৃত জমির বিপরীতেও কৃষকদের ঋণ দেওয়া হবে। এমনকি ছাদকৃষিতেও বিনিয়োগ করবে ব্যাংকগুলো। যারা এই ঋণ বিতরণে ব্যর্থ হবে, তারা বাংলাদেশ অ্যাগ্রিকালচার কমন ফান্ডে (বিএসিএফ) জমা দেবে। এই অর্থগুলো শতভাগ সফল ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে আবারও কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হবে।
কৃষিঋণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করা হবে, যা গত অর্থবছরে ছিল ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে প্রবৃদ্ধির হার ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ১২ হাজার ৩০ কোটি টাকা, বেসরকারি ২১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা এবং বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা বিতরণ করবে। এদিকে বিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যাংকগুলো মোট ৩২ হাজার ৮৩০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণ করেছে, যা অর্থবছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার ১০৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, গত অর্থবছরে ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৮১১ জন কৃষি ও পল্লিঋণ পেয়েছেন। এর মধ্যে ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফআই লিংকেজের (এনজিও) মাধ্যমে ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৫ জন ঋণ পেয়েছেন। ১৮ লাখ ৮১ হাজার ৯৩৩ জন নারী ১২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লিঋণ পেয়েছেন। এ ছাড়া গত অর্থবছরে ২৭ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ২২ হাজার ৪০২ কোটি টাকা এবং চর, হাওর প্রভৃতি অনগ্রসর এলাকার ৩ হাজার ৪৪৯ জন কৃষক প্রায় ১৮ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছেন। আর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বাইরে বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) তাদের নিজস্ব অর্থায়নে যথাক্রমে ২৬ কোটি ও ১ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লিঋণ বিতরণের লক্ষ্য ঠিক করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাংকগুলো নিজস্ব নেটওয়ার্ক (শাখা, উপশাখা, এজেন্ট ব্যাংকিং, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, দলবদ্ধ ঋণ বিতরণ) এবং ব্যাংক-এমএফআই লিংকেজ ব্যবহার করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ব্যাংকের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঋণ নীতিমালায়, ঋণের আওতায় নেই এমন নতুন কৃষকদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঋণ বিতরণ করা হবে। পল্লি অঞ্চলে আয়-উৎসারী কর্মকাণ্ডে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা হবে ৫ লাখ টাকা। আর ছাদকৃষির পাশাপাশি ভেনামি চিংড়ি, কাঁকড়া ও কুঁচিয়া চাষেও ঋণ দেওয়া হবে।

এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
৬ ঘণ্টা আগে
গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্কের বাড়তি বোঝা শুধু মার্কিন অর্থনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। শুল্কের চাপে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তৈরি পোশাকের ব্র্যান্ড ক্রেতারা আমদানি কমিয়েছেন ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকায় উঠেছে। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম। এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার...
১০ ঘণ্টা আগে
সংকট কাটিয়ে উঠতে বাকিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির সুযোগ দিল সরকার। এজন্য দেশি ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট, বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে আমদানি করা যাবে। আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলার দিয়ে বলেছে, ‘ক্রেডিটে আমদানির করা...
১১ ঘণ্টা আগে